Skip to main content

বাংলাদেশ; তুমি কি এই আত্মত্যাগের প্রতিদান দিতে পেরেছো বা দিতে পারছো ?

 #বাংলাদেশ; তুমি কি এই আত্মত্যাগের প্রতিদান দিতে পেরেছো বা দিতে পারছো ?

১৯৬৯ সালের ২৪ শে জানুয়ারি গণ আন্দোলনের মিছিলে পাকিস্তানী পুলিশের গুলিতে শহীদ হন ১০ম শ্রেণীতে পড়ুয়া শহীদ মতিউর রহমান মল্লিক, সেদিন ছিল তার ১৬ তম জন্মদিন(২৪শেজানুয়ারি,১৯৫৩)।

১৯৬৯ সালের ২০শে জানুয়ারি কারফিউ ভেঙ্গে মিছিল করার সময় কিশোর মতিউর  খুব কাছ থেকে দেখেছিলেন পাক পুলিশের গুলিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী আসাদের শহীদ হওয়ার দৃশ্য~

এরপর রাগ/ক্ষোভ/জেদের বশবর্তী হয়ে অংশ নিতে থাকেন প্রতিটি মিছিলে~

অতঃপর ২৪ শে জানুয়ারি মিছিলকে লক্ষকরে পুলিশের চালানো গুলিতে~ ~ ~

আমার ছেলে "অকিক-বিন-আজিজ"(শতুদ্র) বর্তমানে দশম শ্রেণীর ছাত্র, ভাবতে অবাক লাগে এই বয়সের একটি ছেলের দেশাত্মবোধ ও জাতীয়তাবোধ দেখে~

অথচ উনাদের সর্বোচ্চ ত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া এই দেশে বাসকরে আমরা ঘুষ/দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা বিদেশে পাচার করছি, বাঁশ দিয়ে যাচ্ছি উনাদের জীবনের বিনিময়ে পাওয়া বাংলাদেশকে~

কতটুকু নিমকহারাম ও বেজন্মা হলে এদেশেরই কিছুস্বার্থান্বেষী লোক দেশের জন্য জীবন বিলিয়ে দেয়া এই বাচ্চা ছেলেকেও জামাত/শিবিরের কর্মী হিসেবে প্রচার করতে পারে ? ২০১৮ সালে এই বাচ্চা ছেলেকে সরকার যখন মরোনুত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন এই স্বার্থান্বেষী মহল এরূপ প্রচারণা চালায়। শেষপর্যন্ত প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে সেই সময়ের আন্দোলনে নেতৃত্বদান-কারী তোফায়েল আহমেদ স্যারকে সাক্ষ্য দিয়ে বিষয়টি'র সুরাহা করতে হয়েছিল ?

#বাংলাদেশ; সত্যিই কি তুমি তোমার জন্য জীবন উৎসর্গ কারীদের যথাযথ সম্মান দিতে পারছো??

Comments

Popular posts from this blog

সময়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে ইসলামের ধরন-ধারণ, প্রচার-প্রচারণা ও প্রয়োগিক পদ্ধতিতে কোন পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে কি না ?

 সময়ের সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে তালমিলিয়ে ইসলামের ধরন/ধারণ, প্রচার/প্রচারণা ও পদ্ধতিগত পরিবর্তন হতে পারে বলে আমার অনেক শিক্ষিত বন্ধুরা মনে করে থাকেন, এবিষয়ে আমার জানা ইসলামের আলোকে একান্ত বেক্তিগত মতামত~           আপনি বা আপনারা যদি ইসলামকে সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহ প্রদত্ত ধর্ম বলে বিশ্বাস করে থাকেন ; তাহলে আপনাদের এই ধারণা আল্লাহকে বা সৃষ্টিকর্তাকে ছোট বা খাটো করার নামান্তর। কারণ আল্লাহ এমন একটি সত্তা, যিনি বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির শুরু থেকে কেয়ামত বা ধ্বংস হওয়া পর্যন্ত যা যা ঘটবে, বিজ্ঞানের উন্নতির কারণে যেসব প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আসবে, সে-সব কিছুই তিনি অবগত ছিলেন এবং আছেন। কাজেই সময়ের সাথে বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে যদি ইসলামের ধরন/ধারণ, প্রচার/প্রচারণা ও পদ্ধতিতে পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে বলে সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহ মনে করতেন, তাহলে উনি উনার বার্তাবাহক অর্থাৎ রাসূল মুহম্মদ সা: মারফত তা জানিয়ে দিতেন। উনি ভবিষ্যতের যেসব বিষয়ে মানুষকে অবহিত করার প্রয়োজন মনে করেছেন, মুহম্মদ সা: এর মাধ্যমে তা জানিয়ে দি...

মনের অজান্তেই আমরা গালি দেই কেন ?

 মনের অজান্তেই আমরা গালি দেই কেন ?  ঝগড়ার সময় একে অপরকে আমরা যে গালিগালাজ করি এটা সেরকম কিছু নয়।  ধরুন, পথ চলতে গিয়ে হঠাৎ বেখেয়ালে আপনি একটা তীব্র হোঁচট খেলেন। তখন কী হয়? তীব্র যন্ত্রণাবোধের সাথে সাথেই মুখ থেকেও বেরিয়ে আসে একটা গালি(তোর মায়েরে বাপ~~জাতীয়) অথবা কাপ থেকে হঠাৎ পড়ে গেল কফি বা চা, বারোটা বেজে গেল আপনার জামাকাপড় বা মেঝের এবং সাথে সাথেই - আমাদের মুখ থেকে বেরিয়ে এলো (যাহ শালা~)  অথবা আপনি হয়তো ড্রাইভ করছেন, হটাৎ আরেকটি গাড়ি বিপজ্জনক ভাবে রং সাইড দিয়ে আপনাকে ওভারটেক করলো, সাথে সাথেই আপনার মুখ দিয়ে বেরিয়ে এলো~ ~ এজাতীয় পরিস্থিতিতে মানুষ নিজের অজান্তেই গালি দেয়; কিন্তু কেন ? কারণ গালিটা মুখদিয়ে বের হওয়ার সাথে সাথেই প্রায় যাদুমন্ত্রের মতই - আমরা তাৎক্ষণিক একটা আরাম বোধ করি। তবে সবার ক্ষেত্রেই - এক রকম হবে, তা কিন্তু নয়। কেউ বেশি গালাগালি করে, কেউ বা কম। আবার অতিমাত্রায় খুশি হলেও মানুষ গালি দেয়, এমন লোকও আছে। কিন্তু একথা সত্যি যে, এহেন পরিস্থিতিতে সব ভাষায়, সব সংস্কৃতিতেই মানুষ গালি দেয়~ গালির সংজ্ঞা কী? "গালি জিনিসটা আসলে ঠিক কি, তা নি...

ইসলাম এবং জঙ্গিবাদ

জানতে ইচ্ছে করে~ উপলক্ষ্য; ড: মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপর হামলা। ক্ষুদ্র জ্ঞানে ইসলাম সম্পর্কে যতটুকু জানি তা হলো~ জনাব মুহাম্মদ সা: এর জীবনাচরণ-ই হলো ইসলাম। উনি যা করে দেখিয়েছেন, যা বলে গেছেন, তার নামই ইসলাম। পবিত্র কুরআন হচ্ছে ইসলামের সর্বোচ্চ পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ, এরপর হাদিসের গ্রন্থ সমূহের অবস্থান। পবিত্র কোরআন এর অনেক কিছুই সাধারণ মানুষের জন্য বুঝতে পারাটা বেশ কঠিন বিধায়; বড় বড় ইসলামী দার্শনিক-গণ মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিতে বলেছেন।  উনাদের মতে পবিত্র কোরআন যদি থিওরি হয়, তাহলে মহানবী মুহাম্মদ সা: এর পুরো জীবনটাই হচ্ছে তার ব্যবহারিক প্রয়োগ।  অর্থাৎ পবিত্র কোরআন সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত্ব মতবাদ; আর মুহম্মদ সা: হচ্ছেন সৃষ্টিকর্তার পাঠানো মডেল, যাকে তিনি পুরোটা জীবন পবিত্র কোরআন অনুযায়ী জীবনযাপন করিয়েছেন শুধুমাত্র মানব-জাতিকে শিক্ষা দেয়ার উদ্যেশ্যে ~ বলাহয়, মানব জাতির জন্য এমন কোন বিপদ/আপদ, বালা/মসিবত এবং সমস্যা আসবে না; যার সম্মুখীন মুহম্মদ স:-কে করা হয়নি~ অর্থাৎ চাইলেই মানুষ তার জীবনের যেকোন সমস্যায় বা পরিস্থিতিতে মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে উক্ত সমস্...