সুখ_তুমি_কি? বড়_জানতে_ইচ্ছে_করে_আমার_জানতে_ইচ্ছে_করে~ রুনা লায়লার বিখ্যাত গানের ধারাবাহিকতায়
#কেনই_বা_ফিনল্যান্ডের_মানুষ_পৃথিবীর_সবথেকে_সুখী_মানুষ? আসুন জেনে নেই~
গত ৪ বছর হলো জাতিসংঘের "সাসটেইনেবল সল্যুউশন নেটওয়ার্ক" বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ হিসেবে "ফিনল্যান্ডে'র নাম ঘোষণা করছে। প্রতিবেশি তিন দেশ নরওয়ে, ডেনমার্ক এবং আইসল্যান্ড যথাক্রমে ফিনল্যান্ডের পরে ২য়, ৩য় ও ৪র্থ স্থানে অবস্থান করছে।
পক্ষান্তরে আমেরিকানদের অবস্থান ১৪ তম, ব্রিটিশদের অবস্থান ১৯ তম, জাপানিজদের অবস্থান অনেক নীচে,
কিন্তু কেন ? সুখ কি তাহলে অর্থের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয় ?
সুখ একটি মানবিক অনুভূতি যা ভালোবাসা, তৃপ্তি, আনন্দ বা উচ্ছ্বাস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
সুখের সাথে সামগ্রিক নিরাপত্তা, ভবিষ্যত নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকা, মানুষে মানুষে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ থাকা বিশেষ করে পারিবারিক বন্ধনে অটুট থাকা এবং স্বাধীনতা ইত্যাদি বিষয় সম্পৃক্ত~
ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, ডেনমার্ক ~ এসব দেশের পুলিশ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য-সেবা ব্যবস্থার ওপর আস্থা আছে ৮০ শতাংশের বেশি মানুষের। উন্নত কর ব্যবস্থা ও সম্পদের পুনর্বন্টন, ধনী এবং গরীবদের জীবনাচরণে নাটকীয় কোনো পার্থক্য না থাকায় এটি সম্ভব হয়েছে। এমনকি নারী-পুরুষেও তেমন কোনো পার্থক্য নেই এসব দেশে। একজন মা, একজন কর্মজীবী নারীর জন্য বিশ্বের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গাগুলো হচ্ছে এই কয়েকটি দেশ।
ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় এইসব দেশের মানুষদের পারিবারিক বন্ধনও অনেক সুদৃঢ় । দাদাদাদি ও নতিপুটিসহ তারা যৌথপরিবারে বসবাস করতে অভ্যস্ত।
সবথেকে বড় কথা এই সমস্ত দেশের ধনিক শ্রেণী এবং গরিবের মধ্যে সুযোগ-সুবিধা এবং আনন্দ ফুর্তি উদযাপনের ব্যবধান অল্প। কারণ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবসরকালীন পেনশন এবং গৃহায়ন সুবিধা সবার জন্য একইরকম, যা রাষ্ট্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত।
সুখের সাথে না কি ঘুমের একটা সম্পর্ক আছে~
এক জরিপে বিষয়টির সত্যতা প্রমাণিত হয়েছে।ফিনল্যান্ডের মানুষ গড়ে প্রতি রাতে ৭ ঘণ্টা ৫ মিনিট ঘুমান। ‘ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস ইনডেক্স’-এ জাপানের স্থান বেশ নিচের দিকে। পরিসংখ্যান দেখা যায়, দেশটির নাগরিকরা গড়ে প্রতি রাতে ৬ ঘণ্টা ২৩ মিনিট ঘুমান।
তবে বাংলাদেশী হিসেবে রুনা লায়লার গাওয়া সেই গানটির কথাই যেন বার বার মনে পড়ে আমার~
"সুখ তুমি কি ? বড় জানতে ইচ্ছে করে, আমার জানতে ইচ্ছে করে"~
Comments
Post a Comment