Skip to main content

Posts

Showing posts from April, 2022

শিশু ধর্ষণ প্রতিরোধে আমরা কি "পেরু" নামক দেশ'টিকে অনুসরণ করতে পারি না ?

 * আমরা কি "পেরু" নামক দেশ'টিকে অনুসরণ করতে পারি না ? * আমরা কি শিশু ও কিশোর ধর্ষণ-কারী-দের  পুরুষত্বহীন বা নপুংসক করে দেয়ার শাস্তির বিধান রেখে আইন পাশ করার উদ্যোগ নিতে পারি না; যেমনটি করতে যাচ্ছে পেরু সরকার ? সম্প্রতি পেরুতে ৪৮ বৎসর বয়স্ক এক কুলাঙ্গার কর্তৃক ৩ বছর বয়সী এক শিশু ধর্ষিত হয়ে মৃত্যুপথযাত্রী হওয়ায়; পেরু সরকার এমন একটি আইন পাশ করার উদ্যোগ নিয়েছে, যেখানে শিশু ধর্ষণ কারীকে প্রচলিত আইনের আওতায় কারাভোগের পর, মুক্তি পাওয়ার সময় অপরাধীকে "খোঁজা" বা পুরুষত্বহীন বা নপুংসক করে দেয়া যাবে, যাতে মুক্ত হয়ে পরবর্তীতে আর এহেন কাজটি করতে না পারে উক্ত কুলাঙ্গার পুরুষটি~ খবর: ২১শে এপ্রিল, ২০২২ এ প্রকাশিত প্রথম আলো। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশের শিশু ও কিশোর/কিশোরী ধর্ষনের হার শঙ্কাজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। নারী ধর্ষনের বিষয়টি এক্ষেত্রে বিবেচনায় নিলে তা আশঙ্কাজনক তো বটেই। #২৭শে_জানুয়ারী_২০২০ সালে প্রকাশিত প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট অনুযায়ী একটি পরিসংখ্যান নিম্নে দেয়াহলো~ #বাংলাদেশ_পুলিশ এর দেয়া তথ্যমতে:~ * গত বছর অর্থাৎ ২০১৯ সালে নারী ধর্ষনের মামলা হয়  ...

ইসলাম এবং জঙ্গিবাদ

জানতে ইচ্ছে করে~ উপলক্ষ্য; ড: মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপর হামলা। ক্ষুদ্র জ্ঞানে ইসলাম সম্পর্কে যতটুকু জানি তা হলো~ জনাব মুহাম্মদ সা: এর জীবনাচরণ-ই হলো ইসলাম। উনি যা করে দেখিয়েছেন, যা বলে গেছেন, তার নামই ইসলাম। পবিত্র কুরআন হচ্ছে ইসলামের সর্বোচ্চ পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ, এরপর হাদিসের গ্রন্থ সমূহের অবস্থান। পবিত্র কোরআন এর অনেক কিছুই সাধারণ মানুষের জন্য বুঝতে পারাটা বেশ কঠিন বিধায়; বড় বড় ইসলামী দার্শনিক-গণ মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিতে বলেছেন।  উনাদের মতে পবিত্র কোরআন যদি থিওরি হয়, তাহলে মহানবী মুহাম্মদ সা: এর পুরো জীবনটাই হচ্ছে তার ব্যবহারিক প্রয়োগ।  অর্থাৎ পবিত্র কোরআন সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত্ব মতবাদ; আর মুহম্মদ সা: হচ্ছেন সৃষ্টিকর্তার পাঠানো মডেল, যাকে তিনি পুরোটা জীবন পবিত্র কোরআন অনুযায়ী জীবনযাপন করিয়েছেন শুধুমাত্র মানব-জাতিকে শিক্ষা দেয়ার উদ্যেশ্যে ~ বলাহয়, মানব জাতির জন্য এমন কোন বিপদ/আপদ, বালা/মসিবত এবং সমস্যা আসবে না; যার সম্মুখীন মুহম্মদ স:-কে করা হয়নি~ অর্থাৎ চাইলেই মানুষ তার জীবনের যেকোন সমস্যায় বা পরিস্থিতিতে মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে উক্ত সমস্...

কুসংস্কার

 #সংস্কার_বা_কুসংস্কার: দৈনন্দিন জীবনের কোনো ঘটনাকে ভবিষ্যতের মঙ্গল বা  অমঙ্গলের সম্ভাব্য কারণ বলে মনে করাই হলো কু-সংস্কার। কু-সংস্কার এমন এক বিশ্বাস, যা মানুষ আবহমানকাল ধরে বংশপরম্পরায় মেনে আসছে।  কুসংস্কার নামক আচরণের প্রতি আস্থা, বিশ্বাস, ভীতি মানুষের সহজাত। যার কোনো সুনির্দিষ্ট উৎস খুঁজে পাওয়া যায় না। কিন্তু মানুষ মাত্রই তা মেনে থাকে।  যদিও এসব কুসংস্কার বা সংস্কারের অধিকাংশই হাস্যকর, ভিত্তিহীন এবং শুধুই জনশ্রুতিনির্ভর। কিন্তু অন্তরে লালিত সংস্কার থেকেই তা শ্রদ্ধা, বিশ্বাসের সঙ্গে মেনে থাকে এমন জাতি/ধর্ম/সম্প্রদায়ের মানুষ রয়েছে বিশ্ব জুড়ে।  প্রথমে আমাদের দেশে চালু থাকা কিছু কুসংস্কার এর উল্লেখ করা যাক, শেষে বিদেশের কিছু কুসংস্কার এবং তার কারণ নিয়ে আলোচনা করা যাবে~ যেমন:  * বছরের প্রথম দিন ভালোভাবে অতিবাহিত হলে বছরের অন্যান্য দিনও ভালোভাবে যাবে- এই বিশ্বাসে পৃথিবীর প্রায় সব দেশের মানুষের মাঝেই কমবেশি আছে, ফলে বিশ্বজুড়ে এই দিনটিতে ভালো পোশাক, ভালো খাবারের প্রথা বিরাজমান বহুকাল ধরে। * পোষা বিড়ালকে তার গা বা পা চেটে পরিষ্কার করতে দেখা গেলে বাড়িতে মেহমান আ...

BIT গুলো ইউনিভার্সিটি হওয়ার ইতিহাস

 #এ_এক_অনবদ্য_ইতিহাস:  * বাংলাদেশের ৪ টি ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট (BIT) এর বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ইতিহাস~ * BIT Ctg, BIT Rajshahi, BIT Khulna & BIT Dhaka এর CUET, RUET, KUET & DUET এ রূপান্তরের ইতিহাস~ * শুরুটা হয়েছিল দেশের একটি বড় "গ্রুপ-অফ-কোম্পানি"তে কয়েকজন প্রকৌশলী নিয়োগের জন্য পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিকে কেন্দ্র করে~ শর্ত ছিল শুধুমাত্র BUET হতে পাশ করা প্রকৌশলীরা এপ্লাই করতে পারবে। তাৎক্ষণিক ভাবে BIT Ctg এর ছাত্রলীগ প্রতিবাদে ফেটে পরে; বিক্ষোভের ডাক দেয় ছাত্রলীগ । কিছুদিন পর সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা ছিল, দলমত নির্বিশেষে সমস্ত ছাত্রছাত্রী পড়ার টেবিল ছেড়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিক্ষোভে অংশ নেয়। শুরু হয় তুমুল আন্দোলন, বলাযায় সে এক অসহযোগ আন্দোলন।  যেহেতু BIT ctg শহর থেকে অনেক দূরে রাউজানে অবস্থিত, কাজেই মিডিয়ার নজরে আনার জন্য সিদ্ধান্ত হয় শহরে গিয়ে মিটিং মিছিলের; আরও সিদ্ধান্ত হয় আমরা আর BIT তে পড়াশুনা করবো না, যতদিন না BIT গুলো বিশ্ববিদ্যালয় না হবে, ততদিন আমরা কেউ পড়ার টেবিলে ফিরবো না। তৎকালীন ক্যাম্পাসে ছাত্র দলের কমিটি ছিলনা, কিন্তু ছাত্র ই...

‘র‌্যাগ ডে’ ইস্যুতে হাইকোর্টের রুল জারি

 দৃষ্টি আকর্ষণ: শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘র‌্যাগ ডে’ পালনের নামে অশ্লীলতা বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট !! র‌্যাগ ডে’ পালনের নামে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ডিজে পার্টিসহ নগ্ন, অশ্লীল, উন্মত্ত, কুরুচিপূর্ণ ও আপত্তিকর কর্মকাণ্ড বন্ধে ৩০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।           শিক্ষাসচিব, তথ্যসচিব, সংস্কৃতিসচিব, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যানসহ বিবাদীদের প্রতি এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। * প্রশ্ন হচ্ছে শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কেন্দ্রিক এমন একটি স্পর্শকাতর বিষয়ে কেন হাইকোর্টকে রুল জারি করতে হলো?        একটা সময় ছিল, যখন স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয় এর শেষ দিনটিকে "বিদায় অনুষ্ঠান" বা "ফেয়ার ওয়েল" এর মাধ্যমে উৎযাপন করা হতো~  দিনটির মূল আকর্ষণ ছিল হলরুম বা খোলা-প্রান্তরে শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের যৌথ উদ্যোগে আলোচনা সভা, যেখানে অভিভাবক গণের উপস্থিতিও থাকতো চোখে পড়ার মতো~ মূলতঃ এসব অনুষ্ঠানে শিক্ষক ও অভিভাবকগণ~ উক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হতে বেড়-হয়ে গিয়ে ছাত্রছাত্রীরা কিভাবে জীবন ...

গল্পঃ হলেও সত্যি~

 গল্পঃ হলেও সত্যি;  এক অনবদ্য ইতিহাস। নবাব সিরাজউদ্দৌলা এর সময় পান্তা-ভাত ও কুচো-চিংড়ি'র বদৌলতে একজন ছোট মুদি দোকানদার প্রথমে জমিদার এবং পরে রাজা হয়েছিলেন। ১৭৫৬ সালের কথা। বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার নবাব তখন সিরাজ-উদ-দৌলা।  ইতিহাসবিদ "আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়া" কর্তৃক লিখিত নবাব সিরাজউদ্দৌলা এর জীবন কাহিনী মূলক বই থেকে পাওয়া যায় যে, বাণিজ্য করতে আসা ইংরেজ বণিকরা সে সময় চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে কলকাতা এবং কাশিমবাজার কুঠিতে দুর্গ নির্মাণ করেছিল, ব্যবসার আড়ালে সামরিক সরঞ্জাম বৃদ্ধি করছিল। ফলশ্রুতিতে সিরাজউদ্দৌলা কলকাতা আক্রমণ করেছিলেন।  তবে কলকাতা আক্রমণের আগে ১৭৫৬ সালের ২৪শে মে তিনি ৩,০০০ অশ্বারোহী সৈন্য পাঠিয়ে দিলেন কাশিমবাজারের ইংরেজ কুঠি (ফ্যাক্টরি) দখল করার জন্য। সে সময় কাশিমবাজার কুঠিতে ছিল বেশ কয়েকজন ইংরেজ অফিসারসহ ৩৫ জন শ্বেতাঙ্গ সৈন্য, ৩৫ জন তেলেঙ্গা সৈন্য এবং ইংরেজ কর্মচারীদের পরিবার।          শেষপর্যন্ত কাশিমবাজার কুঠির প্রধান "ওয়াটস" নবাবের কাছে মুচলেকা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন। ইংরেজ কর্মকর্তাদের সপরিবারে আটক করে নিয়ে যাওয়া হয...

পান্তা_প্যাচালি: পান্তাভাত এর উপকারিতা~

 #জনস্বার্থে_পান্তা_প্যাচালি:  বৃষ্টিবিহীন এই গ্রীষ্মের তাপদাহে সেহেরী বা ইফতারী হিসেবে পান্তা-ভাত রোজাদারদের জন্য কতটুকু উপকারী ? লুঙ্গি-গেঞ্জি, মাছ-ভাত, ভাটিয়ালি-মুর্শিদী, রিক্সা-সাইকেলের মত পান্তা-ভাতও বাঙ্গালী সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হলেও, শুধুমাত্র মানসিকতার কারণে হারিয়ে যেতে বসেছে মানবদেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী ও সহজলভ্য এই খাবার-টি । আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তনের কারণে একসময় গরীবের খাবার হিসেবে পরিগণিত হওয়া "রুটি" ও "পান্তা-ভাতে'র মধ্যে "রুটি" বর্তমানে ভদ্রসমাজে নিত্য আহার্য হিসেবে গৃহীত হলেও ; পরিত্যাক্ত হয়েছে পান্তা ভাত ।  এখন বাংলাদেশের বাঙ্গলিসমাজ পহেলা বৈশাখে একদিনের জন্য বাঙালিয়ানা প্রদর্শনের নিমিত্তে পান্তা-ভাত আহার করলেও; এই উপকারী খাদ্যটিকে নিত্য আহার্যে পরিণত করেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, বিহার, উড়িষ্যা, দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং কেরালা । এছাড়াও বর্তমানে থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, চীন এবং ইন্দোনেশিয়াতেও এই পান্তাভাত খাওয়া হচ্ছে দেদারছে~ বলাই-বাহুল্য, স্থানভেদে এই উপকারী খাদ্যটি'র নাম এবং প্রস্তুত প্রণালীতে ...

সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের করণীয়

 সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকারের করণীয়~ উচিৎ ফেসবুক ও ইউটিউব এ আরও বেশি বেশি নজরদারি~          উপমহাদেশে  বাংলাদেশ-ই একমাত্র রাষ্ট্র, যেখানে এখনও কোন ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল বা সংগঠন এককভা ভাবে ক্ষমতাসীন হওয়ার সুযোগ পায়নি। সেই মত বড় আকারের কোন ধর্মীয় দাঙ্গা-পরিস্থিতিও তৈরী হয়নি। গত ৫০ বছরে সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে যা কিছু ঘটেছে সেগুলো কোন মহল বা ব্যক্তির স্বার্থসিদ্ধির পাঁয়তারা মাত্র এবং বাংলাদেশ সেগুলিকে দমন করতে সফল হয়েছে বলেই বিশ্ববোদ্ধাদের অধিকাংশের অভিমত।  এছাড়াও উপমহাদেশের অন্যান্য রাষ্ট্রে সংগঠিত হওয়া সাম্প্রদায়িক সহিংসতা ও দাঙ্গা-ফ্যাসাদের সাথে বাংলাদেশে সংগঠিত হওয়া ঘটনা গুলোকে তুলনা করলে অনুরূপ সত্যতাই প্রমাণিত হয়। বলাই বাহুল্য বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক ভাবে স্থিতিশীল এই ইমেজ অনেকেরই ভালো লাগছে না, বা অনেকেরই গাত্রদাহের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে; সরকার যদি এদের বিপক্ষে সময়মত এবং সমুচিত পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে পস্তাতে হবে বলেই বিশেষজ্ঞগণ মনে করেন~ নিম্নোক্ত হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের দ্বারা ঘটানো দুইটি ঘটনা এবং ...

কে দায়ী ? হৃদয় কৃষ্ণ মন্ডল ? ছাত্র ? ছাত্রের পিতামাতা ও শিক্ষক'রা ? না কি সমাজ ও শিক্ষাব্যবস্থা ?

 কে দায়ী ? হৃদয় কৃষ্ণ মন্ডল ? ছাত্র ? ছাত্রের পিতামাতা ও শিক্ষক'রা ? না কি সমাজ ও শিক্ষাব্যবস্থা ? ১৯৪০ এর দশকের 'লালসালু'তে বর্ণিত নোয়াখালী'র  "মহব্বতনগর" গ্রাম ধর্মান্ধতা থেকে বেড়িয়ে এসে ২০২২ সালে আধুনিক জনপদে পরিণত হলেও ; ২০২২ সালের "মুন্সীগঞ্জ"  যেন বিজ্ঞানভিত্তিক আধুনিক যুগ থেকে বেড়িয়ে ১৯৪০ এর দশকে'র  ধর্মান্ধতা'র দিকে ছুটে চলেছে~ * ভাবতেও অবাক লাগে, একজন স্কুল পড়ুয়া ছাত্র শিক্ষক-কে নাজেহাল করতে চতুরতার সাথে কথোপকথন রেকর্ড করে ~? ~  কোন যুগে বাস করছি আমরা ? আমাদের সময় কোন স্যার কোথাও বসে আছেন বা গল্প করছেন, জানতে পারলে উক্ত জায়গার আশেপাশে-ই যেতে চাইতাম না, সেটি ভয়ে হোক বা সম্মানের জন্যই হোক না কেন ?  * আরও অবাক লাগে এসব কুলাঙ্গার ছেলেমেয়েদে'র জন্মদাতা পিতা/মাতার কথা ভাবলে ? এই মা-বাবারা কতটাই নির্বোধ এবং ধর্মান্ধ যে এরূপ একটি ঘটনায় ছেলেমেয়েদের শাসন না করে উল্টো তাল দিয়ে যাচ্ছে ? কতটুকু স্টুপিড পিতামাতা হলে এই বয়সের ছেলেদেরকে সবসময়ের জন্য অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহার করতে দেয় ? দেশে আশঙ্কাজনক হারে "মানুষ-রুপি-জানো...

কোন মানুষই আসলে অন্ধ অনুসরণ বা অনুকরণ যোগ্য নয়

 কোন মানুষই আসলে অন্ধ অনুসরণ বা অনুকরণ যোগ্য নয়~ অন্যভাবে বলতে গেলে বলা উচিত, কাউকেই অন্ধ ভাবে অনুসরণ বা অনুকরণ করা উচিৎ নয়~  প্রতিটি মানুষই আলাদা একেকটি সত্বা, প্রতিটি মানুষের চিন্তা, চেতনা, বিবেক ও বুদ্ধিতে কোথাও না কোথাও পার্থক্য আছেই । এখানেই সৃষ্টিকর্তার সফলতা বা মাহাত্য। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে আমরা আমাদের আঙ্গুলের রেখাবিন্যাসের বিষয়টি সামনে আনতে পারি~ প্রতিটি মানুষের আঙ্গুলের ছাপে যেমন সূক্ষাতিসূক্ষ হলেও পার্থক্য থাকে,  তেমনই অন্যসব ক্ষেত্রেও~ তাছাড়া স্থান ও কাল বা সময়ের প্রভাবও মানুষে মানুষে ভিন্নতার ক্ষেত্রে একটি বড় নিয়ামক। আজ থেকে কয়েকশো বছর পূর্বে যে কাজটি সৃষ্টি জগতের জন্য অনুকূল ছিল, বর্তমান সময় ঐ ধরনের কাজই মানুষের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে গণ্য হতে পারে~ আবার আফ্রিকার কোন প্রত্যন্ত অঞ্চলে যে কাজটি বা কর্মটি বা যে মানুষটি উক্ত অঞ্চলের জন্য জনহিতকর, তা আমাদের এইখানে নাও হতে পারে~ আমরা সাধারণত বাচ্চাকাচ্চাদের বিখ্যাত ব্যক্তিদের জীবনী শুনিয়ে তাদের মত হতে বলি, আবার বড় হয়েও আমরা অনেকেই গুরুজন বা বিখ্যাত ব্যাক্তিদের অন্ধ অনুকরণ এর চেষ্টা করে থাকি~  বিষয়ট...

মানব শরীরে রোজার প্রভাব~

রমজান: মুসলিমরা যে একমাস ধরে রোজা রাখেন, সেটা তাদের শরীরে কী প্রভাব ফেলে? প্রতি বছর কোটি কোটি মুসলমান রোজা রাখেন, সূর্যোদয় হতে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহারে বিরত থেকেন।ইউরোপের কোন কোন দেশে কুড়ি ঘণ্টাও রোজা রাখতে হয়। আমরা যে খাবার খাই, পাকস্থলীতে তা পুরোপুরি হজম হতে এবং এর পুষ্টিগুন শোষণ করতে "শরীর" অন্তত আট ঘন্টা সময় নেয় । সভাবতই প্রশ্ন জাগতে পারে~ যখন খাদ্য পুরোপুরি হজম হয়ে যায় এবং শরীর সেখান থেকে পুষ্টিগুণ শোষণ করে ফেলে; তারপর কি ঘটে ?            হজম হওয়া খাদ্যে, শরীরের সংগ্রহ করার মতো আর যখন কোন পুষ্টিগুণ অবশিষ্ট থাকে না, তখন আমাদের শরীর যকৃৎ এবং মাংসপেশীতে সঞ্চিত থাকা গ্লুকোজ বা ফ্যাট থেকে পুষ্টি/শক্তি নেয়ার চেষ্টা করে।           ঠিক এই মুহূর্ত হতে চর্বি খরচ হওয়ার কারণে আমাদের শরীর তার ওজন হারাতে শুরু করে` অর্থাৎ আমাদের ওজন হ্রাস পেতে শুরু করে, এরফলে কোলস্টেরল এর মাত্রা কমে যায়, এমন কি রক্তে সুগার বা শর্করার মাত্রা কমে যায় অর্থাৎ ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও কমে যায় ।  রক্তে সুগার বা শর্করার মাত্রা কমে যাওয়ার কারণে সেহে...

ভারতীয় মিডিয়ার বাংলাদেশের প্রতি বিমাতাসুলভ আচরণ

 আনন্দবাজার পত্রিকা সহ ভারতের মিডিয়া যেন বন্ধু প্রতিম ভারত ও বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্কের ফাটল ধরাতে উঠেপড়ে লেগেছে~ গতবছর এপ্রিল মাসে যখন প্রতিদিন লক্ষাধিক ভারতীয় করোনায় আক্রান্ত হচ্ছিল এবং প্রতিদিন কয়েক হাজার করে মানুষ মৃত্যুবরণ করছিল, তখন বাংলাদেশ সরকার বন্ধুপ্রতিম ভারতের দিকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল~  করোনা শনাক্তের কিট ও পিপিই সহ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর কার্যকরী বেশকিছু ঔষধ তখন বাংলাদেশ ভারতকে সরবরাহ করেছিল।, এসব ওষুধের মধ্যে ছিল প্রায় দশ হাজার ডোজ ইনজেক্টেবল অ্যান্টি-ভাইরাল ওষুধ, ওরাল অ্যান্টি-ভাইরাল, ৩০ হাজার পিপিই কিট এবং কয়েক হাজার জিংক, ক্যালসিয়াম, ভিটামিন সি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় ট্যাবলেট।   যথাযথ কূটনৈতিক প্রসিডিওর মেনেই ভারত সরকার তখন তা গ্রহণ করেছিল, অথচ এতদিন পর সেইসব ঔষধ যথাযথ প্রক্রিয়ায় গ্রহণ করা হয়েছিল কি না ? এক্সপায়ার ডেট ঠিকমত উল্লেখ ছিল কি না ? ইত্যাদি ইত্যাদি নানারকম প্রশ্ন তোলা হচ্ছে আনন্দবাজার সহ ভারতীয় মিডিয়ায়~ বলাই বাহুল্য যা বাংলাদেশের জন্য অপমানকর ~ উল্লেখ্য; ভারত বিভাগ বা বাংলা বিভাগে বাংলাদেশ বা পশ্চিম বঙ্...

সুধী সাবধান

 সুধী সাবধান~ কিছু সংখক মানুষ,  সুপরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় সেন্টিমেন্টকে ব্যবহার করে নিজেদের সুপারস্টার বানানোর নিমিত্তে, মুসলিমদের ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ মাস রমজানকে বেছে নিয়েছে  অথবা দেশবিরোধী চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে ~ এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার "দাউল বারবাকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে"র শিক্ষিকা "আমোদিনী পাল" ।  উনি হিজাব পড়ার অপরাধে উক্ত স্কুলের অন্তত ২০ ছাত্রীকে বেধরকভাবে পিটিয়েছেন (লিংক কমেন্টস এ দেয়া আছে) । প্রশ্ন হচ্ছে~ ১.  উনি এই সময়-ই হটাৎ করেই হিজাব নিয়ে মেয়েদের গায়ে হাত তুললেন কেন ?  দীর্ঘদিন যাবত উক্ত স্কুলে ঐ মেয়েরা হিজাব পড়ে ক্লাস করে আসছে, আগেও নয়/পরেও নয় , এই সময়ই~ যখন লতা সমাদ্দার এবং হৃদয় মন্ডল কে নিয়ে দেশে সাম্প্রদায়িক কথাবর্তা চালু রয়েছে, তখনই কেন হটাৎ এ আচরণ ? ২.  তাওয়া গরম থাকতে  রুটি ছেকে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ ~ হয়তো একারণেই  "আমোদিনী পাল" এই সময়টিকে-ই  পারফেক্ট ভেবেছেন, একদিকে সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে দেশে বেশ গর্মাগরম অবস্থা,  অন্যদিকে রমজান মাস। এই সময় হিন্দু হিসেবে উনি ভাইরাল...

ইসলাম ও হিন্দু ধর্মে টিপের গুরুত্ব:

 ইসলাম ও হিন্দু ধর্মে "টিপ" আসলে কতটুকু গুরুত্ব বহন করে? গতকাল দেখলাম একজন পুলিশ তাদের ভেরিফায়েড পেইজে টিপ সংক্রান্ত বিশধ বিবরণ ছেপেছেন, এছাড়াও বেশ কয়েকজনকে ফেসবুক পেইজে একই বিষয় নিয়ে লিখতে দেখেছি, যারা ইসলাম ধর্মমতে টিপকে নিষিদ্ধ প্রমাণ করতে ইব্রাহিম (আ:) এর সময়কার একটি ঘটনাকে সামনে এনেছেন। আমি আবার আমার কয়েকজন হিন্দু বন্ধুর সাথে কথা বলছিলাম, যারা টিপকে তাদের ধর্মীয় বিষয় মনে করেন~ আমরা অধিকাংশ মুসলিম এবং হিন্দুই ধর্মাবলম্বীরা-ই উত্তরাধিকার সূত্রে মুসলমান এবং হিন্দু। ধর্ম সম্পর্কে আমাদের যতটুকু জ্ঞান, তার অধিকাংশই উত্তরাধিকার সূত্রে মুখে মুখে পাওয়া । সঙ্গত কারণেই মুখে মুখে প্রাপ্ত জ্ঞানের মধ্যে ভুলভ্রান্তি থাকতেই পারে~ ইসলাম ধর্মমতে সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত চারটি প্রসিদ্ধ ধর্ম ~ ১) মুসা(আ:) এর মাধ্যমে প্রেরিত ধর্ম, যার ধর্মগ্রন্থের নাম তাওরাত এবং যার অনুসারীরা বর্তমানে ইহুদি নামে পরিচিত~ ২) দাউদ (আ:) এর মাধ্যমে প্রেরিত ধর্ম, যার ধর্মগ্রন্থের নাম জবুর~ ৩) ঈসা (আ:) এর মাধ্যমে প্রেরিত ধর্ম, যার ধর্মগ্রন্থের নাম ইঞ্জিল এবং অনুসারীরা বর্তমানে খৃষ্টান নামে পরিচিত~ ৪) সর্বশেষ ম...
 টিপ কাণ্ড কতটুকু সাম্প্রদায়িক ? যারা এটাকে সাম্প্রদায়িক তকমা লাগিয়ে দেশকে বিতর্কিত করার পাঁয়তারা করছে, তারা নিজেরা কতটুকু অসাম্প্রদায়িক? আমি আগের পোস্টে ইভ টিজিং এর আদলে টিপ কণ্ডকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছিলাম, অনেকেই বলতে চেয়েছেন এটা ইভটিজিং এর চাইতেও বেশী কিছু ~ হতে পারে এটি ইভ টিজিং এর চাইতেও বেশিকিছু, তাহলে এটিকে একজন বিপথগামী পুরুষ কর্তৃক নারী নির্যাতন ভাবা যেতে পারে, তদনুযায়ী এর বিচার চাওয়া যেতে পারে~ না তাও না, এটি একটি সাম্প্রদায়িক হামলা বা হেনস্তা~ আমি জানি না এটি কেন সাম্প্রদায়িক হেনস্তা বা কোন পর্যায়ের সাম্প্রদায়িক হেনস্তা ? সিঁদুর আর পৈতা ব্যতীত হিন্দু চেনার কোন উপায় আছে কি ? টিপ তো বাঙ্গালী অধিকাংশ মেয়েরাই পরে, শাড়ির সাথে টিপ পরে না এমন বাঙ্গালী মেয়ে আছে না কি বাংলাদেশে ? আমার বউয়ের কালেকশন এ অজস্র টিপ ছিল একসময়, এখনও আছে~ যদি ঐ ভদ্রমহিলা ঐ সময় সিঁদুর পড়া না থাকেন, তাহলে উনাকে হিন্দু মহিলা হিসেবে চিহ্নিত করলেন কি ভাবে ঐ বিকৃত রুচির মানুষ টি ?  না কি টিজিং করার আগে মহিলাকে কালেমা বলতে বলেছিলেন, যেমন মুক্তিযুদ্ধের সময় হিন্দুদের চিহ্নিত করতে পা...

প্রতিবাদ

 *****ইঞ্জিনিয়ার আমিন সাহেবকে বলছি****** চুয়েট ছাত্রলিগের একজন কর্মী হিসেবে আপনাকে কয়েকটি  প্রশ্ন...  ১) দু'বছর এর জন্য নির্ধারিত কোন পোস্ট এ ১২ বছর আকরে থাকা কি দখলদারত্বের মধ্যে পরে,  নাকি পুর্বের ধারাবাহিকতায় উক্ত পোস্টে নতুন নেতৃত্ব আনার চেষ্টা করা দখলদারত্বের মধ্যে পরে? ২) আপনি কি চুয়েট ছাত্রলিগের অতিত ইতিহাস জানেন না? ৩) যে ছাত্রলীগ বি এন পি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সালাউদ্দিন চৌধুরীর কুখ্যাত বাহিনী এবং মেজবাহ, সুমন ও জাহাংগিরের মত ছাত্রদলের কুখ্যাত ক্যডারদের হাত থেকে চুয়েট ক্যাম্পাসকে দখলে রেখে,  ক্যাম্পাস কে অপহরণ ও চাদাবাজির আস্তানায় পরনতো করতে না দিয়ে ছাত্রদের নির্বিঘ্নে  পড়াশোনা করার  উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছিল, সেই ছাত্রলীগ যদি আপনাদের মতো কিছু নির্লজ্জ সুবিধাভোগী ইঞ্জিনিয়ার দের হটিয়ে "চুয়েট এলামনাই এসোসিয়েশান " এর পদ দখল করতে চাইত, তাহলে এতোদিন আপনাদের অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যেত কি? ৪) আপনি কি ভুলেগেছেন সেদিনের কথা যেদিন,,,,,  মেজবাহ-সুমন-জাহাংির পুলিশ এবং সাকা বাহিনীর সহায়তায় ক্যম্পাসের দখল নিতে এসে সেসময়কার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক "...

টিপ_নিয়ে_টেপা_টিপি

 #টিপ_নিয়ে_টেপা_টিপি:~ বাঙালি যে কতটুকু হুজুগে, সেটি আবার প্রমাণ হলো এই টিপ নিয়ে কাণ্ডকারখানায়~ ইভ টিজিং কোন দেশ বা কোন জাতিতে নেই ? যেখানে মানুষ আছে, যেখানে কৈশোর ও যৌবন আছে, যে দেশ বা সোসাইটিতে একই সঙ্গে ছেলে ও মেয়ে উভয় প্রজাতির মানুষ বাস করে, সেখানেই ইভ টিজিং আছে। হয়তো তার ধরন-ধারণ ও প্রয়োগে ভিন্নতা আছে, কিন্তু আছে, সব জায়গায় এমন কি সব সভ্যতায় ইভ টিজিং ছিল, আছে এবং থাকবে।  তবে স্থান, বয়স এবং পাত্র ভেদে; এমন কি ভাষার ব্যবহারে এটি গ্রহণযোগ্য ও অগ্রহণযোগ্য হতে পারে~ আমরা যখন কৈশোর এবং যৌবনের সন্ধিক্ষণে ছিলাম , তখন আমাদের সমবয়সী মেয়েদের সাথে যখন রাস্তা ক্রস করতাম তখন যে আমরাও দু/চার কথা বা উক্তি মেয়েদের উদ্যেশ্যে বলতাম না, তা কিন্তু নয়? আবার মেয়েরাও যে সেসব কথা বা উক্তি ইনজয় করতো না, তাও কিন্তু নয় । সেসময় মেয়েরা যখন একত্রিত হয়ে গল্পগুজব করতো তখন তাদের বেশিরভাগ গল্পের বিষয়ই থাকতো`~ কোন ছেলে তাদের দেখে কি কমেন্টস করেছে, তা নিয়ে হাসি তামাসা ~ আমরা যখন বড় হয়ে গেলাম, তখন দেখতে ও শুনতে পেলাম যে, ইভ টিজিং কে কেন্দ্র করে বিভিন্ন মহিলা-স্কুল/কলেজের সামনে থেকে ছে...

উপমহাদেশ অকৃতজ্ঞ নয়:~

 উপমহাদেশ অকৃতজ্ঞ নয়:~ সারাবিশ্ব যখন শুধুই বর্তমান সময়ের লাভ ক্ষতি নিয়ে ব্যস্ত, এমনকি সরা বিশ্বের দেশসমূহের সরকার প্রধানগণ যখন নিজেদের ক্ষমতাকে সুসংহত করতে দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিতেও কুণ্ঠাবোধ করছে না: তখন ভারত, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান এবং তাদের সরকার প্রধানগণ যেন বর্তমান সময়কে নয়, বরং অতীত ও ভবিষ্যত এর কথা মাথায় রেখে নতুন বিশ্বব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়ে, বর্তমান সময়ের ঝঞ্জা-বিক্ষুব্ধ রাজনৈতিক পরিবেশকে মোকাবেলা করতে উদ্যত হয়েছে~ #ভারত অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষথেকে সরাসরি চাপ প্রয়োগ, জাপানের পক্ষ থেকে বর্তমানে ৪২ বিলিয়ন ডলার ও পরবর্তীতে আরও বিনিয়োগের লোভ, আমেরিকার পক্ষ থেকে অবরোধের হুমকি এবং যুক্তরাজ্যের পক্ষথেকে সম্পর্কের অবনতির হুশিয়ারি সত্বেও ইন্ডিয়া এখনও রাশিয়ার বিপক্ষে অবস্থান নেয়া তো দূরের কথা, রাশিয়া/ইউক্রেন সমস্যাকে যুদ্ধ বা রাশিয়ার পক্ষ থেকে আগ্রাসন হিসেবেও বিবৃতি দেয়নি; উপরন্ত রুবলের মাধ্যমে রাশিয়া থেকে তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়ে ঘোষণাবিহীন ভাবে মার্কিন বলয়ের বিপক্ষে এবং রাশিয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।  আরও স্পষ্ট করে বললে ব...

ইবাদত: (কিছু না বলা কথা)~

 #ইবাদত: (কিছু না বলা কথা)~ প্রেক্ষাপট: রমজান মাসের রোজা~ ইবাদাত শব্দটি ক্রিয়াপদ(Verb),; যার অর্থ আনুগত্য করা, দাসত্ব করা, গোলামী করা, বিনয়ী হওয়া, অনুগত হওয়া, মেনে চলা ইত্যাদি । ইসলামী পরিভাষায় মানুষের দৈনন্দিন, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক, মাসিক এবং বাৎসরিক সমস্ত কাজই ইসলামিক পদ্ধতিতে করার নামই এবাদত। দুঃখের বিষয় হচ্ছে ~ আমরা অধিকাংশ মানুষ শুধুমাত্র নামাজ, রোজা, হজ্ব, যাকাত সহ কিছুসংখ্যক আমলকে শুধুমাত্র ইবাদত ভেবে ভুল করি; আসলে এইসব আমল সহ  একজন মানুষের পায়খানা-প্রস্রাব, ঘুমানো, খাওয়া-দাওয়া, চলাফেরা, কথাবার্তা, চাকরি, ব্যবসা ও কৃষিকাজসহ সবকিছুই এবাদত এর আওতাভুক্ত, যদি তা ইসলামিক পদ্ধতিতে করা হয়~ আবার হযরত মুহাম্মদ সা: এবং উনার সাহাবায়ে কেরামের দেখানো কর্ম পদ্ধতিই হচ্ছে ইসলামিক পদ্ধতি। অর্থাৎ আমল/অজিফা সহ আমাদের খাওয়া-দাওয়া, পায়খানা-প্রস্রাব হাঁটাচলা সহ  দৈনন্দিন কাজ গুলো যদি আমরা মোহাম্মদ সা: এর মত করে করার চেষ্টা করি, তাহলেই তা ইবাদত বলে গণ্য হবে~ তবে ইবাদত বলে গণ্য হওয়া এক জিনিস, আর ইবাদত হিসেবে সৃষ্টিকর্তার কাছে গৃহীত হওয়া আরেক জিনিস~ আমাদের যেকোনো কাজ  এবং আ...