Skip to main content

No Fly Zone

 ‘নো-ফ্লাই জোন’ কী, ভোলদেমির জেলেনোস্কি কেন বার বার ‘নো-ফ্লাই জোন’ এর দাবী জানাচ্ছে ন্যাটোর কাছে এবং কেন ন্যাটো তা বার বার প্রত্যাখ্যান করছে?


কোন যুদ্ধ চলার সময় যখন কোন নির্দিষ্ট আকাশ সীমায় নো-ফ্লাই জোন ঘোষণা করা হয়, তার মানে হলো সেখানে সব ধরনের বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়। এর ফলে কোন বিমান হামলা চালাতে বা নজরদারি করতে পারে না। কিন্তু এ ধরনের এলাকা ঘোষণা করা হলে সেটি সামরিকভাবেই কার্যকর করা হয়ে থাকে।


ইউক্রেনের আকাশ-সীমায় যদি ন্যাটো 'নো-ফ্লাই জোন' ঘোষণা করে, তার মানে হলো, সেখানকার আকাশে রাশিয়ার কোন বিমান দেখা গেলে গুলি করে ভূপাতিত করতে হবে। এরপর ফলে রাশিয়ার সৈন্যদের সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর যুদ্ধ শুরু হয়ে যাবে। 


ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলদেমির জেলেনস্কি বারবার ইউক্রেনের আকাশে নো-ফ্লাই জোন জারি করার জন্য অনুরোধ জানিয়ে আসছেন। যদিও তা বারবার প্রত্যাখ্যান করেছে ন্যাটো।

সত্যিকথা বলতে কি ? ভলদেমির জেলেনোষ্কি তার ইহুদি বুদ্ধি খাটিয়েছেন এখানে। তিনি বোকার মত ভেবেছিলেন যে ইউক্রেন আক্রান্ত হলে ন্যাটো বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন এগিয়ে আসবে তাদের সাহায্যে। বাস্তবে তা ঘটে নি। এখন ‘নো-ফ্লাই জোন’ ঘোষণার মাধ্যমে ইউরোপ কে যুদ্ধে টানতে চাচ্ছে ভলদেমীর জেলেনস্কি।


এদিকে ইউক্রেনের আকাশ সীমানা নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন পুতিন। ইউক্রেনের আকাশ সীমায় কোনো দেশ বিমান চলাচল নিষিদ্ধ করলে তা হবে এই যুদ্ধে যোগদানের সামিল বলে জানিয়েছেন তিনি।


পুতিন জানান, নো-ফ্লাই জোন গঠনের কারণে রাশিয়ার জন্য কোনো হুমকি দেখা দিলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রেসিডেন্ট পুতিন সুস্পষ্ট করে বলেন, নো-ফ্লাই জোন গঠনের ফলাফল শুধু ইউরোপের জন্য বিপর্যয়কর হবে না বরং সারা বিশ্বের জন্য তা বিপদ ডেকে আনবে

Comments

Popular posts from this blog

সময়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে ইসলামের ধরন-ধারণ, প্রচার-প্রচারণা ও প্রয়োগিক পদ্ধতিতে কোন পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে কি না ?

 সময়ের সাথে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে তালমিলিয়ে ইসলামের ধরন/ধারণ, প্রচার/প্রচারণা ও পদ্ধতিগত পরিবর্তন হতে পারে বলে আমার অনেক শিক্ষিত বন্ধুরা মনে করে থাকেন, এবিষয়ে আমার জানা ইসলামের আলোকে একান্ত বেক্তিগত মতামত~           আপনি বা আপনারা যদি ইসলামকে সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহ প্রদত্ত ধর্ম বলে বিশ্বাস করে থাকেন ; তাহলে আপনাদের এই ধারণা আল্লাহকে বা সৃষ্টিকর্তাকে ছোট বা খাটো করার নামান্তর। কারণ আল্লাহ এমন একটি সত্তা, যিনি বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টির শুরু থেকে কেয়ামত বা ধ্বংস হওয়া পর্যন্ত যা যা ঘটবে, বিজ্ঞানের উন্নতির কারণে যেসব প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আসবে, সে-সব কিছুই তিনি অবগত ছিলেন এবং আছেন। কাজেই সময়ের সাথে বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে যদি ইসলামের ধরন/ধারণ, প্রচার/প্রচারণা ও পদ্ধতিতে পরিবর্তনের প্রয়োজন আছে বলে সৃষ্টিকর্তা বা আল্লাহ মনে করতেন, তাহলে উনি উনার বার্তাবাহক অর্থাৎ রাসূল মুহম্মদ সা: মারফত তা জানিয়ে দিতেন। উনি ভবিষ্যতের যেসব বিষয়ে মানুষকে অবহিত করার প্রয়োজন মনে করেছেন, মুহম্মদ সা: এর মাধ্যমে তা জানিয়ে দি...

মনের অজান্তেই আমরা গালি দেই কেন ?

 মনের অজান্তেই আমরা গালি দেই কেন ?  ঝগড়ার সময় একে অপরকে আমরা যে গালিগালাজ করি এটা সেরকম কিছু নয়।  ধরুন, পথ চলতে গিয়ে হঠাৎ বেখেয়ালে আপনি একটা তীব্র হোঁচট খেলেন। তখন কী হয়? তীব্র যন্ত্রণাবোধের সাথে সাথেই মুখ থেকেও বেরিয়ে আসে একটা গালি(তোর মায়েরে বাপ~~জাতীয়) অথবা কাপ থেকে হঠাৎ পড়ে গেল কফি বা চা, বারোটা বেজে গেল আপনার জামাকাপড় বা মেঝের এবং সাথে সাথেই - আমাদের মুখ থেকে বেরিয়ে এলো (যাহ শালা~)  অথবা আপনি হয়তো ড্রাইভ করছেন, হটাৎ আরেকটি গাড়ি বিপজ্জনক ভাবে রং সাইড দিয়ে আপনাকে ওভারটেক করলো, সাথে সাথেই আপনার মুখ দিয়ে বেরিয়ে এলো~ ~ এজাতীয় পরিস্থিতিতে মানুষ নিজের অজান্তেই গালি দেয়; কিন্তু কেন ? কারণ গালিটা মুখদিয়ে বের হওয়ার সাথে সাথেই প্রায় যাদুমন্ত্রের মতই - আমরা তাৎক্ষণিক একটা আরাম বোধ করি। তবে সবার ক্ষেত্রেই - এক রকম হবে, তা কিন্তু নয়। কেউ বেশি গালাগালি করে, কেউ বা কম। আবার অতিমাত্রায় খুশি হলেও মানুষ গালি দেয়, এমন লোকও আছে। কিন্তু একথা সত্যি যে, এহেন পরিস্থিতিতে সব ভাষায়, সব সংস্কৃতিতেই মানুষ গালি দেয়~ গালির সংজ্ঞা কী? "গালি জিনিসটা আসলে ঠিক কি, তা নি...

ইসলাম এবং জঙ্গিবাদ

জানতে ইচ্ছে করে~ উপলক্ষ্য; ড: মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপর হামলা। ক্ষুদ্র জ্ঞানে ইসলাম সম্পর্কে যতটুকু জানি তা হলো~ জনাব মুহাম্মদ সা: এর জীবনাচরণ-ই হলো ইসলাম। উনি যা করে দেখিয়েছেন, যা বলে গেছেন, তার নামই ইসলাম। পবিত্র কুরআন হচ্ছে ইসলামের সর্বোচ্চ পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ, এরপর হাদিসের গ্রন্থ সমূহের অবস্থান। পবিত্র কোরআন এর অনেক কিছুই সাধারণ মানুষের জন্য বুঝতে পারাটা বেশ কঠিন বিধায়; বড় বড় ইসলামী দার্শনিক-গণ মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিতে বলেছেন।  উনাদের মতে পবিত্র কোরআন যদি থিওরি হয়, তাহলে মহানবী মুহাম্মদ সা: এর পুরো জীবনটাই হচ্ছে তার ব্যবহারিক প্রয়োগ।  অর্থাৎ পবিত্র কোরআন সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত্ব মতবাদ; আর মুহম্মদ সা: হচ্ছেন সৃষ্টিকর্তার পাঠানো মডেল, যাকে তিনি পুরোটা জীবন পবিত্র কোরআন অনুযায়ী জীবনযাপন করিয়েছেন শুধুমাত্র মানব-জাতিকে শিক্ষা দেয়ার উদ্যেশ্যে ~ বলাহয়, মানব জাতির জন্য এমন কোন বিপদ/আপদ, বালা/মসিবত এবং সমস্যা আসবে না; যার সম্মুখীন মুহম্মদ স:-কে করা হয়নি~ অর্থাৎ চাইলেই মানুষ তার জীবনের যেকোন সমস্যায় বা পরিস্থিতিতে মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে উক্ত সমস্...