*****ইঞ্জিনিয়ার আমিন সাহেবকে বলছি******
চুয়েট ছাত্রলিগের একজন কর্মী হিসেবে আপনাকে কয়েকটি প্রশ্ন...
১) দু'বছর এর জন্য নির্ধারিত কোন পোস্ট এ ১২ বছর আকরে থাকা কি দখলদারত্বের মধ্যে পরে, নাকি পুর্বের ধারাবাহিকতায় উক্ত পোস্টে নতুন নেতৃত্ব আনার চেষ্টা করা দখলদারত্বের মধ্যে পরে?
২) আপনি কি চুয়েট ছাত্রলিগের অতিত ইতিহাস জানেন না?
৩) যে ছাত্রলীগ বি এন পি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সালাউদ্দিন চৌধুরীর কুখ্যাত বাহিনী এবং মেজবাহ, সুমন ও জাহাংগিরের মত ছাত্রদলের কুখ্যাত ক্যডারদের হাত থেকে চুয়েট ক্যাম্পাসকে দখলে রেখে, ক্যাম্পাস কে অপহরণ ও চাদাবাজির আস্তানায় পরনতো করতে না দিয়ে ছাত্রদের নির্বিঘ্নে পড়াশোনা করার উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে দিয়েছিল, সেই ছাত্রলীগ যদি আপনাদের মতো কিছু নির্লজ্জ সুবিধাভোগী ইঞ্জিনিয়ার দের হটিয়ে "চুয়েট এলামনাই এসোসিয়েশান " এর পদ দখল করতে চাইত, তাহলে এতোদিন আপনাদের অস্তিত্ব খুজে পাওয়া যেত কি?
৪) আপনি কি ভুলেগেছেন সেদিনের কথা যেদিন,,,,,
মেজবাহ-সুমন-জাহাংির পুলিশ এবং সাকা বাহিনীর সহায়তায় ক্যম্পাসের দখল নিতে এসে সেসময়কার ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক "চন্দন কুমার দাশ" (আমি ছিলাম সাংগঠনিক সম্পাদক) কে লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি করেছিল?
লদিভাই, চন্দনদা, আমি সহ কয়েকজন ছাত্রলীগের কর্মিরা কয়েকশো সাধারণ ছাত্রদের সাথে নিয়ে মৃত্যুভয় উপেক্ষা করে খালিহাতে সেই কুখ্যাত বাহিনীকে প্রতিরোধ করার কাহিনী কি আপনি জানেননা? সেই আমরা যদি আপনাদের মতো কিছু নপুংসক কে হটিয়ে পদ দখল করার চেষ্টা করতাম তাহলে ১২ বছর নয়, ১২ ঘন্টাও কি আপনারা টিকতে পারতেন? যে পোস্ট আপনি দিয়েছেন সেটা দেয়ার মত শারিরীক ফিটনেস কি আপনার থাকতো?
৫) আপনি কি ভুলেগেছেন সেদিনের কাহিনী?????
যেদিন বি এন পি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় ওই কুখ্যাত বাহিনী বিকেলবেলা ২ টি মাইক্রোবাস ভর্তি অত্যাধুনিক অস্ত্র এবং গোলাবারুদ সহকারে সাউথহলে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় আমি, কায়েস, গৌতমসহ পাচজনকে ধরে ফেলে এবং ক্যম্পাসের দখল নেয়। সেদিনের সেই অত্যাচারের কথা কে না জানে? চুয়েটের উন্মুক্ত মঞ্চ সেদিন আমাদের রক্তে ভেসেগিয়েছিল, কিন্তু এর পরও কি তারা (পুলিশ ও প্রশাসনের সহায়তা নিয়েও) ক্যাম্পাস দখলে রাখতে পেরেছিল? আমরা মাত্র ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে পুনরায় ক্যম্পাসের দখল নিয়েছিলাম।
এবার আপনিই বলুন,,,আমরা যদি চাই তাহলে, আপনারা যে পদগুলো ১২ বছর ধরে দখল করে রেখেছেন সেগুলো আমাদের দখলে নিতে কয়ঘন্টা লাগবে???
৬) উপরের ২ টা ঘটনার মতো এরকম হাজারও ঘটনা আছে (জুপিটার ভাই এবং রিমন বড়ুয়াকে অস্ত্রসহ ধরিয়ে দেয়া এবং তাদের মুক্ত করে আনা) যা আমাদের পরিচয়, সাহস এবং ক্ষমতার সাক্ষ্যদেয়। আপনার মতো নির্বোধ লোকদের এসব জানানো শুধু সময়ের অপচয়।
৭) আপনি কি বাদলভাই, ফিরোজ কান্নুন ফরাজিভাই, নাসিরভাই, মোসলেমভাই, সামছুদ্দিনভাই (সামসভাই), জুপিটারদা সহ আমাদের সিনিয়র এবং জুনিয়র নেতাদের অতীত ইতিহাস জানেন না???? যদি না জেনে থাকেন প্লিজ জেনেনিন। তানাহলে কি ঘোটবে তা আন্দাজও করতে পারবেন না। আমরা বছরখানেক আগে চুয়েটের পিকনিকে যেটা করেছিলাম সেটা ছিলো আপনাদের মতো দখলদারদের জানানদেয়া যে পুর্বের ধারাবাহিকতায় কমিটির রি-এরাঞ্জ করার সময় এসেছে। কিন্তু এরপর ফরাজভাই, নাসিরভাই চন্দন্দাসহ আমাদের লিডারদের অনুরোধে আমরা নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে কমিটির পরিবর্তনের জন্য আপনাদের বলেছি এবং অপেক্ষা করেছি। আর এটাকেই আপনারা আমাদের দুর্বলতা ভেবেনিয়ে এমন পোস্ট দিতে সাহস পেয়েছেন।
আমি আমাদের লিডারদের আবগতির জন্য বলতেচাই,,, সময় এসেছে এখন কিছু করার, আর দেরি করলে উনারা আমদেরকেই নপুংসক ভাববেন। আজ মিটিংয়েই সিদ্ধান্তে আসতে হবে যে আমরা কি করবো ///////
**আজিজ মিশির সেলিম**
সাবেক সভাপতি
চুয়েট ছাত্রলীগ।
বর্তমান সাংগঠনিক সম্পাদক
চুয়েট ছাত্রলীগ এলামনাই এসোসিয়েশান।
Comments
Post a Comment