গল্পঃ উপমহাদেশীয় আশরাফুল মাখলুকাত হতে শকুনে'র বাচ্চার শিক্ষা লাভ~
এক শকুনের বাচ্চা, একদিন তার বাবার কাছে বায়না ধরল~ বাবা আমি মানুষের মাংস খাব, এনে দাও না প্লিজ। বাবা শকুন বলল ঠিক আছে আজ সন্ধ্যায় এনে দিব। বিকেলে বাবা শকুন উড়ে গেল আর আসার সময় ছেলের জন্য শূকরের মাংস নিয়ে এলো, বাচ্চা শকুন খেতে গিয়ে বললো এটাতো শূকরের মাংস বাবা, আমি তো মানুষের মাংস খেতে চেয়েছিলাম? বাবা শকুন ধরাখেয়ে একটু লজ্জা পেল এবং বলল ঠিক আছে বাবা~আজকে মানুষের মাংস এনে দিব, কিন্তু মানুষের মাংস পাওয়া সহজ কিছু নায়, সারাদিন ওড়াউড়ি করার পরও মানুষের মাংস না পেয়ে ঘরে ফেরার সময় একটা মরা গরুর মাংস নিয়ে এলো। যথারীতি বাচ্চা শকুন মাংস মুখে দিয়ে বললো~ আরে তুমিতো গরুর মাংস এনেছ, মানুষের মাংস কোথায় ? তখন বাবা বুঝতে পড়লো বাচ্চাকে রাম বুঝ দিয়ে লাভ নাই, মানুষের মাংসই খাওয়াতে হবে।
বাবা শকুনের মাথায় একটা বুদ্ধি এলো, প্রথমে সে গরুর মাংস এর টুকরা মুখে নিয়ে সেখান থেকে উড়ে গিয়ে ফেলল হিন্দুদের মন্দিরের সামনে, আবার শূকরের মাংস এর টুকরোটা নিয়ে একটা মসজিদের সামনে ফেলে দিয়ে চলে এলো।
কিছুক্ষণের মধ্যেই সেখানে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা শুরু হয়ে গেলো, বহু মানুষের লাশ পড়ে গেল, মনের সুখে মানুষের মাংস খেতে খেতে বাচ্চা শকুন জিজ্ঞাসা করল~ বাবা এত মানুষের মাংস এখানে কি করে এলো?
তখন বাবা শকুন টি বলল~ আসলে মানুষ যাতটাই এরকম , সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির সেরা জীব বানিয়ে জন্ম দিয়েছেন, কিন্তু ধর্মের নামে এদেরকে জানোয়ারের চেয়েও হিংস্র বানানো যেতে পারে।
বাচ্চাটা বললো~তোমার অনেক বুদ্ধি বাবা।
বাবা শকুন বললো~আরে দুর, এটাতো আমি মানুষের কাছ থেকেই শিখেছি। মানুষ যখনই কারো অনিষ্ট করার চেষ্টায় ব্যর্থ হয়, তখন সহজ রাস্তা হিসেবে ধর্মকে ব্যবহার করে, বিশেষ করে ওদের নেতৃস্থানীয় লোকজন~ সেইসাথে আমজনতা~বিশেষ করে উপমহাদেশীয় রা~
Comments
Post a Comment