Skip to main content

Posts

পাকিস্তানও কি শ্রীলঙ্কার পথে হাঁটছে ??

 শেষমেষ পাকিস্তানও কি  শ্রীলঙ্কার পথে হাঁটছে ?? অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়াতেই করোনা এবং যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে সবথেকে বেশি। শ্রীলংকার পর নেপাল ও পাকিস্তান প্রায় একই পথে হাঁটছে~ তবে পাকিস্তান নেপালের চাইতেও দ্রুতগতিতে দিন-কে-দিন অবনতির দিকেই যাচ্ছে~ অবশ্য আমি ব্যাক্তিগত ভাবে এই দেশগুলির এহেন অবস্থার জন্য করোনা ও যুদ্ধের চাইতে দুর্নীতিবাজ শাসক এবং দুর্নীতি পরায়ন রাজনৈতিক দলগুলোকেই বেশি দায়ী মনে করি। যাই হোক; কে দায়ী বা কে দায়ী নয় ? এই বিষয়গুলোতে আলোচনায় না গিয়ে আজকে শুধু পাকিস্তানের বর্তমান অবস্থা তুলে ধরার চেষ্টা করব~                 বর্তমানে পাকিস্তানের রিজার্ভে যে বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চিত আছে, তা দিয়ে আগামী এক দেড় মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। কাজেই দেশটি হন্যে হয়ে ঋণদাতাদের পিছনে ছুটছে, তবে অতীতে ঋণ পরিশোধে দেশটির রেকর্ড খুব একটা ভালো নয় বলে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলো থেকে ঋণ পাওয়াটা পাকিস্তানের জন্য একটু কঠিনই হবে বলে বোদ্ধারা মনে করেন। এখন শ্রীলংকার সাথে তাল মিলিয়ে পাকিস্তানের অর্থনীতির কয়েকটি বিষয় আলোকপাত ক...
Recent posts

ন্যাটো ও রাশিয়া সমর্থিত দেশগুলির অর্থনৈতিক যুদ্ধের খবরাখবর

 রাশিয়া~ইউক্রেন যুদ্ধ নয়; বরং  ন্যাটো ও রাশিয়া সমর্থিত দেশগুলির অর্থনৈতিক যুদ্ধের খবরাখবর~ যেখানে কোয়ান্টিটি নয়; বরং কোয়ালিটি অর্থনৈতিক যুদ্ধের ফলাফলের নিয়ামক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে । আমরা জানি, আমেরিকা ও  ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার উপর ইতিহাসের ভয়াবহতম অর্থনৈতিক অবরোধ জারি করেছে, উদ্যেশ্য রাশিয়াকে অর্থনৈতিক ভাবে পঙ্গু করে দেয়া, নতজানু রাষ্ট্রে পরিণত করা।   যুদ্ধ তো দূরের কথা, জীবিকা নির্বাহের জন্যও যেন পরগাছার মত অন্য রাষ্ট্রের দিকে তাকিয়ে থাকতে হয় রাশিয়াকে, মূলতঃ এই উদ্যেশ্যে-ই  উস্কানি দিয়ে রাশিয়া ও ইউক্রেনকে এই যুদ্ধে জড়ানো হয়েছে এবং পরবর্তীতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে রাশিয়ার উপর চাপানো হয়েছে এই অর্থনৈতিক অবরোধ। প্রথমদিকে রাশিয়ার অর্থনীতির নিম্নগতি'র কারণে পশ্চিমা বিশ্ব উৎফুল্ল হলেও, পুতিনের পাল্টা কিছু পদক্ষেপের কারণে বিষয়টি "হিতে বিপরীত হওয়ার উপক্রম হয়েছে", বিশেষ করে ইউরোপকে রুবলের বিনিময়ে তেল/গ্যাস ক্রয়ের পুতিনের আল্টিমেটাম~ বিষয়টিকে বুমেরাং হিসেবে ইউরোপ-আমেরিকার দিকেই ফিরিয়ে দিয়েছে ।  অস্বীকার করার উপায় নেই যে, চীন ও ভারত স...

ইসলামে খুন হত্যা সন্ত্রাসবাদের কোন সুযোগ আছে কি ?

 জানতে ইচ্ছে করে~ উপলক্ষ্য; ড: মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপর হামলা। ক্ষুদ্র জ্ঞানে ইসলাম সম্পর্কে যতটুকু জানি তা হলো~ জনাব মুহাম্মদ সা: এর জীবনাচরণ-ই হলো ইসলাম। উনি যা করে দেখিয়েছেন, যা বলে গেছেন, তার নামই ইসলাম। পবিত্র কুরআন হচ্ছে ইসলামের সর্বোচ্চ পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ, এরপর হাদিসের গ্রন্থ সমূহের অবস্থান। পবিত্র কোরআন এর অনেক কিছুই সাধারণ মানুষের জন্য বুঝতে পারাটা বেশ কঠিন বিধায়; বড় বড় ইসলামী দার্শনিক-গণ মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিতে বলেছেন।  উনাদের মতে পবিত্র কোরআন যদি থিওরি হয়, তাহলে মহানবী মুহাম্মদ সা: এর পুরো জীবনটাই হচ্ছে তার ব্যবহারিক প্রয়োগ।  অর্থাৎ পবিত্র কোরআন সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত্ব মতবাদ; আর মুহম্মদ সা: হচ্ছেন সৃষ্টিকর্তার পাঠানো মডেল, যাকে তিনি পুরোটা জীবন পবিত্র কোরআন অনুযায়ী জীবনযাপন করিয়েছেন শুধুমাত্র মানব-জাতিকে শিক্ষা দেয়ার উদ্যেশ্যে ~ বলাহয়, মানব জাতির জন্য এমন কোন বিপদ/আপদ, বালা/মসিবত এবং সমস্যা আসবে না; যার সম্মুখীন মুহম্মদ স:-কে করা হয়নি~ অর্থাৎ চাইলেই মানুষ তার জীবনের যেকোন সমস্যায় বা পরিস্থিতিতে মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে উক্...

নির্মমতা_যুগে_যুগে

:খোজাঃ পুরুষদের অসহায় হাহাকারের ইতিহাস। "খোজা" হল জননাঙ্গ অপসারণকৃত নপুংসক পুরুষ। এদের শুধু শুক্রাশয় অথবা শুক্রাশয় এবং শিশ্ন/লিংগ উভয় অংশই কর্তন করে অপসারণ করা হয়। ইংরেজিতে যাদের বলে “ইউনাখ”। প্রাচীন মিশরীয় সাহিত্যেও খোজাদের নিয়ে বিভিন্ন কাহিনী রচিত হয়েছে, অর্থাৎ মানুষকে খোঁজা করণের ইতিহাস বহু পুরনো। খ্রিস্টপূর্ব ৮১১ থেকে ৮০৮ অব্দের মেসোপটেমিয়ায়  রাণীমাতা "সামুরামাত" নিজ হাতে তার এক ক্রীতদাসকে খোজা করেছিলেন বলে তথ্য পাওয়া যায়। প্রাচীন চীনের অভিজাত সমাজেও খজাদের বিশেষ বিশেষ ভূমিকা ছিল। চীনে শিশ্নচ্ছেদ বা লিংগচ্ছেদ ছিল একাধারে শাস্তি এবং খোঁজা করার অন্যতম পদ্ধতি। ষোড়শ সপ্তদশ শতকে চীনে সম্রাট কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত খোযাদের সংখ্যা ছিল প্রায় ৭০,০০০!! খ্রিষ্টান ধর্মীয় খোজা: একসময় খ্রিস্টানদের মধ্যে স্বর্গ কামনায় খোজাত্ব বরণ করার প্রথা ছিল। পাদ্রী বা নান গণ যেকারনে নারী বা পুরুষ সঙ্গ এড়িয়ে চলে, ঠিক সেই কারণেই খৃষ্টান পুরুষরা নারী সঙ্গ থেকে দূরে থাকতে একসময় সেচ্ছায় খোজাত্ব বরণ করতো। খ্রিষ্টান ধর্মে প্রার্থনা সংগীত গাওয়ার জন্য খোজদের কদর ছিল। ইউরোপে একসময় অনে...

BRICS বনাম NATO এর অর্থনৈতিক যুদ্ধ

 #আবারও_ইউক্রেন_রাশিয়া_প্রসঙ্গ: * আমেরিকা ও ইউরোপ কি পুতিনের নেতৃত্বে BRICS এর সদস্য রাষ্ট্র (Brazil, Russia, India, China & South Africa) সমূহে'র ফাঁদে পা দিয়েছে  :~ * না-কি রাশিয়াই আমেরিকা ও ইউরোপের ফাঁদে পা দিয়েছে ? ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর সমস্ত সমর-বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতির-বিশ্লেষকদের অভিমত ছিল যে, রাশিয়া ইউরোপ ও আমেরিকার পরিকল্পিত ফাঁদে পা দিয়েছে।  কিন্তু বর্তমানে নিম্নলিখিত কিছু পর্যবেক্ষণের কারণে বিশ্ব-বোদ্ধাগণ ভিন্নভাবে ভাবতে বাধ্য হচ্ছেন~ ১.  অবরোধ দেয়ার উদ্যেশ্য-ই হলো উক্ত দেশের অর্থনীতির পতন ঘটানো, আবার অর্থনীতির পতন নির্ভর করে উক্ত দেশের মুদ্রার মানের পতনের উপর। এবার আসুন দেখে নেই~  এত  অবরোধ আরোপের পরও রাশান অর্থনীতির কি অবস্থা ? রুবলের কি অবস্থা ?  অবরোধের প্রথম দিকে রাশান মুদ্রা রুবলের দরপতন ঘটলেও, বর্তমানে ডলারের বিপরীতে রুবলের মান ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে।  যুদ্ধের পূর্বে ১ ডলারের মান ৮৭ রুবল ছিল, অবরোধের পর তা দাড়ায় ১৩৯ রুবল, কিন্তু যুদ্ধের প্রায় ২ মাসের মাথায় আজকে ১ ডলার এর মান ৭৪ রুবল, অর্থাৎ রুবল  যুদ্ধ-পূর্বব...

শিশু ধর্ষণ প্রতিরোধে আমরা কি "পেরু" নামক দেশ'টিকে অনুসরণ করতে পারি না ?

 * আমরা কি "পেরু" নামক দেশ'টিকে অনুসরণ করতে পারি না ? * আমরা কি শিশু ও কিশোর ধর্ষণ-কারী-দের  পুরুষত্বহীন বা নপুংসক করে দেয়ার শাস্তির বিধান রেখে আইন পাশ করার উদ্যোগ নিতে পারি না; যেমনটি করতে যাচ্ছে পেরু সরকার ? সম্প্রতি পেরুতে ৪৮ বৎসর বয়স্ক এক কুলাঙ্গার কর্তৃক ৩ বছর বয়সী এক শিশু ধর্ষিত হয়ে মৃত্যুপথযাত্রী হওয়ায়; পেরু সরকার এমন একটি আইন পাশ করার উদ্যোগ নিয়েছে, যেখানে শিশু ধর্ষণ কারীকে প্রচলিত আইনের আওতায় কারাভোগের পর, মুক্তি পাওয়ার সময় অপরাধীকে "খোঁজা" বা পুরুষত্বহীন বা নপুংসক করে দেয়া যাবে, যাতে মুক্ত হয়ে পরবর্তীতে আর এহেন কাজটি করতে না পারে উক্ত কুলাঙ্গার পুরুষটি~ খবর: ২১শে এপ্রিল, ২০২২ এ প্রকাশিত প্রথম আলো। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশের শিশু ও কিশোর/কিশোরী ধর্ষনের হার শঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। নারী ধর্ষনের বিষয়টি এক্ষেত্রে বিবেচনায় নিলে তা আশঙ্কাজনক তো বটেই। #২৭শে_জানুয়ারী_২০২০ সালে প্রকাশিত প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী একটি পরিসংখ্যান নিম্নে দেয়াহলো~ #বাংলাদেশ_পুলিশ এর দেয়া তথ্যমতে:~ * গত বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে নারী ধর্ষনের মামলা হয়  ...

ইসলাম এবং জঙ্গিবাদ

জানতে ইচ্ছে করে~ উপলক্ষ্য; ড: মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপর হামলা। ক্ষুদ্র জ্ঞানে ইসলাম সম্পর্কে যতটুকু জানি তা হলো~ জনাব মুহাম্মদ সা: এর জীবনাচরণ-ই হলো ইসলাম। উনি যা করে দেখিয়েছেন, যা বলে গেছেন, তার নামই ইসলাম। পবিত্র কুরআন হচ্ছে ইসলামের সর্বোচ্চ পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ, এরপর হাদিসের গ্রন্থ সমূহের অবস্থান। পবিত্র কোরআন এর অনেক কিছুই সাধারণ মানুষের জন্য বুঝতে পারাটা বেশ কঠিন বিধায়; বড় বড় ইসলামী দার্শনিক-গণ মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিতে বলেছেন।  উনাদের মতে পবিত্র কোরআন যদি থিওরি হয়, তাহলে মহানবী মুহাম্মদ সা: এর পুরো জীবনটাই হচ্ছে তার ব্যবহারিক প্রয়োগ।  অর্থাৎ পবিত্র কোরআন সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত্ব মতবাদ; আর মুহম্মদ সা: হচ্ছেন সৃষ্টিকর্তার পাঠানো মডেল, যাকে তিনি পুরোটা জীবন পবিত্র কোরআন অনুযায়ী জীবনযাপন করিয়েছেন শুধুমাত্র মানব-জাতিকে শিক্ষা দেয়ার উদ্যেশ্যে ~ বলাহয়, মানব জাতির জন্য এমন কোন বিপদ/আপদ, বালা/মসিবত এবং সমস্যা আসবে না; যার সম্মুখীন মুহম্মদ স:-কে করা হয়নি~ অর্থাৎ চাইলেই মানুষ তার জীবনের যেকোন সমস্যায় বা পরিস্থিতিতে মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে উক্ত সমস্...