Skip to main content

BIT গুলো ইউনিভার্সিটি হওয়ার ইতিহাস

 #এ_এক_অনবদ্য_ইতিহাস: 

* বাংলাদেশের ৪ টি ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট (BIT) এর বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের ইতিহাস~

* BIT Ctg, BIT Rajshahi, BIT Khulna & BIT Dhaka এর CUET, RUET, KUET & DUET এ রূপান্তরের ইতিহাস~

* শুরুটা হয়েছিল দেশের একটি বড় "গ্রুপ-অফ-কোম্পানি"তে কয়েকজন প্রকৌশলী নিয়োগের জন্য পত্রিকায় প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিকে কেন্দ্র করে~

শর্ত ছিল শুধুমাত্র BUET হতে পাশ করা প্রকৌশলীরা এপ্লাই করতে পারবে। তাৎক্ষণিক ভাবে BIT Ctg এর ছাত্রলীগ প্রতিবাদে ফেটে পরে; বিক্ষোভের ডাক দেয় ছাত্রলীগ । কিছুদিন পর সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা ছিল, দলমত নির্বিশেষে সমস্ত ছাত্রছাত্রী পড়ার টেবিল ছেড়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিক্ষোভে অংশ নেয়। শুরু হয় তুমুল আন্দোলন, বলাযায় সে এক অসহযোগ আন্দোলন। 

যেহেতু BIT ctg শহর থেকে অনেক দূরে রাউজানে অবস্থিত, কাজেই মিডিয়ার নজরে আনার জন্য সিদ্ধান্ত হয় শহরে গিয়ে মিটিং মিছিলের; আরও সিদ্ধান্ত হয় আমরা আর BIT তে পড়াশুনা করবো না, যতদিন না BIT গুলো বিশ্ববিদ্যালয় না হবে, ততদিন আমরা কেউ পড়ার টেবিলে ফিরবো না। তৎকালীন ক্যাম্পাসে ছাত্র দলের কমিটি ছিলনা, কিন্তু ছাত্র ইউনিয়ন এর কমিটি ছিল। আমাদের সাথে ছাত্র ইউনিয়ন যুগুৎপত আন্দোলনে শরিক ছিল। এছাড়াও দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তন  এবং দীর্ঘ মেয়াদী আন্দোলনের কারণে একসময় BIT ছাত্রদলও এই আন্দোলনকে একইভাবে গতিশীল রেখেছে।

* ধন্যবাদ জানাই সেই সময়ের সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের, যারা সপ্রনদিত হয়ে নিজ উদ্যোগে শহরে গিয়ে মিটিং মিছিলে অংশ নিয়েছিল, এমন কি ঢাকায় এসেও যারা মানব বন্ধনে শরিক হয়েছিল।

* ধন্যবাদ জানাই সাকি কাওছার ভাই এর নেতৃত্বে যেসব শিক্ষক আমাদের আন্দোলনে একাত্মতা পোষণ করে বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছিল।

* ধন্যবাদ জানাই Mohammad Al-Amin সহ ১০১ সদস্য বিশিষ্ঠ "প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ" সকল সদস্যদের কে।

উল্লেখ্য; কয়েকমাস (৫/৬ মাস ক্লাস বন্ধ কিন্তু ক্যাম্পাস খোলা রেখে ) BIT Ctg  ছাত্রলীগের সরাসরি নেতৃত্বে আন্দোলন পরিচালিত হলেও; অন্যান্য BIT গুলো আন্দোলনে সেভাবে শরিক হচ্ছিল না, কারণ সেসব ক্যাম্পাসে অন্য রাজনৈতিক মতাবলম্বীরা নেতৃত্বের আসনে ছিল। 

অতঃপর আমরা ছাত্রলীগ থেকে সিদ্ধান্ত নেই আন্দোলনকে নন-পলিটিক্যাল কালার দেয়ার~ তৎকালীন ৯৫ ব্যাচ সিভিল এর ফার্স্ট বয় "আল-আমিন" কে আহবায়ক করে ১০১ সদস্যের 

"প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ" গঠন করে আমি "শাহ মো: আজিজ মিশির সেলিম" (তৎকালীন BIT ছাত্রলীগ সভাপতি)  এবং রাজিব বড়ূয়া (তৎকালীন ছাত্রলীগ সা: সম্পাদক) যথাক্রমে প্রধান সমন্বয়কারী ও সদস্য সচিব হিসেবে থেকে যাই।

(বি দ্রঃ বিভিন্ন পোস্ট হতে সংগৃহীত হাতে লেখা উক্ত কমিটির নথি সংযোজিত হলো)। 

আমরা এই কমিটিতে ভিন্নমতাবলম্বী অনেককেই বিভিন্ন পদে পদায়ন করলেও অধিকাংশ পদে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দই পদাধিকারী থেকে যায়। এখানে সকলের নাম উল্লেখ করা সম্ভব নয়; দেখতে চাইলে অনুগ্রহ করে অ্যাটাচমেন্ট থেকে দেখে নিন। আমি ভ্রান্তি হরণ রায়ের নাম উল্লেখ করছি কারণ পদে না থেকেও প্রচার প্রচারণায় যথেষ্ঠ ভূমিকা রেখেছিল ভ্রান্তি। এছাড়াও যারা নিজ উদ্যোগে সব সময় এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে এসেছে তাদের মধ্যে ফারজানা ওয়াদুদ মুন্না ৯৬, শাহজাহান ৯৬, পারভেজ ৯৬, জনি ৯৬, জাহাঙ্গীর ৯৬, আলম ৯৭, নঈম ৯৭, লিটন ব্যানার্জি ৯৭, শফিউল আজম ৯৭,  আরিফুল হক শিপু৯৭, মঞ্জুর মোর্শেদ, সাজ্জাদুল ইসলাম, ইন্দ্রজিৎ কর্মকার, মনসুর, নুর হোসেন আল কাদেরী ওরফে তমাল সহ অনেকেই এই আন্দোলনের চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। এছাড়াও পাশ করে গিয়েও চন্দন দা, রিমন, ডিমপু সহ অনেক ছাত্র নেতৃবৃন্দ এই আন্দোলনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল, বিশেষ করে আমাদের নেতা প্রয়াত: জাহাঙ্গীর সাত্তার টিংকু ভাইয়ের নাম উচ্চারণ না করলে অন্যায় করা হবে। 

উল্লেখ্য; BIT কে বিশ্ববিদ্যালয় করার আন্দোলনে পর্যায়ক্রমিক ভাবে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি সরকারের অনেক নেতা ও পদাধিকারী সহায়তা করেছেন।

(আমি দুঃখিত যে, আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া অনেক ছাত্র নেতাদের নাম যেমন  উল্লেখ করতে পারিনি তেমনই এসমস্ত নেতা ও সরকারী পদাধিকারী দের নামও উল্লেখ্য করলাম না এখানে।)


অতঃপর আল আমিনের নেতৃত্বে এই কমিটিকে সামনে দিয়ে আমরা পিছন থেকে আন্দোলন পরিচালনা করা শুরু করলে রাজশাহী ও খুলনা BIT এই আন্দোলনে যোগ দেয়, তারাও BIT এর অধীনে ক্লাস বর্জনের ডাক দেয় । 


বি দ্রঃ সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, রাজশাহী ও খুলনা BIT ক্লাস বর্জন করার ৫/৬ মাস আগে থেকেই  ছাত্রলীগ এর নেতৃত্বে  সকল ছাত্রছাত্রী চট্টগ্রাম BiT তে ক্লাস বন্ধ করে দিয়েছিল~


* ধন্যবাদ জানাই রাজশাহী ও খুলনা BIT এর নেতৃবৃন্দ ও আন্দোলনে অংশ নেয়া সকল ছাত্র ছাত্রীদের কে। উনাদের নিকট থাকা আন্দোলনের ছবি ও দলিলাদী আমাদের সাথে শেয়ার করলে কৃতজ্ঞ থাকবো।


* সবথেকে দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে ; Cuet এর একজন শিক্ষক কয়েকজন জুনিয়র ছাত্র, যারা হয়তো  এই আন্দোলনের সহযোদ্ধা নয়, এমনকি প্রত্যক্ষদর্শীও নয়, এমন কয়েকজন জুনিয়র ছাত্রকে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলনের ইতিহাস লিখিয়েছেন, যেখানে আমাদের কারও কোন অবদানের কথা উল্লেখ নেই, এমন কি ছাত্রলীগ নামটিকেও স্মরণ করা হয়নি। সাধারণ ছাত্রছাত্রীদের অবদানের কথাও সেভাবে স্বীকার করা হয় নি। পুরো ইতিহাস জুড়ে তুলে ধরা হয়েছে উক্ত শিক্ষকের নাম____ । 

উল্লেখ্য; সেসময় উক্ত শিক্ষক জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে BIT তে সবেমাত্র যোগদান করেছিল। তাছাড়া শিক্ষক কি কখনও ছাত্র আন্দোলনের ডাক দিতে পারে ? ছাত্রঃ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে পারে ? ছাত্রঃ আন্দোলনের নেতা হতে পারে ? টানা মাসের পর মাস কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার নেতৃত্ব কি কোন শিক্ষক দিতে পারে ? উনি কি কখনও কোন মিছিলের অর্গানাইজ করেছেন ? উনি কি সারাদিন না খেয়ে ছাত্রছাত্রীদের মিছিল নিয়ে চট্টগ্রামের রাস্তায় রাস্তায় মিছিলে নেতৃত্ব দিয়ে  বেড়িয়েছেন ? উনি কি কখনও সরকারের উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ করে BIT কে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরে কোন তদবির করেছেন; এমন কি জামিলুর রেজা স্যার সহ BIT কাউন্সিলের সাথে দফায় দফায় মিটিং এ উনি উপস্থিত ছিলেন? না কি ছাত্র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন ? কিন্তু এই আন্দোলনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এই কাজগুলো বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ছাত্র নেতৃবৃন্দকেই করতে হয়েছে।


আমরা উক্ত ছেলেদের মধ্যে হতে একজনের সাথে কথা বলেছি, সে বর্তমানে দেশের বাহিরে উচ্চ শিক্ষার্থে আছে, সে বলেছে তাদেরকে যেভাবে ইনস্ট্রাকশন দেয়া হয়েছে সেভাবেই তারা লিখেছে~

সে দেশে ফিরলে অবশ্যই অন্যদের সাথে কথা বলে  উক্ত শিক্ষক সহ সংশ্লিষ্ঠ সকলের মুখোমুখি হবো আমরা। 

জানতে চাইবো কয়টি মিছিল মিটিং এর অর্গাইজ করেছিলেন? 

কয়টি মিছিলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন?

ঢাকা ও চট্টগ্রামের কয়টি মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন ?

মাসের পর মাস cuet বন্ধ রেখে সরকার ও BIT কাউন্সিলের উপর চাপ তৈরি করেছিল করা ? 

প্রয়াত জামিলুর রেজা স্যার সহ BIT কাউন্সিলের সাথে কয়টি মিটিং এ অংশ নিয়েছিলেন ?

আরও অনেক কিছুই জানতে চাইবো, আমরাও জানাবো, ছবি/ডকুমেন্টস দেখবো/দেখতে চাইবো~~

তবে আমাদের স্বীকার করতে বাধা নেই যে, উক্ত শিক্ষক সহ শিক্ষকদের একটি অংশ আমাদের এই আন্দোলন সমর্থন করায় আমরা উপকৃত হয়েছিলাম; তার মানে এই নয় যে উনি এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, একমাত্র উনার উদ্যোগেই BIT গুলি ইউনিভার্সিটি হয়ে গেছে, কাজেই ইতিহাসে শুধু উনিই স্থান পাবেন আর কারও স্থান নেই ~~

পরবর্তীতে উনি সহ সকল শিক্ষকই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুফল পেয়েছেন, সুযোগ সুবিধা ভোগ করছেন, কিন্তু সেই বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলনের আহ্বায়ক হওয়ার অপরাধে আল আমিনকে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেয়নি CUET কর্তৃপক্ষ, তখন এই শিক্ষক সহ বিশ্ববিদ্যালয় আন্দোলনের সপক্ষের শিক্ষকদের কি উচিৎ ছিল না আলামিনকে শিক্ষক হিসেবে নিতে জোড়ালো ভূমিকা রাখার? প্রয়োজনে তারা শিক্ষক সমিতিকে সঙ্গে করে এর জন্য কি আন্দোলন করতে পারতো না ? পক্ষে বিপক্ষের সকল শিক্ষক/কর্মকর্তা/কর্মচারী তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ সুবিধা প্রাপ্ত হয়ে এতই আনন্দে বিভোর ছিল যে আলামীনের কথা মনে রাখার মত ফুসরত তারা পায়নি। 

বিষয়টি আমাকে এখনও আত্মগ্লানিতে ভোগায়; অন্যান্য BIT গুলোকে আন্দোলনে শরিক করতে আমিই তাকে আহবায়ক হতে উদ্বুদ্ধ করেছিলাম, আমাদের অনুরোধে এবং নিজের দায়িত্ববোধ থেকেই সে পড়ার টেবিল ছেড়ে আন্দোলনে নেমেছিল।

যায় হোক`~

আমরা সকলের অবদানকেই শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি এবং স্বীকার করি, সা:ছাত্রছাত্রী/শিক্ষক/ছাত্রদল/ছাত্র ইউনিয়ন এর নেতৃবৃন্দ সহ  সকলের। ইতিহাসকে কিছুটা বিকৃত করা যায়, কিন্তু ইতিহাসকে সম্পূর্ণরূপে পাল্টে দেয়া যায় না। এটা শুধু  অন্যায় নয়, গুরুতর অন্যায়।

সময় এসেছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার, সঠিক ভাবে পুনরায় ইতিহাস লেখার।

যারা ইতিহাস পাল্টে দিয়েছেন, তারাই কি আবার সঠিক ভাবে ইতিহাস লিখবেন ? না কি আমাদের উদ্যোগ নিতে হবে ? আমরা উদ্যোগ নিলে তো সেটি আবার আরেক ইতিহাস হয়ে রইবে~

Comments

Popular posts from this blog

ইসলাম এবং জঙ্গিবাদ

জানতে ইচ্ছে করে~ উপলক্ষ্য; ড: মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপর হামলা। ক্ষুদ্র জ্ঞানে ইসলাম সম্পর্কে যতটুকু জানি তা হলো~ জনাব মুহাম্মদ সা: এর জীবনাচরণ-ই হলো ইসলাম। উনি যা করে দেখিয়েছেন, যা বলে গেছেন, তার নামই ইসলাম। পবিত্র কুরআন হচ্ছে ইসলামের সর্বোচ্চ পবিত্র ধর্মীয় গ্রন্থ, এরপর হাদিসের গ্রন্থ সমূহের অবস্থান। পবিত্র কোরআন এর অনেক কিছুই সাধারণ মানুষের জন্য বুঝতে পারাটা বেশ কঠিন বিধায়; বড় বড় ইসলামী দার্শনিক-গণ মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিতে বলেছেন।  উনাদের মতে পবিত্র কোরআন যদি থিওরি হয়, তাহলে মহানবী মুহাম্মদ সা: এর পুরো জীবনটাই হচ্ছে তার ব্যবহারিক প্রয়োগ।  অর্থাৎ পবিত্র কোরআন সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত্ব মতবাদ; আর মুহম্মদ সা: হচ্ছেন সৃষ্টিকর্তার পাঠানো মডেল, যাকে তিনি পুরোটা জীবন পবিত্র কোরআন অনুযায়ী জীবনযাপন করিয়েছেন শুধুমাত্র মানব-জাতিকে শিক্ষা দেয়ার উদ্যেশ্যে ~ বলাহয়, মানব জাতির জন্য এমন কোন বিপদ/আপদ, বালা/মসিবত এবং সমস্যা আসবে না; যার সম্মুখীন মুহম্মদ স:-কে করা হয়নি~ অর্থাৎ চাইলেই মানুষ তার জীবনের যেকোন সমস্যায় বা পরিস্থিতিতে মুহম্মদ সা: এর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে উক্ত সমস্...

ঠাকুর_বাবার_ঝুলী

গল্পঃ উপমহাদেশীয় আশরাফুল মাখলুকাত হতে শকুনে'র বাচ্চার শিক্ষা লাভ~ এক শকুনের বাচ্চা, একদিন তার বাবার কাছে বায়না ধরল~ বাবা আমি মানুষের মাংস খাব, এনে দাও না প্লিজ। বাবা শকুন বলল ঠিক আছে আজ সন্ধ্যায় এনে দিব। বিকেলে বাবা শকুন উড়ে গেল আর আসার সময়  ছেলের জন্য শূকরের মাংস নিয়ে এলো, বাচ্চা শকুন খেতে গিয়ে বললো এটাতো শূকরের মাংস বাবা, আমি তো মানুষের মাংস খেতে চেয়েছিলাম? বাবা শকুন ধরাখেয়ে একটু লজ্জা পেল এবং বলল ঠিক আছে বাবা~আজকে মানুষের মাংস এনে দিব, কিন্তু মানুষের মাংস পাওয়া সহজ কিছু নায়, সারাদিন ওড়াউড়ি করার পরও মানুষের মাংস না পেয়ে ঘরে ফেরার সময় একটা মরা গরুর মাংস নিয়ে এলো। যথারীতি বাচ্চা শকুন  মাংস মুখে দিয়ে বললো~ আরে তুমিতো গরুর মাংস এনেছ, মানুষের মাংস কোথায় ? তখন বাবা বুঝতে পড়লো বাচ্চাকে রাম বুঝ দিয়ে লাভ নাই, মানুষের মাংসই খাওয়াতে হবে।  বাবা শকুনের  মাথায় একটা বুদ্ধি এলো, প্রথমে সে গরুর মাংস এর টুকরা মুখে নিয়ে সেখান থেকে উড়ে গিয়ে ফেলল হিন্দুদের মন্দিরের সামনে, আবার শূকরের মাংস এর টুকরোটা নিয়ে একটা মসজিদের সামনে ফেলে দিয়ে চলে এলো।  কিছুক্ষণের ...

সুখ তুমি কি ?

সুখ_তুমি_কি? বড়_জানতে_ইচ্ছে_করে_আমার_জানতে_ইচ্ছে_করে~ রুনা লায়লার বিখ্যাত গানের ধারাবাহিকতায় #কেনই_বা_ফিনল্যান্ডের_মানুষ_পৃথিবীর_সবথেকে_সুখী_মানুষ? আসুন জেনে নেই~ গত ৪ বছর হলো জাতিসংঘের "সাসটেইনেবল সল্যুউশন নেটওয়ার্ক" বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ হিসেবে "ফিনল্যান্ডে'র নাম ঘোষণা করছে।  প্রতিবেশি তিন দেশ নরওয়ে, ডেনমার্ক এবং আইসল্যান্ড যথাক্রমে ফিনল্যান্ডের পরে ২য়, ৩য় ও ৪র্থ  স্থানে অবস্থান করছে। পক্ষান্তরে আমেরিকানদের অবস্থান ১৪ তম, ব্রিটিশদের অবস্থান ১৯ তম, জাপানিজদের অবস্থান অনেক নীচে,  কিন্তু কেন ? সুখ কি তাহলে অর্থের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নয় ? সুখ একটি মানবিক অনুভূতি যা ভালোবাসা, তৃপ্তি, আনন্দ বা উচ্ছ্বাস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।  সুখের সাথে সামগ্রিক নিরাপত্তা, ভবিষ্যত নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকা, মানুষে মানুষে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ থাকা বিশেষ করে পারিবারিক বন্ধনে অটুট থাকা এবং স্বাধীনতা ইত্যাদি বিষয়  সম্পৃক্ত~ ফিনল্যান্ড, নরওয়ে, ডেনমার্ক ~ এসব দেশের পুলিশ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য-সেবা ব্যবস্থার ওপর আস্থা আছে ৮০ শতাংশের বেশি মানুষের। উন্নত কর ব্যবস্থা ও সম্পদের পুনর্বন্টন...