Skip to main content

সৃষ্টিকর্তা: তোমার নিয়মে মানুষ চলে ? না কি মানুষের নিয়মে তুমি চল ?

 #সৃষ্টিকর্তা:

তোমার নিয়মে মানুষ চলে ?                                               না কি মানুষের নিয়মে তুমি চল ?


একটি সুন্দর,সমৃদ্ধ ও ছবির মত পরিপাটি দেশ ইউক্রেন লন্ডভন্ড হয়ে যাচ্ছে, একের পর এক সাজানো গোছানো শহর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে। মৃত্যুর কথা না হয় বাদই দিলাম,  ৩০ লাখের উপর মানুষ শরণার্থী বা উদ্বাস্তু হয়েছে, দেশের অভ্যন্তরে  অনুরূপ আরও ৩০ লাখের মতো মানুষ বাস্তুহারা হয়েছে~

 সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে ? একমাত্র তুমি ব্যতীত কেউ জানে না। কারণ তুমিই একমাত্র ভবিষ্যত দ্রষ্টা~

আমরা মানুষেরা ভবিষ্যত দ্রষ্টা না হলেও  অতীত ও বর্তমান দেখতে পাই ~

আমরা অতীতে দেখতে পেয়েছি আমেরিকা ও কয়েকটি দেশের প্রতিশ্রুতি ও আশ্বাস-বাণীতে  "ভলাদিমির জেলেনস্কি" এর মত মূর্খের মূর্খতা ও গোয়ার্তুমি এবং পুতিন তথা রাশিয়া'র বৈশ্বিক প্রভাব বৃদ্ধির মানসিকতা ও নিজেদের নিরাপত্তার কারণে ইউক্রেনীয়দের মত শান্তিপ্রিয় জনগোষ্ঠীর উপর কিভাবে নেমে এসেছে অমানিশার অন্ধকার বা কালো মেঘ!!

সেই সাথে বর্তমান সময়ে দেখতে পাচ্ছি ~ ইউক্রেনের এই দুর্দশাকে কেন্দ্র করে সেই আমেরিকা ও  ইউরোপের দু/একটি দেশ এবং ইসরায়েলের অস্ত্র ব্যবসা তথা অর্থনীতি কি-ভাবে ফুলে-ফেঁপে উঠছে ? 

আমরা জানি ~ দীর্ঘদিন আমেরিকা চাপ দিয়েও জার্মানির সামরিক খাতে ব্যয় বৃদ্ধি করাতে না পারলেও, এই ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর পরই  এই চলতি অর্থবছরের জন্য সামরিক খাতে জার্মানি ১১৩ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত বাজেট ঘোষণা করেছে, যার অধিকাংশ অর্থই আমেরিকা ও ইসরায়েলের অস্ত্রব্যবসায়ীদের মাধ্যমে গিয়ে জমা হবে উক্ত দুই দেশের কোষাগারে।

উল্লেখ্য; এটি জার্মানির নিয়মিত বাৎসরিক সামরিক বাজেটের বহির্ভূত অতিরিক্ত বাজেট। এছাড়াও জার্মানি যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩৫ টি F-35 যুদ্ধ বিমান কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ঠিক অনুরূপ ভাবে এস্তোনিয়া,লিথুয়ানিয়া, পোল্যান্ড, ডেনমার্ক সহ পূর্ব ইউরোপের দেশগুলো আমেরিকার দেখানো জুজু(রাশিয়া)'র ভয়ে সামরিক শক্তি বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে~

অর্থাৎ এসব দেশগুলি বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার মূল্যের অস্ত্র কিনতে যাচ্ছে সামনের দিনগুলিতে, যার অধিকাংশই কেনা হবে আমেরিকা, ইসরায়েল, ব্রিটেন ও ফ্রান্স থেকে~

অর্থাৎ এসব দেশের অস্ত্রক্রয় বাবদ বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার  গিয়ে জমা হবে এই কয়েকটি দেশের কোষাগারে~

ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে~

এখন পর্যন্ত ট্যাঙ্কবিধ্বংসী স্ট্রিংগার মিসাইল উৎপাদনকারী যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান রিথিয়নের শেয়ার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ১৬% এবং লকহিড মার্টিন এর শেয়ার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ৩% এবং ব্রিটেনের অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান "বি_এ_ই" এর শেয়ার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ২৬% ।

অর্থাৎ একজনের সর্বনাশ তো আরেকজনের পৌষমাস~

এছাড়াও ইউক্রেন যুদ্ধের ধুয়া তুলে আমেরিকা সহ ন্যাটো_ভুক্ত দেশ গুলি রাশিয়ার অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গুলির উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেয়ায়, সামনের দিনগুলোতে আমেরিকা সহ উপরোক্ত দেশগুলোর অস্ত্র ব্যবসা  অনেকটাই বৃদ্ধি পাবে~

কারণ বিশ্বের মোট অস্ত্র ব্যবসার ২২% নিয়ন্ত্রণ করত রাশিয়ার অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গুলি। যে সমস্ত দেশ এই প্রতিষ্ঠান গুলির অস্ত্র ক্রয় করতো, তারা এখন বাধ্য হয়েই আমেরিকা ও মিত্রদেশ গুলি থেকে অস্ত্র কিনবে~ 

উল্লেখ্য; ২০১৮ সালেই সরা বিশ্বে অস্ত্র বিক্রি হয়েছিল ৪২ হাজার কোটি ডলার অর্থাৎ ৪২০ বিলিয়ন ডলার মূল্যের, যার ৫৯% যুক্তরাষ্ট্র ও ২০~২২% রাশিয়ার কোম্পানিগুলো বিক্রি করেছিল। 

(এটি বিশ্বের ১০০ টি অস্ত্র উৎপাদক প্রতিষ্ঠানের হিসাব; বাকিদের হিসাব এখানে নেই)

উপরোক্ত পরিসংখ্যান টি উল্লেখ করার কারণ হচ্ছে~ {বর্তমান যুদ্ধপরিস্থিতি ও রাশান অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলির উপরে নিষেধাজ্ঞার কারণে যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্র দেশ গুলোর অস্ত্র ব্যবসা কতটুকু বৃদ্ধি পাবে ~ তার একটি ধারণা নেয়া~}

এমনিতেই আমেরিকা বিশ্বের মোট অস্ত্র ব্যবসার ৫৯% নিয়ন্ত্রণ করে । এখন ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে ইউরোপের দেশ গুলোর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার মূল্যের অতিরিক্ত অস্ত্র ক্রয় এবং রাশিয়ার উপর নিষেধাজ্ঞার কারণে আমেরিকার অস্ত্র ব্যবসা ভবিষ্যতের দিনগুলোতে কোথায় গিয়ে ঠেকবে ~? ~ সৃষ্টিকর্তা তুমি ব্যতীত আমরা কেউ জানি না, কারণ আমরা শুধু অতীত ও বর্তমানকেই দেখতে পাই, ভবিষ্যত নয় !!

শোনা যাচ্ছে~

তোমার পাঠানো করোনা এর কারণে আমেরিকার অর্থনীতি যতটুকু ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে না কি আমেরিকা সেটি পুষিয়ে নিচ্ছে~ অনেকের মতে ক্ষতি পুষিয়ে উঠে উৎবৃত্তও নাকি থাকবে~

এটাও শোনা যাচ্ছে ~

ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর আগেই না কি আমেরিকান অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান গুলি একটি পার্টি দিয়েছিল এবং সেখানে উপস্থিত ছিলেন সব বড় বড় অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের কর্তা ব্যক্তিগণ; আর সে পার্টিতে না কি ঐ সব কর্তা ব্যক্তিরা উৎফুল্ল ছিল এই কারণে যে, সামনে তাদের ব্যবসার ক্ষতি পুষিয়ে ওঠার উপলক্ষ্য তৈরি হতে যাচ্ছে ~ অর্থাৎ আরেকটি যুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হতে যাচ্ছে ~ সেকারণে অস্ত্র ব্যবসাও চাঙ্গা হতে যাচ্ছে ~

হে মহান সৃষ্টিকর্তা ~

তাহলে ইউক্রেন কে ন্যাটো'তে নেয়ার আশ্বাস বাণী, ইউরোপীয় ইউনিয়'নে নেয়ার আশ্বাস বাণী এবং ইউক্রেন প্রেসিডেন্ট "ভলাদিমির জেলেনস্কি" এর 

ন্যাটো/ন্যাটো ও  ইউরোপীয় ইউনিয়ন/ইউরোপীয় ইউনিয়ন বলে জিকির তোলা কি শুধুই কয়েকটি দেশের অস্ত্র ব্যবসা চাঙ্গা করার জন্য ~?~ 

আরও সোজা কোথায় বলা যায়; কয়েকটি দেশের ভঙ্গুর অর্থনীতি ঠিক/ঠাক করার জন্য ~?~

কিছু সংখ্যক দেশের সুবিধার জন্য; কিছুসংখ্যক মানুষের সুবিধার জন্য; এতো সুন্দর ও পরিপাটি একটি দেশ, তথা একটি সমৃদ্ধ জনপদ, তথা কোটি কোটি মানুষের এতো নির্মম পরিণতি ? 


হে মহান সৃষ্টিকর্তা ; আজকের রজনীকে মুসলিম জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ মনে করে ভাগ্য রজনী, অর্থাৎ পরবর্তী এক বছরের জন্য মানুষের ভাগ্য তুমি আজকেই নির্ধারণ করে থাকো বলে অনেকেই বিশ্বাস করে। 

যদিও বিষয়টি নিয়ে মতভেদ আছে, হাদীসের বর্ণনানুসরে আজকের রজনী মুক্তির রজনী; আজকে তুমি সৃষ্টির প্রতি রহমতের দৃষ্টিতে তাকাও; শিরক কারী ব্যতীত কেউই আজকে তোমার রহমত থেকে বিচ্যুত হবে না~

আমরা~ তোমার নাফরমান বান্দা, যারা ইবাদত বন্দেগী তেমন একটা না করলেও তোমাকে মনে/প্রাণে ও যৌক্তিক ভাবে বিশ্বাস করি~

তারা আশাকরি~  আজ রাতের উছিলায় হোক অথবা যে কোন কারনেই হোক নে কেন ? লাখ/লাখ, কোটি/কোটি এই নিরপরাধ মানুষের তুমি সহায় হও, তাদেরকে রক্ষা করো। 

আর যারা দুরভিসন্ধি-মূলক নিজ হীন-স্বার্থে এই যুদ্ধের সূত্রপাত করেছে, তাদেরকে শুভবুদ্ধি দান করো, যাতে ভবিষ্যতে আর এমনটি করতে তারা উদ্বত না হয়~

আর যারা যে উদ্যেশ্যেই এই যুদ্ধের পায়তারা করেছে~      ভবিষ্যতে যদি সেই উদ্যেশ্য হাসিলে তারা সফল হয়;     তাহলে তো আমার মত অধম_দের মনে প্রশ্ন জাগতে_ই পারে যে~

তোমার নিয়মে মানুষ চলে ?                                                     না কি মানুষের নিয়মে তুমি চল ?

Comments

Popular posts from this blog

সময়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে ইসলামের ধরন-ধারণ, প্রচার-প্রচারণা ও প্রয়োগিক পদ্ধতিতে কোন পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে কি না ?

 সময়ের সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে তালমিলিয়ে ইসলামের ধরন/ধারণ, প্রচার/প্রচারণা ও পদ্ধতিগত পরিবর্তন হতে পারে বলে আমার অনেক শিক্ষিত বন্ধুরা মনে করে থাকেন, এবিষয়ে আমার জানা ইসলামের আলোকে একান্ত বেক্তিগত মতামত~           আপনি বা আপনারা যদি ইসলামকে সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহ প্রদত্ত ধর্ম বলে বিশ্বাস করে থাকেন ; তাহলে আপনাদের এই ধারণা আল্লাহকে বা সৃষ্টিকর্তাকে ছোট বা খাটো করার নামান্তর। কারণ আল্লাহ এমন একটি সত্তা, যিনি বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির শুরু থেকে কেয়ামত বা ধ্বংস হওয়া পর্যন্ত যা যা ঘটবে, বিজ্ঞানের উন্নতির কারণে যেসব প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আসবে, সে-সব কিছুই তিনি অবগত ছিলেন এবং আছেন। কাজেই সময়ের সাথে বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে যদি ইসলামের ধরন/ধারণ, প্রচার/প্রচারণা ও পদ্ধতিতে পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে বলে সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহ মনে করতেন, তাহলে উনি উনার বার্তাবাহক অর্থাৎ রাসূল মুহম্মদ সা: মারফত তা জানিয়ে দিতেন। উনি ভবিষ্যতের যেসব বিষয়ে মানুষকে অবহিত করার প্রয়োজন মনে করেছেন, মুহম্মদ সা: এর মাধ্যমে তা জানিয়ে দি...

মনের অজান্তেই আমরা গালি দেই কেন ?

 মনের অজান্তেই আমরা গালি দেই কেন ?  ঝগড়ার সময় একে অপরকে আমরা যে গালিগালাজ করি এটা সেরকম কিছু নয়।  ধরুন, পথ চলতে গিয়ে হঠাৎ বেখেয়ালে আপনি একটা তীব্র হোঁচট খেলেন। তখন কী হয়? তীব্র যন্ত্রণাবোধের সাথে সাথেই মুখ থেকেও বেরিয়ে আসে একটা গালি(তোর মায়েরে বাপ~~জাতীয়) অথবা কাপ থেকে হঠাৎ পড়ে গেল কফি বা চা, বারোটা বেজে গেল আপনার জামাকাপড় বা মেঝের এবং সাথে সাথেই - আমাদের মুখ থেকে বেরিয়ে এলো (যাহ শালা~)  অথবা আপনি হয়তো ড্রাইভ করছেন, হটাৎ আরেকটি গাড়ি বিপজ্জনক ভাবে রং সাইড দিয়ে আপনাকে ওভারটেক করলো, সাথে সাথেই আপনার মুখ দিয়ে বেরিয়ে এলো~ ~ এজাতীয় পরিস্থিতিতে মানুষ নিজের অজান্তেই গালি দেয়; কিন্তু কেন ? কারণ গালিটা মুখদিয়ে বের হওয়ার সাথে সাথেই প্রায় যাদুমন্ত্রের মতই - আমরা তাৎক্ষণিক একটা আরাম বোধ করি। তবে সবার ক্ষেত্রেই - এক রকম হবে, তা কিন্তু নয়। কেউ বেশি গালাগালি করে, কেউ বা কম। আবার অতিমাত্রায় খুশি হলেও মানুষ গালি দেয়, এমন লোকও আছে। কিন্তু একথা সত্যি যে, এহেন পরিস্থিতিতে সব ভাষায়, সব সংস্কৃতিতেই মানুষ গালি দেয়~ গালির সংজ্ঞা কী? "গালি জিনিসটা আসলে ঠিক কি, তা নি...

ইসলাম এবং জঙ্গিবাদ

জানতে ইচ্ছে করে~ উপলক্ষ্য; ড: মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপর হামলা। ক্ষুদ্র জ্ঞানে ইসলাম সম্পর্কে যতটুকু জানি তা হলো~ জনাব মুহাম্মদ সা: এর জীবনাচরণ-ই হলো ইসলাম। উনি যা করে দেখিয়েছেন, যা বলে গেছেন, তার নামই ইসলাম। পবিত্র কুরআন হচ্ছে ইসলামের সর্বোচ্চ পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ, এরপর হাদিসের গ্রন্থ সমূহের অবস্থান। পবিত্র কোরআন এর অনেক কিছুই সাধারণ মানুষের জন্য বুঝতে পারাটা বেশ কঠিন বিধায়; বড় বড় ইসলামী দার্শনিক-গণ মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিতে বলেছেন।  উনাদের মতে পবিত্র কোরআন যদি থিওরি হয়, তাহলে মহানবী মুহাম্মদ সা: এর পুরো জীবনটাই হচ্ছে তার ব্যবহারিক প্রয়োগ।  অর্থাৎ পবিত্র কোরআন সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত্ব মতবাদ; আর মুহম্মদ সা: হচ্ছেন সৃষ্টিকর্তার পাঠানো মডেল, যাকে তিনি পুরোটা জীবন পবিত্র কোরআন অনুযায়ী জীবনযাপন করিয়েছেন শুধুমাত্র মানব-জাতিকে শিক্ষা দেয়ার উদ্যেশ্যে ~ বলাহয়, মানব জাতির জন্য এমন কোন বিপদ/আপদ, বালা/মসিবত এবং সমস্যা আসবে না; যার সম্মুখীন মুহম্মদ স:-কে করা হয়নি~ অর্থাৎ চাইলেই মানুষ তার জীবনের যেকোন সমস্যায় বা পরিস্থিতিতে মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে উক্ত সমস্...