Skip to main content

উপমহাদেশ অকৃতজ্ঞ নয়:~

 উপমহাদেশ অকৃতজ্ঞ নয়:~


সারাবিশ্ব যখন শুধুই বর্তমান সময়ের লাভ ক্ষতি নিয়ে ব্যস্ত, এমনকি সরা বিশ্বের দেশসমূহের সরকার প্রধানগণ যখন নিজেদের ক্ষমতাকে সুসংহত করতে দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিতেও কুণ্ঠাবোধ করছে না: তখন ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান এবং তাদের সরকার প্রধানগণ যেন বর্তমান সময়কে নয়, বরং অতীত ও ভবিষ্যত এর কথা মাথায় রেখে নতুন বিশ্বব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়ে, বর্তমান সময়ের ঝঞ্জা-বিক্ষুব্ধ রাজনৈতিক পরিবেশকে মোকাবেলা করতে উদ্যত হয়েছে~

#ভারত

অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষথেকে সরাসরি চাপ প্রয়োগ, জাপানের পক্ষ থেকে বর্তমানে ৪২ বিলিয়ন ডলার ও পরবর্তীতে আরও বিনিয়োগের লোভ, আমেরিকার পক্ষ থেকে অবরোধের হুমকি এবং যুক্তরাজ্যের পক্ষথেকে সম্পর্কের অবনতির হুশিয়ারি সত্বেও ইন্ডিয়া এখনও রাশিয়ার বিপক্ষে অবস্থান নেয়া তো দূরের কথা, রাশিয়া/ইউক্রেন সমস্যাকে যুদ্ধ বা রাশিয়ার পক্ষ থেকে আগ্রাসন হিসেবেও বিবৃতি দেয়নি; উপরন্ত রুবলের মাধ্যমে রাশিয়া থেকে তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়ে ঘোষণাবিহীন ভাবে মার্কিন বলয়ের বিপক্ষে এবং রাশিয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। 


আরও স্পষ্ট করে বললে বলতে হয়; সরাসরি যুদ্ধে রাশিয়ার পক্ষ নিয়ে যুদ্ধে অবতীর্ণ না হলেও, পশ্চিমাদের বিপক্ষে রাশিয়ার শুরু করা অর্থনৈতিক যুদ্ধে ইন্ডিয়া সরাসরি রাশিয়ার পক্ষাবলম্বন করেছে।

উল্লেখ্য;  অবন্ধুসুলভ দেশসমূহকে রুবোলের মাধ্যমে রাশিয়া থেকে তেল-গ্যাস কেনার যে শর্ত দিয়েছে সেটি ভারতের জন্য প্রযোজ্য নয়, কারণ ভারত বন্ধু রাষ্ট্র। 

এই বিষয়টিকে গত একমাস যাবত পশ্চিমাদের পক্ষ থেকে রাশিয়ার ওপর অবরোধ আরোপের বিপরীতে পুতিনের পক্ষ থেকে পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ ~

 ১. রুবেলে তেল গ্যাস কিনতে হলে রাশিয়ার ব্যাংকে একাউন্ট খোলার মাধ্যমে রাশিয়ার বিপক্ষে আরোপিত ব্যাংকিং নিষেধাজ্ঞা ইউরোপকে-ই ভাঙতে  হবে ~

২. রাশিয়াতে প্রতিনিয়ত যাতায়াতের জন্য রাশিয়ার বিপক্ষে আরোপিত আকাশ পথের নিষেধাজ্ঞাও ইউরোপ কেই ভাঙতে হবে~

৩. রুবলের মজুদে টান পড়ার মাধ্যমে রুবলের দাম হুহু করে বেড়ে যাবে, এমনকি রুবল আন্তর্জাতিক মুদ্রা হিসেবে স্বীকৃতি পাবে~

৪. বলাই বাহুল্য রাশিয়ার অর্থনীতি চাঙ্গা হয়ে উঠবে~


উল্লেখ্য; ইন্ডিয়ার জন্য রাশিয়ার এই শর্ত প্রযোজ্য নয়, ইন্ডিয়া চাইলে রাশিয়া থেকে পূর্বের মত ডলারের বিনিময়ে তেল কিনতে পারে; এমনকি এই সুযোগে ইন্ডিয়া রুপির বিনিময়েও রাশিয়া থেকে তেল কেনার প্রস্তাব দিতে পারতো, সেক্ষেত্রে বরং রুপির অবস্থান অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে আরো সুসংহত হতো~

কিন্তু উল্টো ইন্ডিয়া রাশিয়া থেকে রুবেলের বিনিময় তেল-গ্যাস কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে; 

~যা অবধারিতভাবে পশ্চিমাদের আরোপিত  নিষেধাজ্ঞাকে অগ্রাহ্য করার সামিল; 

~যা অবরোধের কারণে নিম্ন পতনশীল রুবেল এর মান কে প্রতিহত করবে;

~যা তেল বাণিজ্যে ডলার ও ইউরো এর বিপরীতে রুবলের গ্রহনযোগ্যতা তৈরি করবে;


#বাংলাদেশ

এই যুদ্ধকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ এর উপর পশ্চিমাদের কেমন চাপ আছে, সেটি কম বেশি আমরা সকলেই বুঝতে পারি~ 

কিছুদিন আগে আমেরিকান প্রতিনিধি দলের বাংলাদেশ সফর আসলে কি উদ্যেশ্যে ছিল, সেটিও আমরা কমবেশি বুঝতে পারি। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে রাশিয়ার নিন্দা জানায়নি ।

যদিও অনেকেই  জাতিসংঘের লাস্ট ভোটাভুটিতে বাংলাদেশের ইউক্রেনের পক্ষে ভোট দেয়ার প্রসঙ্গ টানতে পারেন ; কিন্তু এই সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী "শেখ হাসিনা ওয়াজেদ" বিষয়টির ব্যাখ্যা দিয়ে স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করেছেন যে, আমরা রাশিয়ার পক্ষ্যে এবং তিনি এটিও বলেছেন যে আমরা রাশিয়ার বিপক্ষে ভোট দেই নি, ভোট দিয়েছি ইউক্রেনে মানবিক সহায়তা পৌঁছানোর পক্ষে~


#পাকিস্তান

আমরা জানি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এর পতন প্রায় নিশ্চিত। ইমরান খানের এই পতনের পিছনে যে কয়েকটি কারণ আছে তার মধ্যে অন্যতম কারণ হচ্ছে রাশিয়ার বিপক্ষে অবস্থান না নেয়া; বিষয়টি আমরা কমবেশি সকলেই জানি। তবে যারা জেনেও না জানার ভান করেন বা বুঝেও না বোঝার ভান করেন তাদের জন্য বলছি~

গতকাল পাকিস্তানের সেনাবাহিনী-প্রধান বিবৃতি দিয়ে রাশিয়ার বিপক্ষে নিন্দা জানিয়েছে। 

কোন দেশের পক্ষে বা বিপক্ষে অবস্থান নেওয়ার অধিকার সেনাবাহিনীর নেই, বা কোন দেশের বিপক্ষে রাষ্ট্রীয়ভাবে বিবৃতি দেওয়ার অধিকারও সেনাবাহিনী-প্রধানের নেই। তবে পাকিস্তান বলে কথা? ?

আমরা সকলেই জানি পাকিস্তানের সেনাবাহিনী পাকিস্তানের জন্য একটা ছায়া সরকার হিসেবে কাজ করে। ইমরান খান এর সরকারকে যখন রাশিয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে বাধ্য করা যায়নি, তখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে একটি মহল রাশিয়ার বিপক্ষে অবস্থান নিতে এবং সরকারের পতন ঘটাতে বাধ্য করছে~ 


ভারত এবং বাংলাদেশের জন্য রাশিয়া একটি পরীক্ষিত বন্ধু, এ বিষয়ে ভারত এবং বাংলাদেশের কোন সচেতন নাগরিকই মনে হয় না দ্বিমত করবে? 

১৯৭১ এ তৎকালীন সোভিয়েত রাশিয়া শুধু বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে সহায়তা করেনি, বরং চীন ও পাকিস্তানের যৌথ আক্রমণ থেকে ইন্ডিয়াকে রক্ষা করেছে।          সে সময়ে~

১. ইন্ডিয়ার সাথে সোভিয়েত রাশিয়ার মৈত্রী চুক্তি'র নামে সামরিক সহযোগিতা চুক্তি, 

২. চীনের সীমান্ত ৫৫ ব্যাটেলিয়ান রাশিয়ান সৈন্য, অসংখ্য ট্যাংক ও যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে রাশিয়া যাতে চীন  ইন্ডিয়া বা বাংলাদেশে পাকিস্তানকে সাথে নিয়ে আক্রমণ চালাতে সাহস না করে।

৩. পাকিস্তান/চীন/মার্কিন নৌবাহিনীর গতিপথ পর্যবেক্ষণের জন্য পরপর তিনটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ এবং 

৪. মার্কিন সপ্তম নৌবহরের বিপরীতে পারমাণবিক অস্ত্র সজ্জিত সৌভিয়েত নৌবহর প্রেরণ ~


১৯৭১ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার উপরোক্ত পদক্ষেপ গুলি শুধু বাংলাদেশকে স্বাধীনতা যুদ্ধে  সহায়তা করেছিল না, বরং ইন্ডিয়াকে মার্কিন ছত্রছায়ায় চীন ও পাকিস্তানের যৌথ আক্রমণ থেকে রক্ষা করেছিল~


ভারত ও বাংলাদেশ না হয় রাশিয়ার কাছে কৃতজ্ঞ; কিন্তু পাকিস্তান ? পাকিস্তান সরকার কেন রাশিয়ার বিপক্ষে অবস্থান নেয় নি ?

 এর কারণ হতে পরে~

১. মার্কিনীদের প্রয়োজনের সময় পাকিস্তান কে ব্যবহার করে প্রয়োজন শেষে ছুঁড়ে ফেলে দেওয়া~

(এটি অবশ্য শুধু পাকিস্তানের জন্য নয়, বরং সবার জন্য প্রযোজ্য মার্কিন নীতি)

২. অনেকটা প্রকাশ্যভাবে চীনের রাশিয়ার পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং তদনুযায়ী পাকিস্তানের উপর চীনের চাপ~

৩. ব্যাক্তি ইমরান খান এর কিছুটা দেশপ্রেম এবং কিছুটা আপোষহীন মানসিকতা।


রাশিয়ার বিপক্ষে পাকিস্তানের অবস্থান না নেয়ার আরও অন্তর্নিহিত কারণ থাকলে থাকতেও পারে~

তবে বাংলাদেশ ও ভারতের রাশিয়ার বিপক্ষে সরাসরি অবস্থান না নেয়ার অন্যতম কারণ যে কৃতজ্ঞতাবোধ, তাতে কোনোই সন্দেহ নেই~


আমার মনে হয়; বাংলাদেশ ভারত ও পাকিস্তান-সহ সৌদি আরব এবং আরব আমিরাতের রাশিয়ার বিপক্ষে অবস্থান না নেয়ার আরও অন্য একটি কারণ আছে~ 

সেই কারণটি হচ্ছে ভবিষ্যতের চিন্তা, অতীতের অভিজ্ঞতার আলোকে ভবিষ্যৎ এ এর চিন্তা মাথায় রেখে এরূপ সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশগুলি~ 

(পরবর্তী কোন এক পোষ্টে এ নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে~)


আজকে দিল্লিতে অবস্থান করে মার্কিন দূত ভবিষ্যত নিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছেন; 

তিনি বলেছেন~ "চীন যদি ভারত কে আক্রমণ করে, তাহলে রাশিয়া কখনোই ভারতকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসবে না, বরং আমেরিকা এগিয়ে আসবে; সুতরাং ভারতের উচিৎ রাশিয়ার বিপক্ষে অবস্থান নেয়া"

(এই বিষয়ের আলোকেও পরবর্তীতে কিছু বলতে চাই~)

বড় হয়ে যাচ্ছে, আজকে এ পর্যন্তই~

Comments

Popular posts from this blog

সময়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে ইসলামের ধরন-ধারণ, প্রচার-প্রচারণা ও প্রয়োগিক পদ্ধতিতে কোন পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে কি না ?

 সময়ের সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে তালমিলিয়ে ইসলামের ধরন/ধারণ, প্রচার/প্রচারণা ও পদ্ধতিগত পরিবর্তন হতে পারে বলে আমার অনেক শিক্ষিত বন্ধুরা মনে করে থাকেন, এবিষয়ে আমার জানা ইসলামের আলোকে একান্ত বেক্তিগত মতামত~           আপনি বা আপনারা যদি ইসলামকে সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহ প্রদত্ত ধর্ম বলে বিশ্বাস করে থাকেন ; তাহলে আপনাদের এই ধারণা আল্লাহকে বা সৃষ্টিকর্তাকে ছোট বা খাটো করার নামান্তর। কারণ আল্লাহ এমন একটি সত্তা, যিনি বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির শুরু থেকে কেয়ামত বা ধ্বংস হওয়া পর্যন্ত যা যা ঘটবে, বিজ্ঞানের উন্নতির কারণে যেসব প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আসবে, সে-সব কিছুই তিনি অবগত ছিলেন এবং আছেন। কাজেই সময়ের সাথে বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে যদি ইসলামের ধরন/ধারণ, প্রচার/প্রচারণা ও পদ্ধতিতে পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে বলে সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহ মনে করতেন, তাহলে উনি উনার বার্তাবাহক অর্থাৎ রাসূল মুহম্মদ সা: মারফত তা জানিয়ে দিতেন। উনি ভবিষ্যতের যেসব বিষয়ে মানুষকে অবহিত করার প্রয়োজন মনে করেছেন, মুহম্মদ সা: এর মাধ্যমে তা জানিয়ে দি...

মনের অজান্তেই আমরা গালি দেই কেন ?

 মনের অজান্তেই আমরা গালি দেই কেন ?  ঝগড়ার সময় একে অপরকে আমরা যে গালিগালাজ করি এটা সেরকম কিছু নয়।  ধরুন, পথ চলতে গিয়ে হঠাৎ বেখেয়ালে আপনি একটা তীব্র হোঁচট খেলেন। তখন কী হয়? তীব্র যন্ত্রণাবোধের সাথে সাথেই মুখ থেকেও বেরিয়ে আসে একটা গালি(তোর মায়েরে বাপ~~জাতীয়) অথবা কাপ থেকে হঠাৎ পড়ে গেল কফি বা চা, বারোটা বেজে গেল আপনার জামাকাপড় বা মেঝের এবং সাথে সাথেই - আমাদের মুখ থেকে বেরিয়ে এলো (যাহ শালা~)  অথবা আপনি হয়তো ড্রাইভ করছেন, হটাৎ আরেকটি গাড়ি বিপজ্জনক ভাবে রং সাইড দিয়ে আপনাকে ওভারটেক করলো, সাথে সাথেই আপনার মুখ দিয়ে বেরিয়ে এলো~ ~ এজাতীয় পরিস্থিতিতে মানুষ নিজের অজান্তেই গালি দেয়; কিন্তু কেন ? কারণ গালিটা মুখদিয়ে বের হওয়ার সাথে সাথেই প্রায় যাদুমন্ত্রের মতই - আমরা তাৎক্ষণিক একটা আরাম বোধ করি। তবে সবার ক্ষেত্রেই - এক রকম হবে, তা কিন্তু নয়। কেউ বেশি গালাগালি করে, কেউ বা কম। আবার অতিমাত্রায় খুশি হলেও মানুষ গালি দেয়, এমন লোকও আছে। কিন্তু একথা সত্যি যে, এহেন পরিস্থিতিতে সব ভাষায়, সব সংস্কৃতিতেই মানুষ গালি দেয়~ গালির সংজ্ঞা কী? "গালি জিনিসটা আসলে ঠিক কি, তা নি...

ইসলাম এবং জঙ্গিবাদ

জানতে ইচ্ছে করে~ উপলক্ষ্য; ড: মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপর হামলা। ক্ষুদ্র জ্ঞানে ইসলাম সম্পর্কে যতটুকু জানি তা হলো~ জনাব মুহাম্মদ সা: এর জীবনাচরণ-ই হলো ইসলাম। উনি যা করে দেখিয়েছেন, যা বলে গেছেন, তার নামই ইসলাম। পবিত্র কুরআন হচ্ছে ইসলামের সর্বোচ্চ পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ, এরপর হাদিসের গ্রন্থ সমূহের অবস্থান। পবিত্র কোরআন এর অনেক কিছুই সাধারণ মানুষের জন্য বুঝতে পারাটা বেশ কঠিন বিধায়; বড় বড় ইসলামী দার্শনিক-গণ মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিতে বলেছেন।  উনাদের মতে পবিত্র কোরআন যদি থিওরি হয়, তাহলে মহানবী মুহাম্মদ সা: এর পুরো জীবনটাই হচ্ছে তার ব্যবহারিক প্রয়োগ।  অর্থাৎ পবিত্র কোরআন সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত্ব মতবাদ; আর মুহম্মদ সা: হচ্ছেন সৃষ্টিকর্তার পাঠানো মডেল, যাকে তিনি পুরোটা জীবন পবিত্র কোরআন অনুযায়ী জীবনযাপন করিয়েছেন শুধুমাত্র মানব-জাতিকে শিক্ষা দেয়ার উদ্যেশ্যে ~ বলাহয়, মানব জাতির জন্য এমন কোন বিপদ/আপদ, বালা/মসিবত এবং সমস্যা আসবে না; যার সম্মুখীন মুহম্মদ স:-কে করা হয়নি~ অর্থাৎ চাইলেই মানুষ তার জীবনের যেকোন সমস্যায় বা পরিস্থিতিতে মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে উক্ত সমস্...