সুধী সাবধান~
কিছু সংখক মানুষ, সুপরিকল্পিতভাবে ধর্মীয় সেন্টিমেন্টকে ব্যবহার করে নিজেদের সুপারস্টার বানানোর নিমিত্তে, মুসলিমদের ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ মাস রমজানকে বেছে নিয়েছে অথবা দেশবিরোধী চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে ~
এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলেন নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার "দাউল বারবাকপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে"র শিক্ষিকা "আমোদিনী পাল" ।
উনি হিজাব পড়ার অপরাধে উক্ত স্কুলের অন্তত ২০ ছাত্রীকে বেধরকভাবে পিটিয়েছেন (লিংক কমেন্টস এ দেয়া আছে) ।
প্রশ্ন হচ্ছে~
১.
উনি এই সময়-ই হটাৎ করেই হিজাব নিয়ে মেয়েদের গায়ে হাত তুললেন কেন ?
দীর্ঘদিন যাবত উক্ত স্কুলে ঐ মেয়েরা হিজাব পড়ে ক্লাস করে আসছে, আগেও নয়/পরেও নয় , এই সময়ই~
যখন লতা সমাদ্দার এবং হৃদয় মন্ডল কে নিয়ে দেশে সাম্প্রদায়িক কথাবর্তা চালু রয়েছে, তখনই কেন হটাৎ এ আচরণ ?
২.
তাওয়া গরম থাকতে রুটি ছেকে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ ~ হয়তো একারণেই "আমোদিনী পাল" এই সময়টিকে-ই পারফেক্ট ভেবেছেন, একদিকে সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে দেশে বেশ গর্মাগরম অবস্থা, অন্যদিকে রমজান মাস। এই সময় হিন্দু হিসেবে উনি ভাইরাল বা আলোচিত হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করবেন কেন ?
৩.
উনি জানেন যে, হিজাব মুসলমানদের ধর্মীয় বিষয়, চাইলেই বিতর্ক এড়ানোর জন্য উনি সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে অন্য কোন মুসলিম শিক্ষক দিয়ে মেয়েদের শাস্তি দিতে পারতেন~
তাছাড়া হিজাব ইস্যুতে দীর্ঘদিন থেকে উপমহাদেশে এমনিতেই গরম অবস্থা বিরাজ করছে~
এছাড়াও বর্তমানে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে উত্তপ্ত অবস্থা বিরাজ করছে~
এই সময় তিনি হিন্দু হয়ে মুসলিমদের ধর্মীয় বিষয়ে নায়কগীরি ফলাতে গেলেন কেন ?
৪.
হয়তো রমজান মাসকে উপলক্ষ্য করে কোন একটি গোষ্ঠী বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাম্প্রদায়িক ইস্যুতে হেয়প্রতিপন্ন করার চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে।
তা না হলে মুসলিমদের ধর্মীয় গুরুত্বপূর্ণ এই মাসে একের পর এক অন্য একটি নির্দিষ্ট ধর্মের অনুসারী'হতে
বিতর্ক তৈরী হবে কেন ?
একটার পর একটা উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড দ্বারা বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক ভাবে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা নয় তো এটি ?
হয়তো এই ঘটনার পর আরেকটি চমক অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য ?
তারপর আরেকটি ~~
৫.
এমনও হতে পারে, কোন আন্তর্জাতিক চক্রান্তের ক্রীড়া-নক হিসেবে এরা দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে শুধুমাত্র~
এদের দায়িত্ব শুধুমাত্র পানি ঘোলা করা, ঠিকমতো পানি ঘোলা হলে মাছ শিকারে নেমে পড়বে হয়তঃ মহলটি ~
উল্লেখ্য; পাকিস্তানে যেমন মাছ শিকার করা অলরেডি কমপ্লিট।
পাকিস্তানের পানি সবসময়ই ঘোলা থাকে বিধায় শিকারীদের মাছ শিকার করা সহজ হলেও বাংলাদেশে ততটা সহজ হবে না~
তারপরও সকলকে সাবধান থাকতে হবে~
শুধু সুধীজনকে সাবধান হলে চলবে না, সরকার-কেউ সাবধান হতে হবে, কঠোর হতে হবে, উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে, অন্যথায় পস্তাতে হবে~
Comments
Post a Comment