Skip to main content

প্রিয় চুয়েটের জন্য করণীয়

 চট্টগ্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, অতঃপর বিআইটি, অতঃপর চুয়েটে পড়াশুনা কালীন সময়ে মতাদর্শগত ভাবে আমরা যে যাই করেছি ? বেরহয়ে আসার পর কিন্তু আমাদের একটাই পরিচয়, তা হলো আমরা চুয়েটিয়ান । 

আমাদের মধ্যে এমন একজন, কেউ পাওয়া যাবে না ~ চুয়েটের সফলতা ও ব্যর্থতায় যিনি আনন্দ ও কষ্ট অনুভব না করেন ? 

বেরহয়ে আসার পর আমাদের সকলের কাছে চুয়েটের সফলতা বলতে একটি জিনিসকেই বুঝায়~ তা হলো আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে না হোক,অন্তত দেশীয় পরিমণ্ডলে হলেও চুয়েটের অবস্থানকে সুসংহত দেখতে পাওয়া। 

একটু অন্যভাবে বলা যেতে পারে~ পড়াশুনার পাশাপাশি পজিটিভলি আলোচনায় থাকা বা দৃষ্টিগোচরিভূত থাকা~ হতেপারে তা নানাবিধ, বিশেষকরে ব্যতিক্রম ধর্মী গবেষণা কার্যক্রমের দ্বারা, হতেপারে তা প্রিন্ট বা ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন কারিগরী বিষয়াদিতে গঠনমূলক আলোচনার দ্বারা,,,,

এর বাইরেও প্রিয় Cuet কে কেন্দ্রকরে পরিস্থিতি সাপেক্ষে অনেক পদক্ষেপই মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে । 

আমার মনে হয়, এক্ষেত্রে আমাদের সকলেরই ভূমিকা রাখা উচিৎ।

 চুয়েটের জন্য ভালো হয়, এমন যেকোন বিষয়েই যে কোন চুয়েটিয়ানের মতামত রাখার অধিকার আছে, এবং সকলেরই উচিৎ সময়মত এ বিষয়ে নিজস্ব মতামত রাখা। 

সেক্ষেত্রে চুয়েট আড্ডাবাজ হতে পারে একটি দারুন প্ল্যাটফর্ম। 

এটা মানতেই হবে যে, যত যৌক্তিক বা উপযুক্ত কথাই হোক না কেন ? দু একজনের বলা-বলি বা লেখা-লেখি'তে কোন রেজাল্ট আসে না, রেজাল্ট বা ফলাফলের জন্য দরকার পড়ে সকলের (বেশিরভাগ)---

অথবা দৃষ্টি আকর্ষিত হয় এরকম কার্যক্রমের~

সেক্ষেত্রে স্রোতের প্রতিকূলে হলেও কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন সহজ হয়ে যায় অনেকটা~

করোনা কালীন সময়ের স্থবিরতা কাটিয়ে চুয়েট কিভাবে ঈর্ষণীয় পর্যায়ে পৌঁছতে পারে, সেবিষয়ে সকলকে বলা-বলি বা লেখা-লেখি'র মাধ্যমে চুয়েটের প্রশাসনকে সহায়তা করার অনুরোধ রইল। 

সমালোচনা না করে আলোচনা করুন~

দুর্নাম না করে সুনাম করুন, পরামর্শ দিন~

পিছনে নয়, সামনের দিকে তাকান~

নিরাশা নয়, আশার মধ্যে থাকুন~

Comments

Popular posts from this blog

ইসলাম এবং জঙ্গিবাদ

জানতে ইচ্ছে করে~ উপলক্ষ্য; ড: মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপর হামলা। ক্ষুদ্র জ্ঞানে ইসলাম সম্পর্কে যতটুকু জানি তা হলো~ জনাব মুহাম্মদ সা: এর জীবনাচরণ-ই হলো ইসলাম। উনি যা করে দেখিয়েছেন, যা বলে গেছেন, তার নামই ইসলাম। পবিত্র কুরআন হচ্ছে ইসলামের সর্বোচ্চ পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ, এরপর হাদিসের গ্রন্থ সমূহের অবস্থান। পবিত্র কোরআন এর অনেক কিছুই সাধারণ মানুষের জন্য বুঝতে পারাটা বেশ কঠিন বিধায়; বড় বড় ইসলামী দার্শনিক-গণ মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিতে বলেছেন।  উনাদের মতে পবিত্র কোরআন যদি থিওরি হয়, তাহলে মহানবী মুহাম্মদ সা: এর পুরো জীবনটাই হচ্ছে তার ব্যবহারিক প্রয়োগ।  অর্থাৎ পবিত্র কোরআন সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত্ব মতবাদ; আর মুহম্মদ সা: হচ্ছেন সৃষ্টিকর্তার পাঠানো মডেল, যাকে তিনি পুরোটা জীবন পবিত্র কোরআন অনুযায়ী জীবনযাপন করিয়েছেন শুধুমাত্র মানব-জাতিকে শিক্ষা দেয়ার উদ্যেশ্যে ~ বলাহয়, মানব জাতির জন্য এমন কোন বিপদ/আপদ, বালা/মসিবত এবং সমস্যা আসবে না; যার সম্মুখীন মুহম্মদ স:-কে করা হয়নি~ অর্থাৎ চাইলেই মানুষ তার জীবনের যেকোন সমস্যায় বা পরিস্থিতিতে মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে উক্ত সমস্...

ঠাকুর_বাবার_ঝুলী

গল্পঃ উপমহাদেশীয় আশরাফুল মাখলুকাত হতে শকুনে'র বাচ্চার শিক্ষা লাভ~ এক শকুনের বাচ্চা, একদিন তার বাবার কাছে বায়না ধরল~ বাবা আমি মানুষের মাংস খাব, এনে দাও না প্লিজ। বাবা শকুন বলল ঠিক আছে আজ সন্ধ্যায় এনে দিব। বিকেলে বাবা শকুন উড়ে গেল আর আসার সময়  ছেলের জন্য শূকরের মাংস নিয়ে এলো, বাচ্চা শকুন খেতে গিয়ে বললো এটাতো শূকরের মাংস বাবা, আমি তো মানুষের মাংস খেতে চেয়েছিলাম? বাবা শকুন ধরাখেয়ে একটু লজ্জা পেল এবং বলল ঠিক আছে বাবা~আজকে মানুষের মাংস এনে দিব, কিন্তু মানুষের মাংস পাওয়া সহজ কিছু নায়, সারাদিন ওড়াউড়ি করার পরও মানুষের মাংস না পেয়ে ঘরে ফেরার সময় একটা মরা গরুর মাংস নিয়ে এলো। যথারীতি বাচ্চা শকুন  মাংস মুখে দিয়ে বললো~ আরে তুমিতো গরুর মাংস এনেছ, মানুষের মাংস কোথায় ? তখন বাবা বুঝতে পড়লো বাচ্চাকে রাম বুঝ দিয়ে লাভ নাই, মানুষের মাংসই খাওয়াতে হবে।  বাবা শকুনের  মাথায় একটা বুদ্ধি এলো, প্রথমে সে গরুর মাংস এর টুকরা মুখে নিয়ে সেখান থেকে উড়ে গিয়ে ফেলল হিন্দুদের মন্দিরের সামনে, আবার শূকরের মাংস এর টুকরোটা নিয়ে একটা মসজিদের সামনে ফেলে দিয়ে চলে এলো।  কিছুক্ষণের ...

সুখ তুমি কি ?

সুখ_তুমি_কি? বড়_জানতে_ইচ্ছে_করে_আমার_জানতে_ইচ্ছে_করে~ রুনা লায়লার বিখ্যাত গানের ধারাবাহিকতায় #কেনই_বা_ফিনল্যান্ডের_মানুষ_পৃথিবীর_সবথেকে_সুখী_মানুষ? আসুন জেনে নেই~ গত ৪ বছর হলো জাতিসংঘের "সাসটেইনেবল সল্যুউশন নেটওয়ার্ক" বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ হিসেবে "ফিনল্যান্ডে'র নাম ঘোষণা করছে।  প্রতিবেশি তিন দেশ নরওয়ে, ডেনমার্ক এবং আইসল্যান্ড যথাক্রমে ফিনল্যান্ডের পরে ২য়, ৩য় ও ৪র্থ  স্থানে অবস্থান করছে। পক্ষান্তরে আমেরিকানদের অবস্থান ১৪ তম, ব্রিটিশদের অবস্থান ১৯ তম, জাপানিজদের অবস্থান অনেক নীচে,  কিন্তু কেন ? সুখ কি তাহলে অর্থের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয় ? সুখ একটি মানবিক অনুভূতি যা ভালোবাসা, তৃপ্তি, আনন্দ বা উচ্ছ্বাস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।  সুখের সাথে সামগ্রিক নিরাপত্তা, ভবিষ্যত নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকা, মানুষে মানুষে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ থাকা বিশেষ করে পারিবারিক বন্ধনে অটুট থাকা এবং স্বাধীনতা ইত্যাদি বিষয়  সম্পৃক্ত~ ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, ডেনমার্ক ~ এসব দেশের পুলিশ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য-সেবা ব্যবস্থার ওপর আস্থা আছে ৮০ শতাংশের বেশি মানুষের। উন্নত কর ব্যবস্থা ও সম্পদের পুনর্বন্টন...