Skip to main content

International_Criminal_Court (ICC) এবং ইউক্রেন সংকট

 প্রসঙ্গ: ইউক্রেন যুদ্ধ

#International_Criminal_Court (ICC)

#আন্তর্জাতিক_অপরাধ_আদালত (আইসিসি)

*** ইউক্রেন ইস্যুতে 'জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংকে'র মত 'আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত' (ICC)-ও কি বিতর্কীত হতে যাচ্ছে ?

সম্প্রতি ইউক্রেনে রাশিয়ার সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের তদন্ত 'দ্রুত শুরু' করতে রাজি হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। আইসিসির প্রসিকিউটর করিম এ খান  বলেন কানাডা ও ফ্রান্সসহ ৩৯ দেশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হতে যাচ্ছে~

            ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংক যেমন শুধুমাত্র পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদেরকে চিহ্নিত করেছে, আমরা আশা করবো ICC তেমনটি করবে না। 

ICC তার নিরপেক্ষতা বজায় রেখে আফগানিস্থান, ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া, ফিলিস্তিনি-সহ সরাবিশ্বে সংগঠিত হওয়া সমস্ত আগ্রাসন ও যুদ্ধের সঠিক তদন্ত চালিয়ে দায়ী ব্যক্তিদের দ্রুতই চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনবে, দায়ী ব্যক্তি যতোই ক্ষমতাধর  হোক না কেন, তার মুখোশ উন্মোচন করবে~ বিশ্ববাসী তেমনটি-ই আশা করে।


জাতিসংঘের মতো শুধু রাশিয়া বিরোধীতায় বিশেষ অধিবেশন ডাকার মতোকরে ICC শুধু রাশিয়া বা পুতিন বিরোধিতায় বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করবে ~ ইউরোপ ও আমেরিকা তেমনটি দেখতে চাইলেও বিশ্ববাসী এটা দেখতে চায় না ।


#উল্লেখ্য; মার্কিন প্রেসিডেন্ট 'বিল ক্লিনটন' এই আদালতকে স্বীকৃতি দিয়ে রোম-নীতিমালা'য় সাক্ষর করলেও পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ তা প্রত্যাহার করে নেয়। 

মূলতঃ জর্জ বুশ জেনে বুঝেই এই আদালতের স্বীকৃতি প্রত্যাহার করে নেন, কারণ তিনি যে ইরাক, সিরিয়া, ফিলিস্তিন সহ বিশ্বব্যাপী যুদ্ধাপরাধ করবেন~ সেটি ছিল পূর্ব পরিকল্পিত। সেক্ষেত্রে এই আদালত কখনো যদি তদন্ত সাপেক্ষে উনি-সহ সংশ্লিষ্টদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসে, তখন যুক্তরাষ্ট্র (এই আদালত কে স্বীকৃতি দিলে) সে রায় মেনে তা কার্যকর করতে নীতিগতভাবে বাধ্য থাকবে। 

মূলতঃ এই আশঙ্কায় "মি: বুশ" সুপরিকল্পিত ভাবে ICC কে দেয়া "ক্লিনটন প্রশাসনে'র স্বীকৃতি প্রত্যাহার করে নেয়।

সেক্ষেত্রে ইউক্রেন যুদ্ধের তদন্তের পূর্বে ইরাক/সিরিয়া/ফিলিস্তিন সহ পূর্বে সংগঠিত হওয়া অপরাধ সমূহের আগে তদন্ত ও বিচার হওয়া দরকার, তাহলেই কেবল ICC এর এই উদ্যোগ বিশ্ববাসীর কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে। অন্যথায় ন্যাটো/জাতিসংঘ/বিশ্বব্যাংকের মত আইসিসিও পশ্চিমা সংস্থা হিসেবে বাকি বিশ্বের কাছে ঘৃণিত হবে~


প্রসঙ্গ: ইউক্রেন যুদ্ধ

#International_Criminal_Court (ICC)

#আন্তর্জাতিক_অপরাধ_আদালত (আইসিসি)

*** ইউক্রেন ইস্যুতে 'জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংকে'র মত 'আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত' (ICC)-ও কি বিতর্কীত হতে যাচ্ছে ?

সম্প্রতি ইউক্রেনে রাশিয়ার সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের তদন্ত 'দ্রুত শুরু' করতে রাজি হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। আইসিসির প্রসিকিউটর করিম এ খান  বলেন কানাডা ও ফ্রান্সসহ ৩৯ দেশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হতে যাচ্ছে~

            ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংক যেমন শুধুমাত্র পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদেরকে চিহ্নিত করেছে, আমরা আশা করবো ICC তেমনটি করবে না। 

ICC তার নিরপেক্ষতা বজায় রেখে আফগানিস্থান, ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া, ফিলিস্তিনি-সহ সরাবিশ্বে সংগঠিত হওয়া সমস্ত আগ্রাসন ও যুদ্ধের সঠিক তদন্ত চালিয়ে দায়ী ব্যক্তিদের দ্রুতই চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনবে, দায়ী ব্যক্তি যতোই ক্ষমতাধর  হোক না কেন, তার মুখোশ উন্মোচন করবে~ বিশ্ববাসী তেমনটি-ই আশা করে।


জাতিসংঘের মতো শুধু রাশিয়া বিরোধীতায় বিশেষ অধিবেশন ডাকার মতোকরে ICC শুধু রাশিয়া বা পুতিন বিরোধিতায় বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করবে ~ ইউরোপ ও আমেরিকা তেমনটি দেখতে চাইলেও বিশ্ববাসী এটা দেখতে চায় না ।


#উল্লেখ্য; মার্কিন প্রেসিডেন্ট 'বিল ক্লিনটন' এই আদালতকে স্বীকৃতি দিয়ে রোম-নীতিমালা'য় সাক্ষর করলেও পরবর্তী মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ তা প্রত্যাহার করে নেয়। 

মূলতঃ জর্জ বুশ জেনে বুঝেই এই আদালতের স্বীকৃতি প্রত্যাহার করে নেন, কারণ তিনি যে ইরাক, সিরিয়া, ফিলিস্তিন সহ বিশ্বব্যাপী যুদ্ধাপরাধ করবেন~ সেটি ছিল পূর্ব পরিকল্পিত। সেক্ষেত্রে এই আদালত কখনো যদি তদন্ত সাপেক্ষে উনি-সহ সংশ্লিষ্টদের বিচারের আওতায় নিয়ে আসে, তখন যুক্তরাষ্ট্র (এই আদালত কে স্বীকৃতি দিলে) সে রায় মেনে তা কার্যকর করতে নীতিগতভাবে বাধ্য থাকবে। 

মূলতঃ এই আশঙ্কায় "মি: বুশ" সুপরিকল্পিত ভাবে ICC কে দেয়া "ক্লিনটন প্রশাসনে'র স্বীকৃতি প্রত্যাহার করে নেয়।

সেক্ষেত্রে ইউক্রেন যুদ্ধের তদন্তের পূর্বে ইরাক/সিরিয়া/ফিলিস্তিন সহ পূর্বে সংগঠিত হওয়া অপরাধ সমূহের আগে তদন্ত ও বিচার হওয়া দরকার, তাহলেই কেবল ICC এর এই উদ্যোগ বিশ্ববাসীর কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে। অন্যথায় ন্যাটো/জাতিসংঘ/বিশ্বব্যাংকের মত আইসিসিও পশ্চিমা সংস্থা হিসেবে বাকি বিশ্বের কাছে ঘৃণিত হবে~

আশার কথা প্রতিষ্ঠার পর থেকে আইসিসি এ পর্যন্ত ৩৬ জনকে বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত করেছে। এদের মধ্যে রয়েছে উগান্ডার বিদ্রোহী নেতা জোশেফ কোনি, সুদানের প্রেসিডেন্ট ওমর আল-বশির, কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উহুরু কেনিয়াত্তা, লিবিয়ার প্রয়াত নেতা মুয়াম্মার আল-গাদ্দাফি ও আইভরি কোস্টের প্রেসিডেন্ট লরেন্ট জিবাগবো।

এছাড়াও~

রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর গণহত্যা চালানোর অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে শুনানি শুরু হয়েছে। গণহত্যার অভিযোগে ওআইআসির সহায়তায় পশ্চিম আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া এর অভিযোগের ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এই শুনানি শুরু করে।

বাংলাদেশ চাচ্ছে এই শুনানি বাংলাদেশে হোক, সেক্ষেত্রে আইসিসি কে বাংলাদেশে একটি আদালত প্রতিষ্ঠা করতে হবে, আমরা আশাকরি আইসিসি বাংলাদেশের এই ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটাবে।


তাছাড়া পশ্চিম তীর, গাজা উপত্যকা ও পূর্ব জেরুজালেমে ইসরাইল ও হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তদন্ত চালুর  সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইসিসি ।

২০১৯ সালে আইসিসির প্রধান প্রসিকিউটর 'ফাতৌ বেনসুদা' ফিলিস্তিনের পরিস্থিতি নিয়ে এক তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন ICC তে। 

মূলতঃ সেই তদন্তের ভিত্তিতে ICC ফিলিস্তিনে যুদ্ধাপরাধের বিষয়টি আমলে নিয়েছে।

 ২-১ ভোটে আইসিসি তে পাস হয়। হাঙ্গেরির বিচারপতি পিটার কোভ্যাকস রায়ের বিপক্ষে ভোট দেন। যথারীতি ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ইসরাইলি হামলার ঘটনায় ন্যায় বিচার পাওয়ার আশা জুগিয়েছে বিষয়টি । পক্ষান্তরে বিষয়টি 'ইহুদিবিরোধী' বলে আখ্যা দিয়েছে ইসরাইল ।  এছাড়াও ইসরাইল আইসিসি কে একটি 'রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান', হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেছে, এটি কোন বিচারিক আদলোদ নয়। 

অপরাধী কখনোই নিজের অপরাধ স্বীকার করে না, তাছাড়া অপরাধীর কাজই হচ্ছে বিচার ব্যবস্থায় বিঘ্ন সৃষ্টি করা, কাজেই ইসরায়েল যে এক্ষেত্রে বাধার সৃষ্টি করবে তাতে কোনোই সন্দেহ নাই।

এতসব বাধাবিঘ্ন উত্রিয়ে আইসিসি যদি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আলোড়ন সৃষ্টিকারী এসব রাষ্ট্রীয় অপরাধের বিচার সম্পন্ন করতে পারে, তবেই আইসিসি বিশ্বব্যাপী গ্রহণযোগ্যতা পাবে । আর যদি শুধুমাত্র পশ্চিমাদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আইসিসি মাথা ঘামায় তাহলে গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে~


উল্লেখ্য; ১৯৯৭ সালের ১৭ জুলাই রোম নীতিমালা গৃহীত হয়। রোম নীতিমালা হল আন্তর্জাতিক ফৌজদারী আদালতের মূল ভিত্তি।এ নীতিমালা অনুযায়ী আন্তর্জাতিক আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।একটি অব্যর্থ প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯৮ সালের ১৫ জুন থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত ইতালির রোম নগরে সমগ্র বিশ্বের ১২০টি দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি কুটনীতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং ১২০-৭ ভোটের বিপূল ব্যবধানে আন্তর্জাতিক ফৌজদারী আদালত সংবিধি বা রোম সংবিধি গৃহীত হওয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয় তবে রোম নীতিমালা কার্যক্রম করতে ১২০টি দেশের স্বীকৃতির প্রয়োজন ছিল। ১২০ দেশের স্বীকৃতির পর ২০০২ সালে ১ জুলাই থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত তার কার্যক্রম শুরু করে।

Comments

Popular posts from this blog

সময়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে ইসলামের ধরন-ধারণ, প্রচার-প্রচারণা ও প্রয়োগিক পদ্ধতিতে কোন পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে কি না ?

 সময়ের সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে তালমিলিয়ে ইসলামের ধরন/ধারণ, প্রচার/প্রচারণা ও পদ্ধতিগত পরিবর্তন হতে পারে বলে আমার অনেক শিক্ষিত বন্ধুরা মনে করে থাকেন, এবিষয়ে আমার জানা ইসলামের আলোকে একান্ত বেক্তিগত মতামত~           আপনি বা আপনারা যদি ইসলামকে সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহ প্রদত্ত ধর্ম বলে বিশ্বাস করে থাকেন ; তাহলে আপনাদের এই ধারণা আল্লাহকে বা সৃষ্টিকর্তাকে ছোট বা খাটো করার নামান্তর। কারণ আল্লাহ এমন একটি সত্তা, যিনি বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির শুরু থেকে কেয়ামত বা ধ্বংস হওয়া পর্যন্ত যা যা ঘটবে, বিজ্ঞানের উন্নতির কারণে যেসব প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আসবে, সে-সব কিছুই তিনি অবগত ছিলেন এবং আছেন। কাজেই সময়ের সাথে বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে যদি ইসলামের ধরন/ধারণ, প্রচার/প্রচারণা ও পদ্ধতিতে পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে বলে সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহ মনে করতেন, তাহলে উনি উনার বার্তাবাহক অর্থাৎ রাসূল মুহম্মদ সা: মারফত তা জানিয়ে দিতেন। উনি ভবিষ্যতের যেসব বিষয়ে মানুষকে অবহিত করার প্রয়োজন মনে করেছেন, মুহম্মদ সা: এর মাধ্যমে তা জানিয়ে দি...

মনের অজান্তেই আমরা গালি দেই কেন ?

 মনের অজান্তেই আমরা গালি দেই কেন ?  ঝগড়ার সময় একে অপরকে আমরা যে গালিগালাজ করি এটা সেরকম কিছু নয়।  ধরুন, পথ চলতে গিয়ে হঠাৎ বেখেয়ালে আপনি একটা তীব্র হোঁচট খেলেন। তখন কী হয়? তীব্র যন্ত্রণাবোধের সাথে সাথেই মুখ থেকেও বেরিয়ে আসে একটা গালি(তোর মায়েরে বাপ~~জাতীয়) অথবা কাপ থেকে হঠাৎ পড়ে গেল কফি বা চা, বারোটা বেজে গেল আপনার জামাকাপড় বা মেঝের এবং সাথে সাথেই - আমাদের মুখ থেকে বেরিয়ে এলো (যাহ শালা~)  অথবা আপনি হয়তো ড্রাইভ করছেন, হটাৎ আরেকটি গাড়ি বিপজ্জনক ভাবে রং সাইড দিয়ে আপনাকে ওভারটেক করলো, সাথে সাথেই আপনার মুখ দিয়ে বেরিয়ে এলো~ ~ এজাতীয় পরিস্থিতিতে মানুষ নিজের অজান্তেই গালি দেয়; কিন্তু কেন ? কারণ গালিটা মুখদিয়ে বের হওয়ার সাথে সাথেই প্রায় যাদুমন্ত্রের মতই - আমরা তাৎক্ষণিক একটা আরাম বোধ করি। তবে সবার ক্ষেত্রেই - এক রকম হবে, তা কিন্তু নয়। কেউ বেশি গালাগালি করে, কেউ বা কম। আবার অতিমাত্রায় খুশি হলেও মানুষ গালি দেয়, এমন লোকও আছে। কিন্তু একথা সত্যি যে, এহেন পরিস্থিতিতে সব ভাষায়, সব সংস্কৃতিতেই মানুষ গালি দেয়~ গালির সংজ্ঞা কী? "গালি জিনিসটা আসলে ঠিক কি, তা নি...

ইসলাম এবং জঙ্গিবাদ

জানতে ইচ্ছে করে~ উপলক্ষ্য; ড: মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপর হামলা। ক্ষুদ্র জ্ঞানে ইসলাম সম্পর্কে যতটুকু জানি তা হলো~ জনাব মুহাম্মদ সা: এর জীবনাচরণ-ই হলো ইসলাম। উনি যা করে দেখিয়েছেন, যা বলে গেছেন, তার নামই ইসলাম। পবিত্র কুরআন হচ্ছে ইসলামের সর্বোচ্চ পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ, এরপর হাদিসের গ্রন্থ সমূহের অবস্থান। পবিত্র কোরআন এর অনেক কিছুই সাধারণ মানুষের জন্য বুঝতে পারাটা বেশ কঠিন বিধায়; বড় বড় ইসলামী দার্শনিক-গণ মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিতে বলেছেন।  উনাদের মতে পবিত্র কোরআন যদি থিওরি হয়, তাহলে মহানবী মুহাম্মদ সা: এর পুরো জীবনটাই হচ্ছে তার ব্যবহারিক প্রয়োগ।  অর্থাৎ পবিত্র কোরআন সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত্ব মতবাদ; আর মুহম্মদ সা: হচ্ছেন সৃষ্টিকর্তার পাঠানো মডেল, যাকে তিনি পুরোটা জীবন পবিত্র কোরআন অনুযায়ী জীবনযাপন করিয়েছেন শুধুমাত্র মানব-জাতিকে শিক্ষা দেয়ার উদ্যেশ্যে ~ বলাহয়, মানব জাতির জন্য এমন কোন বিপদ/আপদ, বালা/মসিবত এবং সমস্যা আসবে না; যার সম্মুখীন মুহম্মদ স:-কে করা হয়নি~ অর্থাৎ চাইলেই মানুষ তার জীবনের যেকোন সমস্যায় বা পরিস্থিতিতে মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে উক্ত সমস্...