Skip to main content

Posts

Showing posts from February, 2022

Cuet Alumnai Association

 কেন একটি উদ্যোগী, কর্মদক্ষ ও সকলের(প্রায়) কাছে গ্রহণযোগ্য Cuet Alumnai Association এর দরকার ?  অনেক তো দেখলাম ! অনেক তো করলাম! দেশের অধিকাংশ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সম্পাদনের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে পেশাজীবীদের যে অংশটি যুক্ত, তারা হচ্ছে প্রকৌশলীসমাজ, আবার এই প্রকৌশলীদের একটা বড় অংশ হচ্ছে Ex Cuetian বা Cuet থেকে পাশ করে বের হওয়া প্রকৌশলীবৃন্দ । অথচ আজকে অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল একজন Cuet এর প্রকৌশলী অসুস্থ হলে চিকিৎসার জন্য বন্ধুবান্ধব সহ অন্যদের কাছে হাত পাততে হচ্ছে, আর মৃত্যু হলে তো কথাই নেই। বাচ্চাকাচ্চা সহ পরিবারের পথে বসার উপক্রম হচ্ছে। বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হচ্ছে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া। হয়তো ব্যচমেট ও বন্ধুরা মিলে কিছুটা সহায়তার হাত বাড়াচ্ছে, কিন্তু এই এক-কালীন থোক-বরাদ্দ এসব পরিবারকে কতটাই বা সহায়তা করতে পারছে ?  এসব ক্ষেত্রে দরকার পেনশন স্কিমের মত দীর্ঘমেয়াদি মাসিক বন্দোবস্তের, অন্তত ছেলেমেয়ে'দের পড়াশুনা চালিয়ে যাবার মত মাসিক স্কিম~ নাম উল্লেখ এর প্রয়োজন নেই, কিন্তু আমরা অনেকেই এরূপ দু/একটা পরিবারের কথা জানি, যাদের ছেলেমেয়েদের শিক্ষাজীবন বন্ধ হওয়ার...

নাট্যমঞ্চ ও রাজনৈতিক মঞ্চ

 বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে~ নাট্যমঞ্চ ও রাজনৈতিক মঞ্চের মিল এবং অমিল:       উভয় মঞ্চেই অভিনয় শিল্পীগণ পারফর্ম করেন,  নাট্যমঞ্চের শিল্পীগণ পূর্বলিখিত স্ক্রিপ্ট অনুসারে পারফর্ম করলেও রাজনৈতিক মঞ্চের শিল্পীগণ মেধা এবং উপস্থিত বুদ্ধিকে কাজে লাগিয়ে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতা ও দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তাৎক্ষণিক স্বরোচিত স্ক্রিপ্ট অনুসারে পারফর্ম করেন।  এছাড়াও নাট্যমঞ্চের শিল্পীরা একজন পরিচালকের নির্দেশনা অনুযায়ী অভিনয় করতে বাধ্য হলেও, রাজনৈতিক মঞ্চের শিল্পীরা এক্ষেত্রে পূর্ণ স্বাধীনতা ভোগ করেন। নাট্যমঞ্চের দর্শক/শ্রোতা নিজেদের টাকায় টিকেট কেটে শিল্পীদের পারফরমেন্স দেখলেও, রাজনৈতিক মঞ্চের ক্ষেত্রে উল্টো দর্শক/শ্রোতাদের পিছনে টাকা খরচ করতে হয়। নাট্যমঞ্চের দর্শক/শ্রোতা-গণ শিল্পীদের পারফরম্যান্সকে অভিনয় দক্ষতার নিরিখে বিচার করলেও, রাজনৈতিক মঞ্চের দর্শক/শ্রোতা-গণ শিল্পীদের পারফরম্যান্সকে অভিনয় জেনেও, অভিনয় দক্ষতার নিরিখে বিচার করেন না; অনেকটা বাস্তবতার নিরিখে বিচার বিশ্লেষণ করেন~

২১শে ফেব্রুয়ারী'র সেকাল এবং একাল~

 ২১শে ফেব্রুয়ারী'র সেকাল এবং একাল~  আমার জীবনকালে ২১ শে ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ শহীদ ভাষা দিবস তথা অন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ক্রমবিবর্তনের ধারাবাহিক সংক্ষিপ্ত উপাখ্যান~ গত উনিশ শতকের সত্তুরের দশকের দিকে আমরা যখন স্কুলে পড়তাম, তখনকার ২১শে ফেব্রুয়ারি উৎযাপন~ গ্রামের অধিকাংশ স্কুলেই শহীদমিনার ছিল না, পাড়া মহল্লার কথা না হয় বাদই দিলাম।  সেসময় গ্রামের বাজারঘাট সহ স্কুল গুলোতে ২০শে ফেব্রুয়ারি দিন ও দিবাগত সারারাত সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় কলাগাছ বা বাঁশ বেতের মাধ্যমে রঙিন কাগজের মোড়কে যেমন শহীদ মিনার তৈরি করা হতো, তেমনই স্কুলের পূরমাঠ রশির সাথে রঙিন কাগজ  মুড়ে সাজানো হতো। অতঃপর শীতের সকালে, খালিপায়ে শিশির ভেজা রাস্তা ধরে, লাইনে দাড়িয়ে, ২১শের গান গাইতে গাইতে, শিমুলফুল হতে নিয়ে, শ্রদ্ধাভরে আগের দিনে নির্মিত শহীদ মিনারের বেদীতে  পুষ্পার্ঘ দেয়া হতো এবং শহীদদের সম্মানে নিরবতা পালন করা হতো । লাইনে দাঁড়ানোর পর থেকে হেঁটে হেঁটে শহীদ মিনার যাওয়া অব্দি আমরা কেউই হাসি ঠাট্টা করতে পারতাম না। মনে হতো কোন ধর্মীয় পবিত্র কাজের মধ্যে আছি, অনেকটা মসজিদের ভিতর অবস্থান করা...

প্রত্যক্ষদর্শীর_বর্ণনানুসারে_১৯৫২_সালের_২১_ও_২২শে_ফেব্রুয়ারির_দিনের_ঘটনাপ্রবাহ~

চারুশিল্পী মুর্তজা বশীর ও ভাষাসৈনিক আব্দুল মতিন যারা সেদিনের ঘটনা প্রত্যক্ষ করেছিলেন।  চারুশিল্পী মুর্তজা বশীর বর্ণনা মতে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারীর ঘটনা প্রবাহ~~ উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে সৃষ্টি হওয়া  আন্দোলন দমনে পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি ক'রে ঢাকা শহরে মিছিল, সমাবেশ বেআইনি ও নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলা ছাত্রসভায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দশজন দশজন করে স্লোগান দিতে দিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেট পেরিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মিছিল এগোতে থাকে অ্যাসেম্বলি ভবনের দিকে। শুরু হয় লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস। কিন্তু"হঠাৎ গুলি চলা শুরু হলো। গুলি চলার পর আমরা দেখলাম একটা জটলা এগিয়ে আসছে। পিঁপড়ে যেমন করে আসে, ওইরকম। তাড়াতাড়ি দৌড়ে গেলাম। দেখলাম একটি ছেলে - পেটের নিচ দিয়ে রক্ত পড়ছে- কল খুললে যেমন পানি পড়ে - ওভাবে। সে বলল, আমার বাড়িতে খবর দেবেন। আমার নাম আবুল বরকত।" মি. মুর্তজা বশীর হাসপাতালে পৌঁছে দেখেছিলেন আরও লাশ। "ওকে নিয়ে যখন আমরা মেডিকেল কলেজে গেলাম, সেখানে ওকে রাখার পর আরেকটা লাশ দেখলাম, যার...

বাংলার নামে বাংলিশ ভাষার প্রচলন রুখতে হবে, তবেই শহীদদের প্রতি সত্যিকারের শ্রদ্ধা জানানো হবে।

 যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে সূচিত হয়েছিল বাঙালি জাতির গৌরবের ইতিহাস ~ আসুন বাংলা-ভাষার অপব্যবহার রোধে তাদের নামে শপথ নেইব~  বাংলার নামে বাংলিশ (না বাংলা, না ইংলিশ) ভাষার প্রচলন রুখবই ~  আধুনিকতার আবরণে ~ বিশ্বের একমাত্র ভাষা বাংলা, যাকে সমুন্যত রাখতে সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করতে হয়েছিল কিছু সংখ্যক মানুষকে; সেই ভাষার নামে কোন শংকর ভাষা{বাংলিশ(না বাংলা+না ইংলিশ)}'র  আবির্ভাব কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। অন্যথায় উনাদের আত্মত্যাগ পুরোটাই বৃথায় পর্যবসিত হবে ~ উনারা যদি সেদিন বুঝতে পারতেন~ উনাদের ত্যাগের বিনিময়ে উর্দু রুখলেও বাংলা নয়, বরং বাংলার মাটিতে একদিন বাংলিশ ভাষার আবির্ভাব হবে, তাহলে কি উনারা ~?~ বর্তমানে বিভিন্ন এফএম রেডিও, ইলেকট্রনিক মিডিয়া সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদিতে বাংলার নামে যেভাবে ইংরেজি ও বাংলা মিলিয়ে নতুন এক ভাষার প্রচলন ঘটানো হচ্ছে, সেটি কি শহীদদের প্রতি অবমাননার শামিল নয় ? উনাদের আত্মত্যাগের প্রতিদান হিসেবে কি আমরা প্রতিবাদ-টুকুও করতে পারি না ?

প্রিয় চুয়েটের জন্য করণীয়

 চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, অতঃপর বিআইটি, অতঃপর চুয়েটে পড়াশুনা কালীন সময়ে মতাদর্শগত ভাবে আমরা যে যাই করেছি ? বেরহয়ে আসার পর কিন্তু আমাদের একটাই পরিচয়, তা হলো আমরা চুয়েটিয়ান ।  আমাদের মধ্যে এমন একজন, কেউ পাওয়া যাবে না ~ চুয়েটের সফলতা ও ব্যর্থতায় যিনি আনন্দ ও কষ্ট অনুভব না করেন ?  বেরহয়ে আসার পর আমাদের সকলের কাছে চুয়েটের সফলতা বলতে একটি জিনিসকেই বুঝায়~ তা হলো আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে না হোক,অন্তত দেশীয় পরিমণ্ডলে হলেও চুয়েটের অবস্থানকে সুসংহত দেখতে পাওয়া।  একটু অন্যভাবে বলা যেতে পারে~ পড়াশুনার পাশাপাশি পজিটিভলি আলোচনায় থাকা বা দৃষ্টিগোচরিভূত থাকা~ হতেপারে তা নানাবিধ, বিশেষকরে ব্যতিক্রম ধর্মী গবেষণা কার্যক্রমের দ্বারা, হতেপারে তা প্রিন্ট বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন কারিগরী বিষয়াদিতে গঠনমূলক আলোচনার দ্বারা,,,, এর বাইরেও প্রিয় Cuet কে কেন্দ্রকরে পরিস্থিতি সাপেক্ষে অনেক পদক্ষেপই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে ।  আমার মনে হয়, এক্ষেত্রে আমাদের সকলেরই ভূমিকা রাখা উচিৎ।  চুয়েটের জন্য ভালো হয়, এমন যেকোন বিষয়েই যে ক...

মোবাইলের আসক্তি বা নেশা বনাম বইয়ের নেশা বা বই পড়ার আসক্তি~

 বিজ্ঞানের বদৌলতে বলতে গেলে মোবাইল ফোন মানুষের যাপিত জীবনের অতিপ্রয়োজনীয় একটি অংশ হয়ে গেছে। অথচ মা-বাবা'র অসচেতনতা এবং বৈশ্বিক মহামারি করোনা এর কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান মাসের পর মাস ধরে বন্ধ থাকার কারণে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসাপড়ুয়া ছাত্রছাত্রীদের সেই মোবাইলে-ই সময় কাটানো আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে গেছে। আগে লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও বুদ্ধিবৃত্তিক কর্মকাণ্ডে ছাত্রছাত্রী, তরুণ-তরুণীদের মেধার বিকাশ ঘটত। এখন লাখ লাখ কম বয়সী ছেলেমেয়ের দিনের বেশিরভাগ সময় কাটে মোবাইলে গেইম খেলে। হাট-মাঠ-ঘাট, রাস্তার মোড়, গলিপথ এমনকি বাসা-বাড়িতেও দেখা যায় নতুন প্রজন্মের ছেেলেমেয়েদের মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকতে, গেম খেলতে। বর্তমানে প্রাথমিকের গন্ডি পার না হওয়া এক শ্রেণির শিশু থেকে শুরু করে উঠতি বয়সীদের হাতে হাতে  অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন দেখা যাচ্ছে। ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়ায় ইন্টারনেটভিত্তিক নানা গেমস নিয়ে মেতে থাকে কিশোরদের দল। ফোনে টাকা বাজি ধরে লুডু খেলে বলেও জানা গেছে।   এছাড়াও ফোনসেট এবং ইন্টারনেট হাতের মুঠোয় থাকায়, সহজেই পর্নো ভিডিওসহ অশ্লীল ও অনৈতিক ভিডিও দেখার সুযোগ অনায়াসেই পে...

মনের অজান্তেই আমরা গালি দেই কেন ?

 মনের অজান্তেই আমরা গালি দেই কেন ?  ঝগড়ার সময় একে অপরকে আমরা যে গালিগালাজ করি এটা সেরকম কিছু নয়।  ধরুন, পথ চলতে গিয়ে হঠাৎ বেখেয়ালে আপনি একটা তীব্র হোঁচট খেলেন। তখন কী হয়? তীব্র যন্ত্রণাবোধের সাথে সাথেই মুখ থেকেও বেরিয়ে আসে একটা গালি(তোর মায়েরে বাপ~~জাতীয়) অথবা কাপ থেকে হঠাৎ পড়ে গেল কফি বা চা, বারোটা বেজে গেল আপনার জামাকাপড় বা মেঝের এবং সাথে সাথেই - আমাদের মুখ থেকে বেরিয়ে এলো (যাহ শালা~)  অথবা আপনি হয়তো ড্রাইভ করছেন, হটাৎ আরেকটি গাড়ি বিপজ্জনক ভাবে রং সাইড দিয়ে আপনাকে ওভারটেক করলো, সাথে সাথেই আপনার মুখ দিয়ে বেরিয়ে এলো~ ~ এজাতীয় পরিস্থিতিতে মানুষ নিজের অজান্তেই গালি দেয়; কিন্তু কেন ? কারণ গালিটা মুখদিয়ে বের হওয়ার সাথে সাথেই প্রায় যাদুমন্ত্রের মতই - আমরা তাৎক্ষণিক একটা আরাম বোধ করি। তবে সবার ক্ষেত্রেই - এক রকম হবে, তা কিন্তু নয়। কেউ বেশি গালাগালি করে, কেউ বা কম। আবার অতিমাত্রায় খুশি হলেও মানুষ গালি দেয়, এমন লোকও আছে। কিন্তু একথা সত্যি যে, এহেন পরিস্থিতিতে সব ভাষায়, সব সংস্কৃতিতেই মানুষ গালি দেয়~ গালির সংজ্ঞা কী? "গালি জিনিসটা আসলে ঠিক কি, তা নি...

সময় গেলে সাধন হয় না ~ সময় আসলে কি ?

 ~ "সময়" ~  সময় একটি ভৌত (Physical) রাশি, যা পরিমাপযোগ্য। অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যতের মধ্যে পার্থক্যকারীকে সময় বলা হয়। অন্যভাবে বলাযায়; সময় সবসময় চলমান একটি মাত্রা যা অতীত থেকে বর্তমান এবং ভবিষ্যতের দিকে ক্রমে ধাবিত হচ্ছে ।  যেহেতু সময় সবসময় চলমান সেহেতু বলাযায় যে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের কোন কিছুই স্থির নয়। আপাত দৃষ্টিতে আমরা একটা বস্তুকে স্থির (যেমন বাড়িঘর) দেখলেও সময় কিন্তু তাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে প্রতিমুহূর্তে;,,, সেক্ষেত্রে চলমান সময়ের রেসপেক্ট উক্ত বস্তুটিও কিন্তু চলমান। অনেকটা চলমান ট্রেনের জানালা দিয়ে তাকিয়ে থাকলে বাড়িঘর/গাছপালা কে যেমন মনেহয় উল্টো দিকে যাচ্ছে~ঠিক তেমনই ট্রেনের জায়গায় সময়কে কল্পনা করলে বিষয়টি বুঝতে সহজ হবে। বিজ্ঞানী ও গবেষকেরা প্রতিনিয়ত সময় ও সময়ের অস্তিত্বকে গভীরভাবে জানার চেষ্টা করে আসছেন। বিজ্ঞানী নিউটন সময়কে একটি ধ্রুব (অপরিবর্তনীয়/নির্দিষ্ট/Constant) মান বলে উল্লেখ করেন এবং উনার মতে সময়ের পরিবর্তনের হার সব-জায়গায় সব-সময় সমান। এ মতবাদ অনুসারে মহাবিশ্বের যেকোন দুই জায়গায় অবস্থান করা দুটি আলাদা প্রাণীর কাছে সময়ের অভিজ্ঞতা একই রকম।...

নাটুয়ারপাড়া তথা বাংলার এক চরাঞ্চলের কাহিনী সংক্ষেপ

 #চর  #নাটুয়ারপাড়াকে আমরা শখের বসে "চর" বলে থাকি, তাছাড়া এখানে যাতায়াতে যমুনা নদীর একটি অংশ পারাপার হতেই হয়; সেকারনেও অনেকেই একে চর বলে থাকে।  বাংলাদেশ সৃষ্টিরও অনেক আগে থেকেই এই জনপদ শিক্ষা-দীক্ষা, শিল্প-সাহিত্য, সাম্প্রদায়িক-সম্প্রীতি আচার-অনুষ্ঠান ও বিনোদনের ক্ষেত্রে কাজিপুর তথা সিরাজগঞ্জে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে~ কাজিপুরের ৬ টি এবং সিরাজগঞ্জের ৩ টি মিলিয়ে মোট ৯ টি ইউনিয়নের সমন্বয়ে গঠিত এই  বৃহত্তর জনপদ, যার নেতৃত্ব দিয়ে আসছে নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়ন। শতাধিক (১০৮) প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, একটি কম্পিউটার ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এবং ২টি ডিগ্রি কলেজ ও অসংখ্য নন-এমপিও-ভুক্ত প্রাইভেট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর সমন্বয়ে এই চরাঞ্চলের শিক্ষাব্যবস্থা বিস্তৃত। স্বাধীনতার পর থেকেই এই অঞ্চলের সাক্ষরতার হার পুরো উত্তরবঙ্গে ঈর্ষণীয় পর্যায়ে বিদ্যমান। মুক্তিযুদ্ধেও এই চরাঞ্চলের রয়েছে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা।  তাছাড়া নাটক, যাত্রা, সার্কাস, পুতুলনাচ ও খেলাধুলাসহ রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এই জনপদ সবসময়ই নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে, যদিও সারাদেশের মতোই মূলধারার ব...

সুখ তুমি কি ?

সুখ_তুমি_কি? বড়_জানতে_ইচ্ছে_করে_আমার_জানতে_ইচ্ছে_করে~ রুনা লায়লার বিখ্যাত গানের ধারাবাহিকতায় #কেনই_বা_ফিনল্যান্ডের_মানুষ_পৃথিবীর_সবথেকে_সুখী_মানুষ? আসুন জেনে নেই~ গত ৪ বছর হলো জাতিসংঘের "সাসটেইনেবল সল্যুউশন নেটওয়ার্ক" বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ হিসেবে "ফিনল্যান্ডে'র নাম ঘোষণা করছে।  প্রতিবেশি তিন দেশ নরওয়ে, ডেনমার্ক এবং আইসল্যান্ড যথাক্রমে ফিনল্যান্ডের পরে ২য়, ৩য় ও ৪র্থ  স্থানে অবস্থান করছে। পক্ষান্তরে আমেরিকানদের অবস্থান ১৪ তম, ব্রিটিশদের অবস্থান ১৯ তম, জাপানিজদের অবস্থান অনেক নীচে,  কিন্তু কেন ? সুখ কি তাহলে অর্থের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয় ? সুখ একটি মানবিক অনুভূতি যা ভালোবাসা, তৃপ্তি, আনন্দ বা উচ্ছ্বাস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।  সুখের সাথে সামগ্রিক নিরাপত্তা, ভবিষ্যত নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকা, মানুষে মানুষে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ থাকা বিশেষ করে পারিবারিক বন্ধনে অটুট থাকা এবং স্বাধীনতা ইত্যাদি বিষয়  সম্পৃক্ত~ ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, ডেনমার্ক ~ এসব দেশের পুলিশ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য-সেবা ব্যবস্থার ওপর আস্থা আছে ৮০ শতাংশের বেশি মানুষের। উন্নত কর ব্যবস্থা ও সম্পদের পুনর্বন্টন...

ঠাকুর_বাবার_ঝুলী

গল্পঃ উপমহাদেশীয় আশরাফুল মাখলুকাত হতে শকুনে'র বাচ্চার শিক্ষা লাভ~ এক শকুনের বাচ্চা, একদিন তার বাবার কাছে বায়না ধরল~ বাবা আমি মানুষের মাংস খাব, এনে দাও না প্লিজ। বাবা শকুন বলল ঠিক আছে আজ সন্ধ্যায় এনে দিব। বিকেলে বাবা শকুন উড়ে গেল আর আসার সময়  ছেলের জন্য শূকরের মাংস নিয়ে এলো, বাচ্চা শকুন খেতে গিয়ে বললো এটাতো শূকরের মাংস বাবা, আমি তো মানুষের মাংস খেতে চেয়েছিলাম? বাবা শকুন ধরাখেয়ে একটু লজ্জা পেল এবং বলল ঠিক আছে বাবা~আজকে মানুষের মাংস এনে দিব, কিন্তু মানুষের মাংস পাওয়া সহজ কিছু নায়, সারাদিন ওড়াউড়ি করার পরও মানুষের মাংস না পেয়ে ঘরে ফেরার সময় একটা মরা গরুর মাংস নিয়ে এলো। যথারীতি বাচ্চা শকুন  মাংস মুখে দিয়ে বললো~ আরে তুমিতো গরুর মাংস এনেছ, মানুষের মাংস কোথায় ? তখন বাবা বুঝতে পড়লো বাচ্চাকে রাম বুঝ দিয়ে লাভ নাই, মানুষের মাংসই খাওয়াতে হবে।  বাবা শকুনের  মাথায় একটা বুদ্ধি এলো, প্রথমে সে গরুর মাংস এর টুকরা মুখে নিয়ে সেখান থেকে উড়ে গিয়ে ফেলল হিন্দুদের মন্দিরের সামনে, আবার শূকরের মাংস এর টুকরোটা নিয়ে একটা মসজিদের সামনে ফেলে দিয়ে চলে এলো।  কিছুক্ষণের ...

সময়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে ইসলামের ধরন-ধারণ, প্রচার-প্রচারণা ও প্রয়োগিক পদ্ধতিতে কোন পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে কি না ?

 সময়ের সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে তালমিলিয়ে ইসলামের ধরন/ধারণ, প্রচার/প্রচারণা ও পদ্ধতিগত পরিবর্তন হতে পারে বলে আমার অনেক শিক্ষিত বন্ধুরা মনে করে থাকেন, এবিষয়ে আমার জানা ইসলামের আলোকে একান্ত বেক্তিগত মতামত~           আপনি বা আপনারা যদি ইসলামকে সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহ প্রদত্ত ধর্ম বলে বিশ্বাস করে থাকেন ; তাহলে আপনাদের এই ধারণা আল্লাহকে বা সৃষ্টিকর্তাকে ছোট বা খাটো করার নামান্তর। কারণ আল্লাহ এমন একটি সত্তা, যিনি বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির শুরু থেকে কেয়ামত বা ধ্বংস হওয়া পর্যন্ত যা যা ঘটবে, বিজ্ঞানের উন্নতির কারণে যেসব প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আসবে, সে-সব কিছুই তিনি অবগত ছিলেন এবং আছেন। কাজেই সময়ের সাথে বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে যদি ইসলামের ধরন/ধারণ, প্রচার/প্রচারণা ও পদ্ধতিতে পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে বলে সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহ মনে করতেন, তাহলে উনি উনার বার্তাবাহক অর্থাৎ রাসূল মুহম্মদ সা: মারফত তা জানিয়ে দিতেন। উনি ভবিষ্যতের যেসব বিষয়ে মানুষকে অবহিত করার প্রয়োজন মনে করেছেন, মুহম্মদ সা: এর মাধ্যমে তা জানিয়ে দি...

"খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে, বিরাট শিশু আনমনে। প্রলয় সৃষ্টি তব পুতুল খেলা, নিরজনে প্রভু নিরোজনে।

বলা হয় ' মানুষ ' হচ্ছে সৃষ্টির সেরা জীব ।  আধুনিক বিজ্ঞান এবং বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ মারফত প্রকাশিত সৃষ্টিকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে এখন পর্যন্ত ' মানুষই ' হচ্ছে একমাত্র বিবেক ও বুদ্ধি সম্পন্ন প্রাণী।  প্রতিটি মানুষই কমবেশি বিবেকবান অর্থাৎ ভালো-মন্দ বিচার-বিশ্লেষণ করে  সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমবেশি প্রতিটি মানুষেরই আছে। এরপরও সৃষ্টিকুলের মধ্যে মানুষের মধ্যেই সবচাইতে বেশি শ্রেণী-বিভেদ বিদ্যমান, যা বিবেক বুদ্ধি বিবর্জিত সৃষ্টিকুলের অন্যান্য প্রাণীদের মধ্যে ততটা প্রকট ভাবে পরিলক্ষিত হয় না। অথচ সৃষ্টিকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী মানুষকে এই দুইটা জিনিস এক্সট্রা দেওয়া হয়েছে শুধুমাত্র শ্রেণীবিভাগ বা শ্রেণী-বিভেদ কমানোর জন্য।  গতকাল ঢাকাতে বৃষ্টি হচ্ছিল। আমি, মইদুল হাসান সুজন এবং স্বাক্ষর (সুজনের ভাগ্নে) প্রাইভেট-কার যোগে বৃষ্টির ভিতরেই একটা জায়গায় যাচ্ছিলাম। গাড়ির ভিতরে আরামদায়ক উষ্ণ পরিবেশে থেকেও সুজন বোলছিলো যে, আজকের দিনটা বাসায় কম্বল মুড়ি দিয়ে শুয়ে থাকাটা অধিক আরামদায়ক হতো। কথাটা মিথ্যা নয়, এইটুকু বৃষ্টি-বিলাস বা ঠান্ডা-বিলাস উৎযাপন করার মতো সামর্থ্য সৃ...

দেশ_বিরোধী_চক্রান্ত_নয়তো_এটি ?

 #দেশ_বিরোধী_চক্রান্ত_নয়তো_এটি ? গত বছরের~  ** ৮ নভেম্বর ২০২১;  জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‍্যাব) নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়ে বাংলাদেশে কর্মরত  ১২টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারিকে একটি চিঠি পাঠান ~ ** ১০ ডিসেম্বর ২০২১;  যুক্তরাষ্ট্রের "ট্রেজারী বিভাগ" RAB এর ৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ~ ** ১৭ ডিসেম্বর ২০২১;  উল্টো  সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে সফল ভূমিকা রাখার জন্য RAB এর প্রশংসা করে যুক্তরাষ্ট্রের "স্টেট ডিপার্টমেন্ট"  ২০২০ সালের ‘কান্ট্রি রিপোর্টস অন টেররিজম’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে ~  RAB বাংলাদেশের একটি অতি ক্ষুদ্র বিশেষায়িত সংস্থা বা বাহিনী, সময়ের প্রয়োজনেই  বাংলাদেশ সরকার এই বাহিনী তৈরি করেছিল~ বাংলাদেশের কোন সচেতন মানুষই অস্বীকার করতে পারবে না ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড এবং সারাদেশে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে RAB এর সফলতা কথা।  আবার গুম, খুন এবং এনকাউন্টার ইত্যাদি বিষয় নিয়ে RAB বিপক্ষে অনেকেরই অভিযোগ আছে~ আমি সেসবের প...

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ যেভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল বিশ্বময়: (আমাদের মুক্তিযুদ্ধে পরাশক্তিদের অংশগ্রহণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস)

 *** বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ যেভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল বিশ্বময়: (আমাদের মুক্তিযুদ্ধে পরাশক্তিদের অংশগ্রহণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস) ** অন্যভাবে বলাযায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যেভাবে জড়িয়ে পড়েছিল পরাশক্তিগুলি এবং তৈরী হয়েছিল তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের ক্ষেত্র~  * মূলতঃ ইন্দিরা গান্ধীর কূটনৈতিক দক্ষতা ও ইন্ডিয়ার প্রতি সোভিয়েত ইউনিয়নের অকৃত্রিম বন্ধুত্ব-পরায়ণতা ও সহযোগিতা, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পথ ও সময়কে সংকুচিত করে মাত্র ৯ মাসে বাংলাদেশকে স্বাধীন করতে সহায়তা করেছিল ।  পাকিস্তানের অখণ্ডতা রক্ষার চাইতেও আমেরিকার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল বিশ্বময় নিজেদের সক্ষমতার ভিত্তি মজবুত করতে অন্তত একটি প্রক্সি যুদ্ধে জয়লাভ, কারণ ২য় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে কোরিয়া ও ভিয়েতনাম সহ সবগুলো প্রক্সিযুদ্ধে তাদের পরাজয় হয়েছিল । পাকিস্তান ভিত্তিক এই প্রক্সি যুদ্ধে আমেরিকার তুরুপের তাস ছিল চায়না, যে চায়না ভিয়েতনাম যুদ্ধে সোভিয়েত বাহিনীর সাথে একাত্ম হয়ে আমেরিকার বিপক্ষে যুদ্ধ করেছে, সেই চয়নাই ভারত বিরোধিতার কারণে তখন আমেরিকা ও পাকিস্তানের বন্ধু ও সহযোদ্ধা হয়ে খেলার মাঠে সক্রিয়।  এহ...

আওয়ামী_সরকার_ঘোষিত_বাংলাদেশে_বর্তমান_বাজেড_নিয়ে_বিরোধীদের_প্রতিক্রিয়ার_জবাব

 #আওয়ামী_সরকার_ঘোষিত_বাংলাদেশে_বর্তমান_বাজেড_নিয়ে_বিরোধীদের_প্রতিক্রিয়ার_জবাব~ যারা ৬ লক্ষ কোটি টাকার বাজেটের কথা শুনে উল্টাপাল্টা বকছেন অথবা তোতাপাখির মত শিখিয়ে দেয়া বুলি আওরাচ্ছেন ~ মিস্টার "পার্ক চুং হি" ও শেখ হাসিনা ওয়াজেদের একটা গল্পঃ শুনাই ~: মিস্টার "পার্ক চুং হি" 1963 সালে কোরিয়া যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে দক্ষিণ কোরিয়ার ক্ষমতায় আসেন, তিনি অনেকটা স্বৈরশাসক ছিলেন। তিনি সিদ্ধান্ত নেন কোরিয়ার রাজধানী সিউলকে দেশের সব উল্লেখযোগ্য শহরের সাথে যুক্ত করবেন। সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করেন এবং "গিয়ংবু এক্সপ্রেস ওয়ে"  নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেন। প্রথমেই তিনি যুক্ত করতে চান দেশের প্রধান দুই শহর সিউল ও বুসানকে  । তখনকার সময় অত্যন্ত গরীব একটা দেশের এমন বিলাসবহুল প্রকল্পের বিরোধিতা করেছিলেন সে দেশের অধিকাংশ অর্থনীতিবীদ রাজনীতিবিদ এমনকি সাধারণ মানুষও। বিশ্বব্যাংক-সহ বিভিন্ন দেশের কাছে হাত পেতেছিলেন, ও সাহায্যও চেয়েছিলেন, কিন্তু প্রত্যেকেই উনাকে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। গরীবের ঘোড়া~রোগ ধরেছে বলে অনেকে টিপ্পনী কেটেছিলেন। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো চিন্তাও করতে পারেনি দক্ষিণ...

"মাসুদ রানা" বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স" এর দুর্ধর্ষ স্পাই,

 🌐_"মাসুদ_✈️_রানা"_🦞  সেনাবাহিনীর প্রাক্তন মেজর, এবং "বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স"(কাল্পনিক সংস্থা) এর দুর্ধর্ষ স্পাই, যার সাংকেতিক নাম MR-9।  এছাড়াও "রানা এজেন্সি" নামক একটি গোয়েন্দা সংস্থার ব্যানারে যিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের হয়ে গোয়েন্দা তৎপরতা ও জটিল/জটিল মিশন পরিচালনা করে থাকেন ~ এপার/ওপার দুই বাংলায়ই এমন একটি অতি জনপ্রিয় চরিত্রের স্রষ্টা জনাব "কাজী আনোয়ার হোসেন" গত ১৯শে জানুয়ারী ২০২২; ৮৫ বছর বয়সে না ফেরার দেশে চলে গেছেন।  #শ্রদ্ধাবনত_চিত্তে উনার অমর সৃষ্টি "মাসুদ রানা" সম্পর্কে কিছু তথ্য উপাত্ত জানাচ্ছি ~ * আমাদের ছাত্রবেলায় "মাসুদ_রানা_সিরিজ" এর বই পড়েনি এমন ছাত্র পাওয়া বেজয় দুষ্কর। এই সিরিজের বইয়ের সংখ্যা মোট ৪৬৮ টি।  * কাজী সাহেব বইটি অতি স্বল্প মূল্যে পাঠকের হাতে পৌঁছে দিয়েছিলেন, এমনকি সেবা প্রকাশনী ও বিভিন্ন বইয়ের দোকানে 15/20 টাকায় মেম্বার হয়ে মাত্র ২/= টাকায় প্রতিটি বই ভাড়া নিয়েও পড়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন উনি~ * সে সময় ভারত থেকে বিভিন্ন লেখকের এর বই স্মাগলিং হয়ে বাংলাদেশের আস...

বাংলাদেশ; তুমি কি এই আত্মত্যাগের প্রতিদান দিতে পেরেছো বা দিতে পারছো ?

 #বাংলাদেশ; তুমি কি এই আত্মত্যাগের প্রতিদান দিতে পেরেছো বা দিতে পারছো ? ১৯৬৯ সালের ২৪ শে জানুয়ারি গণ আন্দোলনের মিছিলে পাকিস্তানী পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ১০ম শ্রেণীতে পড়ুয়া শহীদ মতিউর রহমান মল্লিক, সেদিন ছিল তার ১৬ তম জন্মদিন(২৪শেজানুয়ারি,১৯৫৩)। ১৯৬৯ সালের ২০শে জানুয়ারি কারফিউ ভেঙ্গে মিছিল করার সময় কিশোর মতিউর  খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন পাক পুলিশের গুলিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী আসাদের শহীদ হওয়ার দৃশ্য~ এরপর রাগ/ক্ষোভ/জেদের বশবর্তী হয়ে অংশ নিতে থাকেন প্রতিটি মিছিলে~ অতঃপর ২৪ শে জানুয়ারি মিছিলকে লক্ষকরে পুলিশের চালানো গুলিতে~ ~ ~ আমার ছেলে "অকিক-বিন-আজিজ"(শতুদ্র) বর্তমানে দশম শ্রেণীর ছাত্র, ভাবতে অবাক লাগে এই বয়সের একটি ছেলের দেশাত্মবোধ ও জাতীয়তাবোধ দেখে~ অথচ উনাদের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া এই দেশে বাসকরে আমরা ঘুষ/দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছি, বাঁশ দিয়ে যাচ্ছি উনাদের জীবনের বিনিময়ে পাওয়া বাংলাদেশকে~ কতটুকু নিমকহারাম ও বেজন্মা হলে এদেশেরই কিছুস্বার্থান্বেষী লোক দেশের জন্য জীবন বিলিয়ে দেয়া এই বাচ্চা ছেলেকেও জামাত/শিবিরের কর্মী হিসেবে...

বাংলায়_১ম_গজল_রচয়িতা_কাজী_নজরুল_ইসলাম এবং ~গজল_রচনার_পিছনের_কিছু_গল্প~

 #বাংলায়_১ম_গজল_রচয়িতা_কাজী_নজরুল_ইসলাম এবং ~#গজল_রচনার_পিছনের_কিছু_গল্প~ বাংলায় প্রথম গজল রচনা করেন কাজী নজরুল ইসলাম। ভারতে গজল আনার কৃতিত্ব যদি "আমির খসরু"র হয়, তো বাংলায় সে দাবিদার নজরুল ইসলাম। আর সেজন্য অনেকে তাকে বাংলার ভগীরথ-ও বলে থাকেন। কারণ তিনিই প্রথম গজল-গানের কথা ও সুর-কল্লোলে বাংলাকে ভাসিয়েছিলেন।  ভারতীয় উপমহাদেশে গজল বলতে আমরা বুঝি ফার্সি ও উর্দু ভাষার সংমিশ্রণে প্রণয়গীতি বা ভালোবাসার গান। আর এ বিষয়ে জনপ্রিয়তার শীর্ষে যিনি, তিনি হলেন মির্জা গালিব। আর বাংলার গালিব হলো নজরুল ইসলাম। গজল রচনা করতে গেলে উর্দু ও ফার্সি ভাষা জানাটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ছোটবেলায় কাকা 'বজলে করিমে'র কাছে উর্দু ভাষায় পাঠ নিয়েছিলেন তিনি,  হয়তো সেই ভাষা চেনার ক্ষমতাই তাকে গজল  রচনায় উদ্বুদ্ধ করেছিল। ১ম বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়ার উদ্যেশ্যে সৈন্যদলে নাম লেখালেন কাজী সাহেব, চলে গেলেন করাচি, সেখানে এক পাঞ্জাবি মৌলভীর কাছে ফার্সি শিখতে যেতেন তিনি গজলের প্রতি ভালোবাসার টানে। নজরুল ছিলেন রোমান্টিক কবি । বাংলা ছাড়াও কবির স্বপ্নের দেশ ছিল ইরান। একারণেই বাংলার মতোই ইরান-তুরানকেও কবি ত...

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কি প্রকৌশলীদের প্রতিপক্ষ ভাবছে?

 প্রশাসন ক্যাডার কি প্রকৌশলীদের প্রতিপক্ষ ভাবছে ?      না-কি এর পিছনে অন্তর্নিহিত কোন কারণ বা উদ্যেশ্য আছে ? একজন নন-টেকনিক্যাল মানুষ কিভাবে টেকনিক্যাল কাজ বা প্রজেক্টের মূল্যয়ন করবে ? একজন নন-টেকনিক্যাল মানুষ, যিনি পড়াশুনা করেছেন সাহিত্য/কলা/ বিজ্ঞান অনুষধের ক্ষেত্র-ভিত্তিক বিষয় বা সাবজেক্ট নিয়ে,  তিনি যেমন ডক্টরদের কর্মকাণ্ড (রগীদেখা, টেস্ট এর কোয়ালিটি বা প্রয়োজনীয়তা, অপারেশন ইত্যাদি) এর গুণগত মানের মূল্যায়ন করতে পারেন না, তেমনই ইঞ্জিনিয়ার দের কর্মকাণ্ড   (সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল, মেকানিকাল, ইনফরমেশন টেকনোলজি ইত্যাদি) এর গুণগত মানেরও মূল্যায়ন করতে পারেন না। এরপরও একের পর এক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট বা প্রজেক্ট এর মাথার উপর যেমন প্রশাসন ক্যাডার এর নন-টেকনিক্যাল কর্মকর্তাদের বসানো হচ্ছে, তেমনই নন-টেকনিক্যাল সহকারী জেলা প্রশাসকদের দ্বারা জেলাগুলোর আওতাধীন ইঞ্জিনিয়ারিং কাজ সমূহের মনিটরিং সহ মূল্যায়নের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।  নিকট অতীতে জননেত্রীর অগ্রাধিকার দেওয়া গৃহহীনদের জন্য "গৃহায়ন প্রকল্প" এর কাজে প্রশাসন ক্যাডারের   নন-টেকনি...